রোহিঙ্গাদের চিরস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি চায় না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের চিরস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি চায় না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক, বাংলাদেশ তা চায় না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মানবিক কারণে বাংলাদেশ বছরের পর বছর বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এভাবে অনির্দিষ্টকাল তাদের দায়িত্ব বহন করা বাংলাদেশের জন্য সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ব্যয় প্রতিদিনই বাড়ছে-শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও। বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ এখন বিপুল। একই সঙ্গে, দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে।
অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো ও সমন্বিত ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও সেখানেই নিহিত। দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ তৈরির পাশাপাশি মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক, বাংলাদেশ তা চায় না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মানবিক কারণে বাংলাদেশ বছরের পর বছর বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এভাবে অনির্দিষ্টকাল তাদের দায়িত্ব বহন করা বাংলাদেশের জন্য সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ব্যয় প্রতিদিনই বাড়ছে-শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও। বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ এখন বিপুল। একই সঙ্গে, দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে।
অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো ও সমন্বিত ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও সেখানেই নিহিত। দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ তৈরির পাশাপাশি মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

রোহিঙ্গাদের চিরস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি চায় না বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক, বাংলাদেশ তা চায় না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণভাবে নিজভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মানবিক কারণে বাংলাদেশ বছরের পর বছর বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এভাবে অনির্দিষ্টকাল তাদের দায়িত্ব বহন করা বাংলাদেশের জন্য সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ব্যয় প্রতিদিনই বাড়ছে-শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও। বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ এখন বিপুল। একই সঙ্গে, দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে।
অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো ও সমন্বিত ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে এবং এর টেকসই সমাধানও সেখানেই নিহিত। দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ তৈরির পাশাপাশি মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক







