ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড পেলেন রন্টি দাশ

ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড পেলেন রন্টি দাশ
বিনোদন ডেস্ক

‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী রন্টি দাশ। সেরা মেলোডি সিঙ্গার (ফিমেল) বিভাগে এই পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। আজ রবিবার যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীন।
দেশের সংগীতাঙ্গনে রন্টি দাশ পরিচিত এক নাম। ২০০৬ সালে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গানের ভুবনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। গানই রন্টি দাশের জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয়। তার ভাষায়, “আমি গানেই বাঁচতে চাই, গানই আমার পরিচয়।” আধুনিক, ফোক ও চলচ্চিত্রের গান—বিভিন্ন ধারায় নিজের স্বতন্ত্র গায়কী বজায় রেখেছেন এই গায়িকা।
রন্টি দাশ এখন নিউইয়র্কেই থাকেন। সম্প্রতি সেখানে একটি ব্যতিক্রমী সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ‘রন্টিস মিউজিক কিচেন’ নামের এই উদ্যোগে শেখানো হবে ক্ল্যাসিক্যাল, নজরুল, রবীন্দ্র, দেশাত্মবোধক, আধুনিক ও লোকসংগীতসহ নানা ধারার গান। প্রতিষ্ঠানটিতে বিশেষ ভয়েস ট্রেনিং কোর্সের পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমে শেখার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সংগীত শেখানোর ব্যবস্থা রেখেছেন তিনি, যা তার মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে।

চলচ্চিত্রের গানেও নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছেন রন্টি দাশ। যেসব চলচ্চিত্রে তিনি গান গেয়েছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘শুভ বিবাহ’, ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’, ‘কর্তৃত্ব’, ‘দ্য স্পিড’, ‘অস্ত্রপ্রয়োগ’, ‘বস্তির ছেলে কোটিপতি’ প্রভৃতি। তার জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে- ‘দেখো আমার খুশিতে’, ‘হ্যালো বৃষ্টি’, ‘হৃদয় যেখানে’, ‘রং’, ‘উড়ালিয়া’, ‘ডাকাতি’, ‘বাহার বাড়ি’, ‘একেলা’, ‘অভিমানী’ ইত্যাদি।
চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া রন্টি দাশ ছোটবেলা থেকেই সংগীতচর্চায় অনুরাগী ছিলেন। পারিবারিক পরিবেশেই তার সংগীতযাত্রার সূচনা। বাবা সুবল কান্তি দাস একজন ব্যবসায়ী এবং মা লাকি রানি দাস বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি ভালোবাসা তার এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।
ব্যক্তিজীবনে রন্টি দাশ কন্যা আরশি ও পুত্র শাহবাজের জননী। তার স্বামী সাঈদ রহমান জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘নস্টালজিয়া’র গিটারিস্ট ও গায়ক। ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জনের মধ্য দিয়ে রন্টি দাশের ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো নতুন এক পালক। আগামী দিনে শ্রোতাদের নতুন নতুন গান উপহার দিতে চান তিনি। সংগীতের মাধ্যমে নিজ দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার স্বপ্ন এই গায়িকার।

‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী রন্টি দাশ। সেরা মেলোডি সিঙ্গার (ফিমেল) বিভাগে এই পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। আজ রবিবার যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীন।
দেশের সংগীতাঙ্গনে রন্টি দাশ পরিচিত এক নাম। ২০০৬ সালে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গানের ভুবনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। গানই রন্টি দাশের জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয়। তার ভাষায়, “আমি গানেই বাঁচতে চাই, গানই আমার পরিচয়।” আধুনিক, ফোক ও চলচ্চিত্রের গান—বিভিন্ন ধারায় নিজের স্বতন্ত্র গায়কী বজায় রেখেছেন এই গায়িকা।
রন্টি দাশ এখন নিউইয়র্কেই থাকেন। সম্প্রতি সেখানে একটি ব্যতিক্রমী সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ‘রন্টিস মিউজিক কিচেন’ নামের এই উদ্যোগে শেখানো হবে ক্ল্যাসিক্যাল, নজরুল, রবীন্দ্র, দেশাত্মবোধক, আধুনিক ও লোকসংগীতসহ নানা ধারার গান। প্রতিষ্ঠানটিতে বিশেষ ভয়েস ট্রেনিং কোর্সের পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমে শেখার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সংগীত শেখানোর ব্যবস্থা রেখেছেন তিনি, যা তার মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে।

