কাউকে দোষ দেবো না: ট্রাম্প

কাউকে দোষ দেবো না: ট্রাম্প
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের পরাজয় হয়েছে। এরপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটাই সুর নরম করেছেন। ভোটাররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার দলের প্রার্থীদের পছন্দ করেননি বলে জানান তিনি। তবে নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য কাউকে দোষ দিতে চাননি তিনি। একইসঙ্গে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করার এবং সবকিছুতে ভেটো না দেয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।
নিজ দলের পরাজয়ের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভোটাররা (রিপাবলিকান) প্রার্থীদের পছন্দ করেননি। তবে তার দলের বড় ধরনের নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য তিনি ‘কাউকে দোষ দিতে চান না’।
কোন প্রার্থীরা যথেষ্ট শক্তিশালী ছিলেন না- এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। শুধু বলতে চাই, জানেন, সময়টা ছিল বেশ ঘটনাবহুল। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে সবকিছু দেখেছি এবং এ থেকে শিখেছি।’
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ট্রাম্প ব্যালটে নিজের নাম না থাকাকে দায়ী করেছেন। অর্থাৎ, তিনি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় দলের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি বলে মনে করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম!’
নির্বাচনে নিজ দলের প্রার্থীদের পরাজয় নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’
রাজ্যটি রিপাবলিকানদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। গত ২৮ বছর ধরে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আসনটিতে জয় পায়নি। তবে এবার অপ্রত্যাশিত ফল পেয়েছে তারা।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব।’
পলিটিকোর সরাসরি সম্প্রচারে ফোন করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব, যাতে আমাদের দেশের জন্য সবকিছু ভালোভাবে এগোয়। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব।’
এ সময় তিনি অনেকটা সংযত সুরে বলেন, ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস থেকে তার টেবিলে আসা কোনো আইনে ভেটো দেওয়ার অধিকার তার রয়েছে। তবে তিনি ‘দুই বছর ধরে বসে থেকে সবকিছুতে ভেটো দিতে চান না। এর আগে অবশ্য তিনি সবকিছুতে ভেটো দেবেন বলে জানান। এমনকি নিজেকে ‘মিস্টার ভেটো’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি পদে ভোট হচ্ছে।
বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ- দুটির নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও আলোচনা করা হয়। পরে তা সিনেটে পাঠানো হয়।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনএন, পলিটিকো

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের পরাজয় হয়েছে। এরপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটাই সুর নরম করেছেন। ভোটাররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার দলের প্রার্থীদের পছন্দ করেননি বলে জানান তিনি। তবে নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য কাউকে দোষ দিতে চাননি তিনি। একইসঙ্গে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করার এবং সবকিছুতে ভেটো না দেয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।
নিজ দলের পরাজয়ের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভোটাররা (রিপাবলিকান) প্রার্থীদের পছন্দ করেননি। তবে তার দলের বড় ধরনের নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য তিনি ‘কাউকে দোষ দিতে চান না’।
কোন প্রার্থীরা যথেষ্ট শক্তিশালী ছিলেন না- এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। শুধু বলতে চাই, জানেন, সময়টা ছিল বেশ ঘটনাবহুল। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে সবকিছু দেখেছি এবং এ থেকে শিখেছি।’
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ট্রাম্প ব্যালটে নিজের নাম না থাকাকে দায়ী করেছেন। অর্থাৎ, তিনি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় দলের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি বলে মনে করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম!’
নির্বাচনে নিজ দলের প্রার্থীদের পরাজয় নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’
রাজ্যটি রিপাবলিকানদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। গত ২৮ বছর ধরে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আসনটিতে জয় পায়নি। তবে এবার অপ্রত্যাশিত ফল পেয়েছে তারা।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব।’
পলিটিকোর সরাসরি সম্প্রচারে ফোন করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব, যাতে আমাদের দেশের জন্য সবকিছু ভালোভাবে এগোয়। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব।’
এ সময় তিনি অনেকটা সংযত সুরে বলেন, ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস থেকে তার টেবিলে আসা কোনো আইনে ভেটো দেওয়ার অধিকার তার রয়েছে। তবে তিনি ‘দুই বছর ধরে বসে থেকে সবকিছুতে ভেটো দিতে চান না। এর আগে অবশ্য তিনি সবকিছুতে ভেটো দেবেন বলে জানান। এমনকি নিজেকে ‘মিস্টার ভেটো’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি পদে ভোট হচ্ছে।
বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ- দুটির নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও আলোচনা করা হয়। পরে তা সিনেটে পাঠানো হয়।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনএন, পলিটিকো

কাউকে দোষ দেবো না: ট্রাম্প
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের পরাজয় হয়েছে। এরপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনেকটাই সুর নরম করেছেন। ভোটাররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার দলের প্রার্থীদের পছন্দ করেননি বলে জানান তিনি। তবে নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য কাউকে দোষ দিতে চাননি তিনি। একইসঙ্গে ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেসের সঙ্গে কাজ করার এবং সবকিছুতে ভেটো না দেয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।
নিজ দলের পরাজয়ের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভোটাররা (রিপাবলিকান) প্রার্থীদের পছন্দ করেননি। তবে তার দলের বড় ধরনের নির্বাচনী বিপর্যয়ের জন্য তিনি ‘কাউকে দোষ দিতে চান না’।
কোন প্রার্থীরা যথেষ্ট শক্তিশালী ছিলেন না- এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কাউকে দোষ দিতে চাই না। শুধু বলতে চাই, জানেন, সময়টা ছিল বেশ ঘটনাবহুল। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে সবকিছু দেখেছি এবং এ থেকে শিখেছি।’
নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ট্রাম্প ব্যালটে নিজের নাম না থাকাকে দায়ী করেছেন। অর্থাৎ, তিনি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় দলের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি বলে মনে করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম!’
নির্বাচনে নিজ দলের প্রার্থীদের পরাজয় নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’
রাজ্যটি রিপাবলিকানদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। গত ২৮ বছর ধরে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আসনটিতে জয় পায়নি। তবে এবার অপ্রত্যাশিত ফল পেয়েছে তারা।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব।’
পলিটিকোর সরাসরি সম্প্রচারে ফোন করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব, যাতে আমাদের দেশের জন্য সবকিছু ভালোভাবে এগোয়। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব।’
এ সময় তিনি অনেকটা সংযত সুরে বলেন, ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত কংগ্রেস থেকে তার টেবিলে আসা কোনো আইনে ভেটো দেওয়ার অধিকার তার রয়েছে। তবে তিনি ‘দুই বছর ধরে বসে থেকে সবকিছুতে ভেটো দিতে চান না। এর আগে অবশ্য তিনি সবকিছুতে ভেটো দেবেন বলে জানান। এমনকি নিজেকে ‘মিস্টার ভেটো’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি পদে ভোট হচ্ছে।
বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ- দুটির নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও আলোচনা করা হয়। পরে তা সিনেটে পাঠানো হয়।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, সিএনএন, পলিটিকো

সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারালো ট্রাম্পের দল
ইসরায়েলপন্থি সিনেটরের আসনে ডেমোক্র্যাটদের জয়







