দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়ালো মিল্কভিটা

দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়ালো মিল্কভিটা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাস্তুরিত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়েছে মিল্কভিটা। এতে খুচরা পর্যায়ে মিল্কভিটার প্রতি লিটার দুধ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে নতুন দাম বিক্রি হচ্ছে মিল্কভিটা দুধ । মিল্কভিটার আধা লিটার (লো ফ্যাট) দুধের প্যাকেট ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগে ছিল ৫৫ টাকা। অন্যদিকে, আধা লিটার টোন্ড মিল্ক বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়, যা আগে ছিল ৫০ টাকা। বাজারে প্রাণ, ফার্মফ্রেশ (আকিজ ডেইরি), আড়ংসহ কয়েকটি কোম্পানির তরল দুধও পূর্বের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, ৬ আগস্ট থেকে সরবরাহকারীরা আমাদের দোকানে বাড়তি দামের মিল্কভিটা দুধ সরবরাহ করছে। মিল্কভিটার দাম বাড়ানোর পর আড়ংয়ের দুধ সরবরাহকারীরাও দাম বাড়াবে বলে আমাদের জানিয়েছে।
এদিকে, দাম বাড়ার কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোক্তারা।
মোহাম্মদপুর বাঁশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাঈদ হোসেন বলেন, বাজারে মিল্কভিটার দুধের দাম বেড়েছে। এখন অন্যান্য কোম্পানিও ধীরে ধীরে দাম বাড়াবে। দুধের মূল্যবৃদ্ধির সংগত কারণ থাকতে পারে। কিন্তু এটি মানুষের পুষ্টির অন্যতম সহজলভ্য একটি উপাদান। তাই উৎপাদন পর্যায়ে সরকার কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও দাম না বাড়ালে আমাদের জন্য ভালো হয়।
মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষ জানান, প্যাকেজিং সামগ্রী, গোখাদ্যসহ সহায়ক সবকিছুর মূল্য বেড়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসেবে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ উৎপাদনে আগের তুলনায় তাদের ১১ থেকে সাড়ে ১১ টাকা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। দুগ্ধ খামারিরাও বারবার তাদের উৎপাদিত দুধের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। সব মিলিয়ে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুধ ছাড়া মিল্কভিটার অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের দামও বাড়ানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাম বাড়ানোর আগে দৈনিক ৭৭ হাজার লিটার দুধ বিক্রি হতো। দাম বাড়ানোর পরদিন বিক্রি কমে ৪৪ হাজার লিটারে নেমেছিলো। আজ তা আবার প্রায় ৭৫ হাজার ৫০০ লিটারে পৌঁছেছে। দু-এক দিনের মধ্যে বিক্রি আগের পর্যায়ে চলে যাবে।
মিল্কভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল বলেন, চাল, ডাল ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামের তুলনায় গত এক দশকে দুগ্ধ খাতে মূল্যবৃদ্ধি বেশ কম ছিল। খামারিদের টিকিয়ে রাখা ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদন ধরে রাখার স্বার্থে আমরা দাম সমন্বয় করেছি। দুধের মানের বিষয়ে আমরা কোনো ছাড় দিই নি। এ কারণেই ভোক্তারাও আমাদের ওপরে আস্থা রাখছেন।

পাস্তুরিত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়েছে মিল্কভিটা। এতে খুচরা পর্যায়ে মিল্কভিটার প্রতি লিটার দুধ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে নতুন দাম বিক্রি হচ্ছে মিল্কভিটা দুধ । মিল্কভিটার আধা লিটার (লো ফ্যাট) দুধের প্যাকেট ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগে ছিল ৫৫ টাকা। অন্যদিকে, আধা লিটার টোন্ড মিল্ক বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়, যা আগে ছিল ৫০ টাকা। বাজারে প্রাণ, ফার্মফ্রেশ (আকিজ ডেইরি), আড়ংসহ কয়েকটি কোম্পানির তরল দুধও পূর্বের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, ৬ আগস্ট থেকে সরবরাহকারীরা আমাদের দোকানে বাড়তি দামের মিল্কভিটা দুধ সরবরাহ করছে। মিল্কভিটার দাম বাড়ানোর পর আড়ংয়ের দুধ সরবরাহকারীরাও দাম বাড়াবে বলে আমাদের জানিয়েছে।
এদিকে, দাম বাড়ার কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোক্তারা।
মোহাম্মদপুর বাঁশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাঈদ হোসেন বলেন, বাজারে মিল্কভিটার দুধের দাম বেড়েছে। এখন অন্যান্য কোম্পানিও ধীরে ধীরে দাম বাড়াবে। দুধের মূল্যবৃদ্ধির সংগত কারণ থাকতে পারে। কিন্তু এটি মানুষের পুষ্টির অন্যতম সহজলভ্য একটি উপাদান। তাই উৎপাদন পর্যায়ে সরকার কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও দাম না বাড়ালে আমাদের জন্য ভালো হয়।
মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষ জানান, প্যাকেজিং সামগ্রী, গোখাদ্যসহ সহায়ক সবকিছুর মূল্য বেড়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসেবে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ উৎপাদনে আগের তুলনায় তাদের ১১ থেকে সাড়ে ১১ টাকা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। দুগ্ধ খামারিরাও বারবার তাদের উৎপাদিত দুধের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। সব মিলিয়ে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুধ ছাড়া মিল্কভিটার অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের দামও বাড়ানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাম বাড়ানোর আগে দৈনিক ৭৭ হাজার লিটার দুধ বিক্রি হতো। দাম বাড়ানোর পরদিন বিক্রি কমে ৪৪ হাজার লিটারে নেমেছিলো। আজ তা আবার প্রায় ৭৫ হাজার ৫০০ লিটারে পৌঁছেছে। দু-এক দিনের মধ্যে বিক্রি আগের পর্যায়ে চলে যাবে।
মিল্কভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল বলেন, চাল, ডাল ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামের তুলনায় গত এক দশকে দুগ্ধ খাতে মূল্যবৃদ্ধি বেশ কম ছিল। খামারিদের টিকিয়ে রাখা ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদন ধরে রাখার স্বার্থে আমরা দাম সমন্বয় করেছি। দুধের মানের বিষয়ে আমরা কোনো ছাড় দিই নি। এ কারণেই ভোক্তারাও আমাদের ওপরে আস্থা রাখছেন।

দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়ালো মিল্কভিটা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাস্তুরিত তরল দুধের দাম লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়েছে মিল্কভিটা। এতে খুচরা পর্যায়ে মিল্কভিটার প্রতি লিটার দুধ ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে গিয়ে দেখা গেছে, বাজারে নতুন দাম বিক্রি হচ্ছে মিল্কভিটা দুধ । মিল্কভিটার আধা লিটার (লো ফ্যাট) দুধের প্যাকেট ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা আগে ছিল ৫৫ টাকা। অন্যদিকে, আধা লিটার টোন্ড মিল্ক বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়, যা আগে ছিল ৫০ টাকা। বাজারে প্রাণ, ফার্মফ্রেশ (আকিজ ডেইরি), আড়ংসহ কয়েকটি কোম্পানির তরল দুধও পূর্বের দামেই বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, ৬ আগস্ট থেকে সরবরাহকারীরা আমাদের দোকানে বাড়তি দামের মিল্কভিটা দুধ সরবরাহ করছে। মিল্কভিটার দাম বাড়ানোর পর আড়ংয়ের দুধ সরবরাহকারীরাও দাম বাড়াবে বলে আমাদের জানিয়েছে।
এদিকে, দাম বাড়ার কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোক্তারা।
মোহাম্মদপুর বাঁশবাড়ি এলাকার বাসিন্দা সাঈদ হোসেন বলেন, বাজারে মিল্কভিটার দুধের দাম বেড়েছে। এখন অন্যান্য কোম্পানিও ধীরে ধীরে দাম বাড়াবে। দুধের মূল্যবৃদ্ধির সংগত কারণ থাকতে পারে। কিন্তু এটি মানুষের পুষ্টির অন্যতম সহজলভ্য একটি উপাদান। তাই উৎপাদন পর্যায়ে সরকার কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও দাম না বাড়ালে আমাদের জন্য ভালো হয়।
মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষ জানান, প্যাকেজিং সামগ্রী, গোখাদ্যসহ সহায়ক সবকিছুর মূল্য বেড়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ায় তাদের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসেবে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ উৎপাদনে আগের তুলনায় তাদের ১১ থেকে সাড়ে ১১ টাকা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। দুগ্ধ খামারিরাও বারবার তাদের উৎপাদিত দুধের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। সব মিলিয়ে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুধ ছাড়া মিল্কভিটার অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যের দামও বাড়ানো হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাম বাড়ানোর আগে দৈনিক ৭৭ হাজার লিটার দুধ বিক্রি হতো। দাম বাড়ানোর পরদিন বিক্রি কমে ৪৪ হাজার লিটারে নেমেছিলো। আজ তা আবার প্রায় ৭৫ হাজার ৫০০ লিটারে পৌঁছেছে। দু-এক দিনের মধ্যে বিক্রি আগের পর্যায়ে চলে যাবে।
মিল্কভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল বলেন, চাল, ডাল ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামের তুলনায় গত এক দশকে দুগ্ধ খাতে মূল্যবৃদ্ধি বেশ কম ছিল। খামারিদের টিকিয়ে রাখা ও মানসম্মত পণ্য উৎপাদন ধরে রাখার স্বার্থে আমরা দাম সমন্বয় করেছি। দুধের মানের বিষয়ে আমরা কোনো ছাড় দিই নি। এ কারণেই ভোক্তারাও আমাদের ওপরে আস্থা রাখছেন।

সবজির দাম কিছুটা কমলেও, স্বস্তি নেই মুরগিতে