চলচ্চিত্রের গানেও নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছেন রন্টি দাশ। যেসব চলচ্চিত্রে তিনি গান গেয়েছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘শুভ বিবাহ’, ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’, ‘কর্তৃত্ব’, ‘দ্য স্পিড’, ‘অস্ত্রপ্রয়োগ’, ‘বস্তির ছেলে কোটিপতি’ প্রভৃতি। তার জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে- ‘দেখো আমার খুশিতে’, ‘হ্যালো বৃষ্টি’, ‘হৃদয় যেখানে’, ‘রং’, ‘উড়ালিয়া’, ‘ডাকাতি’, ‘বাহার বাড়ি’, ‘একেলা’, ‘অভিমানী’ ইত্যাদি।
চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া রন্টি দাশ ছোটবেলা থেকেই সংগীতচর্চায় অনুরাগী ছিলেন। পারিবারিক পরিবেশেই তার সংগীতযাত্রার সূচনা। বাবা সুবল কান্তি দাস একজন ব্যবসায়ী এবং মা লাকি রানি দাস বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি ভালোবাসা তার এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।
ব্যক্তিজীবনে রন্টি দাশ কন্যা আরশি ও পুত্র শাহবাজের জননী। তার স্বামী সাঈদ রহমান জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘নস্টালজিয়া’র গিটারিস্ট ও গায়ক। ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জনের মধ্য দিয়ে রন্টি দাশের ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো নতুন এক পালক। আগামী দিনে শ্রোতাদের নতুন নতুন গান উপহার দিতে চান তিনি। সংগীতের মাধ্যমে নিজ দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার স্বপ্ন এই গায়িকার।

ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড পেলেন রন্টি দাশ
বিনোদন ডেস্ক

‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন সংগীতশিল্পী রন্টি দাশ। সেরা মেলোডি সিঙ্গার (ফিমেল) বিভাগে এই পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। আজ রবিবার যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীন।
দেশের সংগীতাঙ্গনে রন্টি দাশ পরিচিত এক নাম। ২০০৬ সালে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গানের ভুবনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। গানই রন্টি দাশের জীবনের সবচেয়ে বড় পরিচয়। তার ভাষায়, “আমি গানেই বাঁচতে চাই, গানই আমার পরিচয়।” আধুনিক, ফোক ও চলচ্চিত্রের গান—বিভিন্ন ধারায় নিজের স্বতন্ত্র গায়কী বজায় রেখেছেন এই গায়িকা।
রন্টি দাশ এখন নিউইয়র্কেই থাকেন। সম্প্রতি সেখানে একটি ব্যতিক্রমী সংগীত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। ‘রন্টিস মিউজিক কিচেন’ নামের এই উদ্যোগে শেখানো হবে ক্ল্যাসিক্যাল, নজরুল, রবীন্দ্র, দেশাত্মবোধক, আধুনিক ও লোকসংগীতসহ নানা ধারার গান। প্রতিষ্ঠানটিতে বিশেষ ভয়েস ট্রেনিং কোর্সের পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—উভয় মাধ্যমে শেখার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সংগীত শেখানোর ব্যবস্থা রেখেছেন তিনি, যা তার মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় বহন করে।

চলচ্চিত্রের গানেও নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছেন রন্টি দাশ। যেসব চলচ্চিত্রে তিনি গান গেয়েছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ‘শুভ বিবাহ’, ‘খোঁজ: দ্য সার্চ’, ‘কর্তৃত্ব’, ‘দ্য স্পিড’, ‘অস্ত্রপ্রয়োগ’, ‘বস্তির ছেলে কোটিপতি’ প্রভৃতি। তার জনপ্রিয় গানের তালিকায় রয়েছে- ‘দেখো আমার খুশিতে’, ‘হ্যালো বৃষ্টি’, ‘হৃদয় যেখানে’, ‘রং’, ‘উড়ালিয়া’, ‘ডাকাতি’, ‘বাহার বাড়ি’, ‘একেলা’, ‘অভিমানী’ ইত্যাদি।
চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া রন্টি দাশ ছোটবেলা থেকেই সংগীতচর্চায় অনুরাগী ছিলেন। পারিবারিক পরিবেশেই তার সংগীতযাত্রার সূচনা। বাবা সুবল কান্তি দাস একজন ব্যবসায়ী এবং মা লাকি রানি দাস বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। শৈশব থেকেই সংগীতের প্রতি ভালোবাসা তার এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা।
ব্যক্তিজীবনে রন্টি দাশ কন্যা আরশি ও পুত্র শাহবাজের জননী। তার স্বামী সাঈদ রহমান জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘নস্টালজিয়া’র গিটারিস্ট ও গায়ক। ‘ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জনের মধ্য দিয়ে রন্টি দাশের ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো নতুন এক পালক। আগামী দিনে শ্রোতাদের নতুন নতুন গান উপহার দিতে চান তিনি। সংগীতের মাধ্যমে নিজ দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার স্বপ্ন এই গায়িকার।









