ভূমি অফিসে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করবে ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তি

ভূমি অফিসে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করবে ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, মাঠ প্রশাসনের ভূমি কার্যালয়গুলোকে একই ডিজিটাল মনিটরিং কাঠামোর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, তথ্যভিত্তিক তদারকি এবং নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি অফিসে কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিতে ‘ভূমিদৃষ্ট’ অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত এবং ভূমিসেবা কার্যক্রমের জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ ব্যবস্থায় ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্ধারিত কর্মস্থলের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থান করলেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা নিবন্ধন করতে পারছে। এরইমধ্যে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম– এই ছয় জেলায় ব্যবস্থাটির পাইলটিং কার্যক্রম চলছে।
জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় এসব জেলার ৬১০টি কার্যালয়ের ৯১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। পাইলটিংয়ের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
‘জিও ফেন্সিং’ হলো মানচিত্রের ওপর নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের একটি প্রযুক্তি। এ ব্যবস্থায় প্রতিটি ভূমি অফিস বা কার্যালয়ের চারপাশে নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধের একটি ভার্চুয়াল সীমানা নির্ধারণ, যা কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মোবাইল ফোনের অবস্থান ওই নির্ধারিত সীমানার ভেতরে থাকলেই মোবাইল অ্যাপে উপস্থিতি নিবন্ধনের সুযোগ সক্রিয় হবে। ফলে কর্মস্থলের বাইরে অবস্থান করে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়,অন্যান্য দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের কর্মীরা। এছাড়া পাইলটিং কার্যক্রম চলমান ৬টি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, মাঠ প্রশাসনের ভূমি কার্যালয়গুলোকে একই ডিজিটাল মনিটরিং কাঠামোর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, তথ্যভিত্তিক তদারকি এবং নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি অফিসে কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিতে ‘ভূমিদৃষ্ট’ অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত এবং ভূমিসেবা কার্যক্রমের জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ ব্যবস্থায় ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্ধারিত কর্মস্থলের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থান করলেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা নিবন্ধন করতে পারছে। এরইমধ্যে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম– এই ছয় জেলায় ব্যবস্থাটির পাইলটিং কার্যক্রম চলছে।
জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় এসব জেলার ৬১০টি কার্যালয়ের ৯১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। পাইলটিংয়ের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
‘জিও ফেন্সিং’ হলো মানচিত্রের ওপর নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের একটি প্রযুক্তি। এ ব্যবস্থায় প্রতিটি ভূমি অফিস বা কার্যালয়ের চারপাশে নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধের একটি ভার্চুয়াল সীমানা নির্ধারণ, যা কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মোবাইল ফোনের অবস্থান ওই নির্ধারিত সীমানার ভেতরে থাকলেই মোবাইল অ্যাপে উপস্থিতি নিবন্ধনের সুযোগ সক্রিয় হবে। ফলে কর্মস্থলের বাইরে অবস্থান করে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়,অন্যান্য দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের কর্মীরা। এছাড়া পাইলটিং কার্যক্রম চলমান ৬টি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

ভূমি অফিসে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করবে ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, মাঠ প্রশাসনের ভূমি কার্যালয়গুলোকে একই ডিজিটাল মনিটরিং কাঠামোর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে ভূমিসেবা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, তথ্যভিত্তিক তদারকি এবং নাগরিক সেবার মান আরও উন্নত হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভূমি অফিসে কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিতে ‘ভূমিদৃষ্ট’ অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রকৃত উপস্থিতি নিশ্চিত এবং ভূমিসেবা কার্যক্রমের জবাবদিহিতা বাড়াতে প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ ব্যবস্থায় ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্ধারিত কর্মস্থলের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থান করলেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হাজিরা নিবন্ধন করতে পারছে। এরইমধ্যে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম– এই ছয় জেলায় ব্যবস্থাটির পাইলটিং কার্যক্রম চলছে।
জানা গেছে, পাইলট প্রকল্পের আওতায় এসব জেলার ৬১০টি কার্যালয়ের ৯১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ‘জিও ফেন্সিং’ প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। পাইলটিংয়ের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
‘জিও ফেন্সিং’ হলো মানচিত্রের ওপর নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণের একটি প্রযুক্তি। এ ব্যবস্থায় প্রতিটি ভূমি অফিস বা কার্যালয়ের চারপাশে নির্দিষ্ট ব্যাসার্ধের একটি ভার্চুয়াল সীমানা নির্ধারণ, যা কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মোবাইল ফোনের অবস্থান ওই নির্ধারিত সীমানার ভেতরে থাকলেই মোবাইল অ্যাপে উপস্থিতি নিবন্ধনের সুযোগ সক্রিয় হবে। ফলে কর্মস্থলের বাইরে অবস্থান করে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়,অন্যান্য দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের কর্মীরা। এছাড়া পাইলটিং কার্যক্রম চলমান ৬টি জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

ভূমি অফিসে ঘুস ছাড়া ফাইল নড়ে না: এমপি সুলতানা আহমেদ







