পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর প্রায় সাড়ে ৭০০ আফটারশক

পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর প্রায় সাড়ে ৭০০ আফটারশক
সিজেডএন ডেস্ক

পানামায় গত সপ্তাহে আঘাত হানা ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর থেকে ভূকম্পন থামছেই না। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ৭৪৬টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের মাত্রা ও স্থায়িত্ব নিয়ে পানামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্তর লুকে বলেন, তত্ত্ব এবং ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, এ মাত্রার ভূমিকম্পের পরবর্তী কম্পন এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
তিনি আরও জানান, ভূমিকম্পটি ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল)-এরও কম গভীরে সংঘটিত হয়েছে এবং এর ফলে নির্গত শক্তি টেকটোনিক ব্লকগুলোকে ক্রমাগত পুনর্বিন্যাস করতে বাধ্য করছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ভূকম্পন রেকর্ডে দেখা গেছে যে আফটারশকগুলোর মাত্রা ক্রমান্বয়ে কমছিল।
ভূমিকম্পের পর পানামার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় এলাকায় বেশ কিছু বিরল দৃশ্য চোখে পড়ছে। উপকূলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে অনেক শিলা বের হয়ে এসেছে এবং বেশ কিছু এলাকা থেকে সমুদ্রের পানি নিচে নেমে গেছে মনে হচ্ছে। গবেষকরা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছেন।
শুধু ভূমির পরিবর্তনই নয়, সমুদ্রের পানির রঙের পরিবর্তন নিয়েও রহস্য দেখা দিয়েছে। কিছু জায়গায় পানি ধূসর রং ধারণ করেছে বলে জানা গেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ভূমিকম্পের সময় নির্গত খনিজ পদার্থ ভূগর্ভস্থ পানির সংস্পর্শে এমনটা হতে পারে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলীয় লস সান্তোস প্রদেশের ইসলা কানাস দ্বীপে। সেখানকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর দ্বীপটি যেন দুভাগ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

পানামায় গত সপ্তাহে আঘাত হানা ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর থেকে ভূকম্পন থামছেই না। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ৭৪৬টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের মাত্রা ও স্থায়িত্ব নিয়ে পানামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্তর লুকে বলেন, তত্ত্ব এবং ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, এ মাত্রার ভূমিকম্পের পরবর্তী কম্পন এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
তিনি আরও জানান, ভূমিকম্পটি ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল)-এরও কম গভীরে সংঘটিত হয়েছে এবং এর ফলে নির্গত শক্তি টেকটোনিক ব্লকগুলোকে ক্রমাগত পুনর্বিন্যাস করতে বাধ্য করছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ভূকম্পন রেকর্ডে দেখা গেছে যে আফটারশকগুলোর মাত্রা ক্রমান্বয়ে কমছিল।
ভূমিকম্পের পর পানামার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় এলাকায় বেশ কিছু বিরল দৃশ্য চোখে পড়ছে। উপকূলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে অনেক শিলা বের হয়ে এসেছে এবং বেশ কিছু এলাকা থেকে সমুদ্রের পানি নিচে নেমে গেছে মনে হচ্ছে। গবেষকরা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছেন।
শুধু ভূমির পরিবর্তনই নয়, সমুদ্রের পানির রঙের পরিবর্তন নিয়েও রহস্য দেখা দিয়েছে। কিছু জায়গায় পানি ধূসর রং ধারণ করেছে বলে জানা গেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ভূমিকম্পের সময় নির্গত খনিজ পদার্থ ভূগর্ভস্থ পানির সংস্পর্শে এমনটা হতে পারে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলীয় লস সান্তোস প্রদেশের ইসলা কানাস দ্বীপে। সেখানকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর দ্বীপটি যেন দুভাগ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

পানামায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর প্রায় সাড়ে ৭০০ আফটারশক
সিজেডএন ডেস্ক

পানামায় গত সপ্তাহে আঘাত হানা ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর থেকে ভূকম্পন থামছেই না। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ পর্যন্ত অন্তত ৭৪৬টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
ভূমিকম্পের মাত্রা ও স্থায়িত্ব নিয়ে পানামা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক নেস্তর লুকে বলেন, তত্ত্ব এবং ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, এ মাত্রার ভূমিকম্পের পরবর্তী কম্পন এক থেকে দুই মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
তিনি আরও জানান, ভূমিকম্পটি ১০ কিলোমিটার (৬.২ মাইল)-এরও কম গভীরে সংঘটিত হয়েছে এবং এর ফলে নির্গত শক্তি টেকটোনিক ব্লকগুলোকে ক্রমাগত পুনর্বিন্যাস করতে বাধ্য করছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ভূকম্পন রেকর্ডে দেখা গেছে যে আফটারশকগুলোর মাত্রা ক্রমান্বয়ে কমছিল।
ভূমিকম্পের পর পানামার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় এলাকায় বেশ কিছু বিরল দৃশ্য চোখে পড়ছে। উপকূলের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে অনেক শিলা বের হয়ে এসেছে এবং বেশ কিছু এলাকা থেকে সমুদ্রের পানি নিচে নেমে গেছে মনে হচ্ছে। গবেষকরা এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছেন।
শুধু ভূমির পরিবর্তনই নয়, সমুদ্রের পানির রঙের পরিবর্তন নিয়েও রহস্য দেখা দিয়েছে। কিছু জায়গায় পানি ধূসর রং ধারণ করেছে বলে জানা গেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ভূমিকম্পের সময় নির্গত খনিজ পদার্থ ভূগর্ভস্থ পানির সংস্পর্শে এমনটা হতে পারে।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলীয় লস সান্তোস প্রদেশের ইসলা কানাস দ্বীপে। সেখানকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর দ্বীপটি যেন দুভাগ হয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

পানামায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা







