বৃষ্টি হত্যার সুষ্ঠু বিচারের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র সচিব

বৃষ্টি হত্যার সুষ্ঠু বিচারের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃষ্টির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৃষ্টির হত্যাকাণ্ড করুণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। তার পরিবার যে গভীর শোকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা সরকার উপলব্ধি করে। এখানে বৃষ্টির বাবা, মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত আছেন। আমি বৃষ্টির পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং বৃষ্টির আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসি এবং ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করছে। সরকার আশা করে, বৃষ্টির পরিবার সঠিক ও সুষ্ঠু বিচার পাবে।
এদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। পরে বিমানবন্দরে তার বাবা-মা ও স্বজনরা মরদেহ গ্রহণ করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা বিশেষায়িত সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে বৃষ্টির মরদেহ নিয়ে মাদারীপুরে গ্রামের বাড়ির পথে রওনা হন।
ফ্লোরিডায় নিহত আরেক শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত সোমবার (৪ মে) ঢাকায় পৌঁছায়।
বৃষ্টি ও লিমন ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পা বে এলাকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী ছিলেন। বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এবং লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল তারা নিখোঁজ হন।
২৪ এপ্রিল লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সন্দেহভাজন খুনি হিসেবে সেদিনই লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর দুদিন পর বৃষ্টির মরদেহের সন্ধান মেলে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃষ্টির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৃষ্টির হত্যাকাণ্ড করুণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। তার পরিবার যে গভীর শোকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা সরকার উপলব্ধি করে। এখানে বৃষ্টির বাবা, মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত আছেন। আমি বৃষ্টির পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং বৃষ্টির আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসি এবং ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করছে। সরকার আশা করে, বৃষ্টির পরিবার সঠিক ও সুষ্ঠু বিচার পাবে।
এদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। পরে বিমানবন্দরে তার বাবা-মা ও স্বজনরা মরদেহ গ্রহণ করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা বিশেষায়িত সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে বৃষ্টির মরদেহ নিয়ে মাদারীপুরে গ্রামের বাড়ির পথে রওনা হন।
ফ্লোরিডায় নিহত আরেক শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত সোমবার (৪ মে) ঢাকায় পৌঁছায়।
বৃষ্টি ও লিমন ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পা বে এলাকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী ছিলেন। বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এবং লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল তারা নিখোঁজ হন।
২৪ এপ্রিল লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সন্দেহভাজন খুনি হিসেবে সেদিনই লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর দুদিন পর বৃষ্টির মরদেহের সন্ধান মেলে।

বৃষ্টি হত্যার সুষ্ঠু বিচারের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: পররাষ্ট্র সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ বিচার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃষ্টির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৃষ্টির হত্যাকাণ্ড করুণ ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। তার পরিবার যে গভীর শোকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা সরকার উপলব্ধি করে। এখানে বৃষ্টির বাবা, মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত আছেন। আমি বৃষ্টির পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং বৃষ্টির আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসি এবং ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল বৃষ্টি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করছে। সরকার আশা করে, বৃষ্টির পরিবার সঠিক ও সুষ্ঠু বিচার পাবে।
এদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। পরে বিমানবন্দরে তার বাবা-মা ও স্বজনরা মরদেহ গ্রহণ করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা বিশেষায়িত সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে বৃষ্টির মরদেহ নিয়ে মাদারীপুরে গ্রামের বাড়ির পথে রওনা হন।
ফ্লোরিডায় নিহত আরেক শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ গত সোমবার (৪ মে) ঢাকায় পৌঁছায়।
বৃষ্টি ও লিমন ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পা বে এলাকার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার শিক্ষার্থী ছিলেন। বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এবং লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল তারা নিখোঁজ হন।
২৪ এপ্রিল লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সন্দেহভাজন খুনি হিসেবে সেদিনই লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর দুদিন পর বৃষ্টির মরদেহের সন্ধান মেলে।

দেশে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ


