জ্বর হলেই ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নয়

জ্বর হলেই ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নয়
আয়নাল হোসেন

রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে মানুষ জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকের ক্ষেত্রেই ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ আসছে। তাহলে কি এটি নতুন কোনো ভাইরাস? এ নিয়ে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জ্বরের কারণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে জানা গেলো।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর হলেই তা ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া নয়। আবার ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ ফলাফল এলেও সেটি ডেঙ্গু হয়নি তা-ও বলা যাবে না। একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, দেশে অনেক ভাইরাসজনিত রোগ রয়েছে যেগুলোর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ব্যবস্থা দেশে নেই। চিকিৎসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর হওয়ার পর পরীক্ষা-নীরিক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের ওপর ডেঙ্গু রোগ শনাক্তের বিষয়টি নির্ভরশীল। এছাড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষাতেও রয়েছে নানা জটিলতা।
চিকিৎসকরা বলেন, জ্বর হওয়ার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত এনএস১ পরীক্ষা করানো দরকার। তাহলে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। তবে অনেকেই দেরিতে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এছাড়া ভাইরাস জ্বর ও ডেঙ্গু জ্বরের মধ্যে পার্থক্যও রয়েছে। এসব বিষয় বিশ্লেষণ ছাড়া নিজে নিজে ওষুধ খেলে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। জ্বরের পঞ্চম দিন থেকে আইজিএম পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু নিশ্চিত জানা যাবে। ৫ থেকে ৭ দিন পর আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করালে সেটি নিশ্চিত জানা যাবে। কাজেই সঠিক চিকিৎসার জন্য পরীক্ষার সময় ও রোগ নির্ণয়ের উপাদান অনেকটাই নির্ভরশীল।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবু আজহার বলেন, জ্বর হলেই তা ডেঙ্গু নয়। জ্বরের সঙ্গে শরীরে ব্যথা থাকলে সেটি ডেঙ্গু। আর জ্বরের সঙ্গে সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা থাকলে সেটি ঠান্ডাজনিত জ্বর। এই ধরনের লক্ষণ থাকলে রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আর জ্বর ও শরীর ব্যথা থাকলে রোগীকে প্যারাসিটামল ও গ্যাসের ট্যাবলেট দেওয়া হচ্ছে।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, দেশে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া হলে তা নির্ণয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু অনেক ভাইরাসজনিত জ্বর রয়েছে যেগুলোর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ব্যবস্থা দেশে নেই।
ফরিদপুর উপজেলা সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোক্তার হোসেন বলেন, ডেঙ্গু নেগেটিভ হলেই রোগীর ডেঙ্গু হয়নি তা বলা যাবে না। কারণ জ্বরে আক্রান্ত রোগীর পরীক্ষা-নীরিক্ষা সময়ের ওপর নির্ভরশীল। অনেক হাসপাতালে পরীক্ষার কিট ভালো নয়। আবার অনেক জায়গায় মেশিন সঠিক রিডিং দেয় না। এজন্য জ্বর হওয়ার পর প্রথমত দ্রুত চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনে একাধিক স্থান থেকে পরীক্ষা করাতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ৩৫ হাজার জন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪১৯ জন।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা সরকারি পরিসংখ্যানে চিকুনগুনিয়া নিয়ে আলাদা করে নিয়মিত কোনো সুনির্দিষ্ট বুলেটিন বা মৃত্যুর হিসাব নেই। চিকুনগুনিয়ায় মৃত্যুর হার খুবই কম এবং এটি ডেঙ্গুর মতো ব্যাপকভাবে হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর বড় কোনো পরিসংখ্যান নিয়মিত আলাদাভাবে হালনাগাদ করা হয় না।

রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে মানুষ জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকের ক্ষেত্রেই ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ আসছে। তাহলে কি এটি নতুন কোনো ভাইরাস? এ নিয়ে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জ্বরের কারণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে জানা গেলো।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর হলেই তা ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া নয়। আবার ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ ফলাফল এলেও সেটি ডেঙ্গু হয়নি তা-ও বলা যাবে না। একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, দেশে অনেক ভাইরাসজনিত রোগ রয়েছে যেগুলোর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ব্যবস্থা দেশে নেই। চিকিৎসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর হওয়ার পর পরীক্ষা-নীরিক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের ওপর ডেঙ্গু রোগ শনাক্তের বিষয়টি নির্ভরশীল। এছাড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষাতেও রয়েছে নানা জটিলতা।
চিকিৎসকরা বলেন, জ্বর হওয়ার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত এনএস১ পরীক্ষা করানো দরকার। তাহলে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। তবে অনেকেই দেরিতে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এছাড়া ভাইরাস জ্বর ও ডেঙ্গু জ্বরের মধ্যে পার্থক্যও রয়েছে। এসব বিষয় বিশ্লেষণ ছাড়া নিজে নিজে ওষুধ খেলে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। জ্বরের পঞ্চম দিন থেকে আইজিএম পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু নিশ্চিত জানা যাবে। ৫ থেকে ৭ দিন পর আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করালে সেটি নিশ্চিত জানা যাবে। কাজেই সঠিক চিকিৎসার জন্য পরীক্ষার সময় ও রোগ নির্ণয়ের উপাদান অনেকটাই নির্ভরশীল।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবু আজহার বলেন, জ্বর হলেই তা ডেঙ্গু নয়। জ্বরের সঙ্গে শরীরে ব্যথা থাকলে সেটি ডেঙ্গু। আর জ্বরের সঙ্গে সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা থাকলে সেটি ঠান্ডাজনিত জ্বর। এই ধরনের লক্ষণ থাকলে রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আর জ্বর ও শরীর ব্যথা থাকলে রোগীকে প্যারাসিটামল ও গ্যাসের ট্যাবলেট দেওয়া হচ্ছে।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, দেশে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া হলে তা নির্ণয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু অনেক ভাইরাসজনিত জ্বর রয়েছে যেগুলোর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ব্যবস্থা দেশে নেই।
ফরিদপুর উপজেলা সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোক্তার হোসেন বলেন, ডেঙ্গু নেগেটিভ হলেই রোগীর ডেঙ্গু হয়নি তা বলা যাবে না। কারণ জ্বরে আক্রান্ত রোগীর পরীক্ষা-নীরিক্ষা সময়ের ওপর নির্ভরশীল। অনেক হাসপাতালে পরীক্ষার কিট ভালো নয়। আবার অনেক জায়গায় মেশিন সঠিক রিডিং দেয় না। এজন্য জ্বর হওয়ার পর প্রথমত দ্রুত চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনে একাধিক স্থান থেকে পরীক্ষা করাতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ৩৫ হাজার জন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪১৯ জন।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা সরকারি পরিসংখ্যানে চিকুনগুনিয়া নিয়ে আলাদা করে নিয়মিত কোনো সুনির্দিষ্ট বুলেটিন বা মৃত্যুর হিসাব নেই। চিকুনগুনিয়ায় মৃত্যুর হার খুবই কম এবং এটি ডেঙ্গুর মতো ব্যাপকভাবে হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর বড় কোনো পরিসংখ্যান নিয়মিত আলাদাভাবে হালনাগাদ করা হয় না।

জ্বর হলেই ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নয়
আয়নাল হোসেন

রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে মানুষ জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকের ক্ষেত্রেই ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ আসছে। তাহলে কি এটি নতুন কোনো ভাইরাস? এ নিয়ে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জ্বরের কারণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে জানা গেলো।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর হলেই তা ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া নয়। আবার ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া নেগেটিভ ফলাফল এলেও সেটি ডেঙ্গু হয়নি তা-ও বলা যাবে না। একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, দেশে অনেক ভাইরাসজনিত রোগ রয়েছে যেগুলোর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ব্যবস্থা দেশে নেই। চিকিৎসার সঙ্গে সরাসরি জড়িত চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর হওয়ার পর পরীক্ষা-নীরিক্ষার নির্দিষ্ট সময়ের ওপর ডেঙ্গু রোগ শনাক্তের বিষয়টি নির্ভরশীল। এছাড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষাতেও রয়েছে নানা জটিলতা।
চিকিৎসকরা বলেন, জ্বর হওয়ার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দ্রুত এনএস১ পরীক্ষা করানো দরকার। তাহলে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। তবে অনেকেই দেরিতে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এছাড়া ভাইরাস জ্বর ও ডেঙ্গু জ্বরের মধ্যে পার্থক্যও রয়েছে। এসব বিষয় বিশ্লেষণ ছাড়া নিজে নিজে ওষুধ খেলে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। জ্বরের পঞ্চম দিন থেকে আইজিএম পরীক্ষা করালে ডেঙ্গু নিশ্চিত জানা যাবে। ৫ থেকে ৭ দিন পর আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করালে সেটি নিশ্চিত জানা যাবে। কাজেই সঠিক চিকিৎসার জন্য পরীক্ষার সময় ও রোগ নির্ণয়ের উপাদান অনেকটাই নির্ভরশীল।
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও মেডিসিন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আবু আজহার বলেন, জ্বর হলেই তা ডেঙ্গু নয়। জ্বরের সঙ্গে শরীরে ব্যথা থাকলে সেটি ডেঙ্গু। আর জ্বরের সঙ্গে সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা থাকলে সেটি ঠান্ডাজনিত জ্বর। এই ধরনের লক্ষণ থাকলে রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। আর জ্বর ও শরীর ব্যথা থাকলে রোগীকে প্যারাসিটামল ও গ্যাসের ট্যাবলেট দেওয়া হচ্ছে।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজীর আহমেদ বলেন, দেশে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া হলে তা নির্ণয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু অনেক ভাইরাসজনিত জ্বর রয়েছে যেগুলোর পরীক্ষা-নীরিক্ষার ব্যবস্থা দেশে নেই।
ফরিদপুর উপজেলা সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোক্তার হোসেন বলেন, ডেঙ্গু নেগেটিভ হলেই রোগীর ডেঙ্গু হয়নি তা বলা যাবে না। কারণ জ্বরে আক্রান্ত রোগীর পরীক্ষা-নীরিক্ষা সময়ের ওপর নির্ভরশীল। অনেক হাসপাতালে পরীক্ষার কিট ভালো নয়। আবার অনেক জায়গায় মেশিন সঠিক রিডিং দেয় না। এজন্য জ্বর হওয়ার পর প্রথমত দ্রুত চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনে একাধিক স্থান থেকে পরীক্ষা করাতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ মাসে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ৩৫ হাজার জন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৪১৯ জন।
তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা সরকারি পরিসংখ্যানে চিকুনগুনিয়া নিয়ে আলাদা করে নিয়মিত কোনো সুনির্দিষ্ট বুলেটিন বা মৃত্যুর হিসাব নেই। চিকুনগুনিয়ায় মৃত্যুর হার খুবই কম এবং এটি ডেঙ্গুর মতো ব্যাপকভাবে হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত্যুর বড় কোনো পরিসংখ্যান নিয়মিত আলাদাভাবে হালনাগাদ করা হয় না।

জ্বর হলে ঠান্ডা নাকি গরম পানিতে গোসল, কী বলছেন চিকিৎসকেরা?







