১১ মাসে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স সেপ্টেম্বরে

১১ মাসে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স সেপ্টেম্বরে
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে ২৭৭ কোটি ডলার। তা আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি হলেও ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। গত বছরের অক্টোবরে এ আয় ছিল ২৫৬ কোটি ডলার।
আগের বছরের শেষ মাস ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের মে পর্যন্ত প্রতি মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আর ৩ বিলিয়নের কোঠা পূরণ হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। এ হিসাবে এ মাসে ৩ শতাংশ বেড়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের হিসাবে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম তিন মাসে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এ সময়ে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এ হিসাবে প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
রেমিট্যান্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে মে পর্যন্ত টানা ছয় মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল। একক মাসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার আসে মে মাসে এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার আসে ডিসেম্বরে। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এত বেশি রেমিট্যান্স দেখা যায়নি।
এরপর বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ২৮১ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠান প্রবাসীরা। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার; দ্বিতীয় মাস আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে ২৭৭ কোটি ডলার। তা আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি হলেও ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। গত বছরের অক্টোবরে এ আয় ছিল ২৫৬ কোটি ডলার।
আগের বছরের শেষ মাস ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের মে পর্যন্ত প্রতি মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আর ৩ বিলিয়নের কোঠা পূরণ হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। এ হিসাবে এ মাসে ৩ শতাংশ বেড়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের হিসাবে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম তিন মাসে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এ সময়ে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এ হিসাবে প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
রেমিট্যান্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে মে পর্যন্ত টানা ছয় মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল। একক মাসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার আসে মে মাসে এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার আসে ডিসেম্বরে। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এত বেশি রেমিট্যান্স দেখা যায়নি।
এরপর বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ২৮১ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠান প্রবাসীরা। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার; দ্বিতীয় মাস আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।

১১ মাসে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স সেপ্টেম্বরে
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে ২৭৭ কোটি ডলার। তা আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ৩ শতাংশ বেশি হলেও ১১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। গত বছরের অক্টোবরে এ আয় ছিল ২৫৬ কোটি ডলার।
আগের বছরের শেষ মাস ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের মে পর্যন্ত প্রতি মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এরপর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আর ৩ বিলিয়নের কোঠা পূরণ হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এসেছিল ২৬৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। এ হিসাবে এ মাসে ৩ শতাংশ বেড়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের হিসাবে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম তিন মাসে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এ সময়ে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এ হিসাবে প্রথম প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
রেমিট্যান্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে মে পর্যন্ত টানা ছয় মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল। একক মাসের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার আসে মে মাসে এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার আসে ডিসেম্বরে। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই এত বেশি রেমিট্যান্স দেখা যায়নি।
এরপর বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ২৮১ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠান প্রবাসীরা। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছে ২৮৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার; দ্বিতীয় মাস আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।

এক বছরে রেমিট্যান্স এলো ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ডলার 







