অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছেড়ে যাননি প্রধানমন্ত্রী

অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছেড়ে যাননি প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপান থেকে ফিরতে দেরি হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফরসঙ্গীদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন। অন্য বিমানে করে দেশে ফেরার সুযোগ থাকলেও তিনি তা না করে সফরসঙ্গীদের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, জাপান থেকে ফেরার আগে বিমানে সামান্য ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলেই অন্য কোনো বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন। কিন্তু সবাইকে সেখানে ফেলে তিনি সেটি করতে চাননি। ওই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বিমানের অন্য যাত্রীদের কাছে গিয়ে কথা বলেছেন, তাদের আশ্বস্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন।
জাপানে চারদিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, জাপান থেকে বিমান ছাড়ার আগে পযর্বেক্ষণের সময় সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা যায়। এটি বড় কোনো সমস্যা ছিল না। বিমানের ইঞ্জিন সম্পূর্ণ ঠিক ছিল। বাতাস নিয়ন্ত্রণ ও পাখার ওঠানামার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে সমস্যা হচ্ছিল। পরে দ্রুত সেটির সমাধান করা হয়।
আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এসময় শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন। তিনি তাৎক্ষণিক বিমানের যাত্রীদের অভয় দেন। বিশেষ করে বাচ্চারা যেন কান্নাকাটি না করে, তারা যেন ভালোভাবে ফিরতে পারে, সে বিষয়ে খোঁজ নেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপান সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।

বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপান থেকে ফিরতে দেরি হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফরসঙ্গীদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন। অন্য বিমানে করে দেশে ফেরার সুযোগ থাকলেও তিনি তা না করে সফরসঙ্গীদের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, জাপান থেকে ফেরার আগে বিমানে সামান্য ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলেই অন্য কোনো বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন। কিন্তু সবাইকে সেখানে ফেলে তিনি সেটি করতে চাননি। ওই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বিমানের অন্য যাত্রীদের কাছে গিয়ে কথা বলেছেন, তাদের আশ্বস্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন।
জাপানে চারদিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, জাপান থেকে বিমান ছাড়ার আগে পযর্বেক্ষণের সময় সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা যায়। এটি বড় কোনো সমস্যা ছিল না। বিমানের ইঞ্জিন সম্পূর্ণ ঠিক ছিল। বাতাস নিয়ন্ত্রণ ও পাখার ওঠানামার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে সমস্যা হচ্ছিল। পরে দ্রুত সেটির সমাধান করা হয়।
আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এসময় শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন। তিনি তাৎক্ষণিক বিমানের যাত্রীদের অভয় দেন। বিশেষ করে বাচ্চারা যেন কান্নাকাটি না করে, তারা যেন ভালোভাবে ফিরতে পারে, সে বিষয়ে খোঁজ নেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপান সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।

অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছেড়ে যাননি প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপান থেকে ফিরতে দেরি হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফরসঙ্গীদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন। অন্য বিমানে করে দেশে ফেরার সুযোগ থাকলেও তিনি তা না করে সফরসঙ্গীদের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, জাপান থেকে ফেরার আগে বিমানে সামান্য ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলেই অন্য কোনো বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন। কিন্তু সবাইকে সেখানে ফেলে তিনি সেটি করতে চাননি। ওই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বিমানের অন্য যাত্রীদের কাছে গিয়ে কথা বলেছেন, তাদের আশ্বস্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন।
জাপানে চারদিনের সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, জাপান থেকে বিমান ছাড়ার আগে পযর্বেক্ষণের সময় সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা যায়। এটি বড় কোনো সমস্যা ছিল না। বিমানের ইঞ্জিন সম্পূর্ণ ঠিক ছিল। বাতাস নিয়ন্ত্রণ ও পাখার ওঠানামার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যারে সমস্যা হচ্ছিল। পরে দ্রুত সেটির সমাধান করা হয়।
আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এসময় শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন। তিনি তাৎক্ষণিক বিমানের যাত্রীদের অভয় দেন। বিশেষ করে বাচ্চারা যেন কান্নাকাটি না করে, তারা যেন ভালোভাবে ফিরতে পারে, সে বিষয়ে খোঁজ নেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাপান সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি: তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি







