বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা

বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথা বলেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস হতে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা হতে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকিং ব্যবস্থা হতে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ আগামী অর্থবছরে ৬ হাজার কোটি টাকা কমবে।
তিনি বলেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২.৯ শতাংশ। পক্ষান্তরে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৪.০৫ শতাংশ হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকহারে ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের ঋণ পরিশোধ ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় অত্যধিক পরিমাণে বেড়েছে। তাই বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথা বলেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস হতে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা হতে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকিং ব্যবস্থা হতে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ আগামী অর্থবছরে ৬ হাজার কোটি টাকা কমবে।
তিনি বলেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২.৯ শতাংশ। পক্ষান্তরে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৪.০৫ শতাংশ হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকহারে ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের ঋণ পরিশোধ ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় অত্যধিক পরিমাণে বেড়েছে। তাই বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে।

বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৬ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একথা বলেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস হতে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা হতে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকিং ব্যবস্থা হতে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ আগামী অর্থবছরে ৬ হাজার কোটি টাকা কমবে।
তিনি বলেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২.৯ শতাংশ। পক্ষান্তরে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৪.০৫ শতাংশ হয়েছে। ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকহারে ঋণ গ্রহণের ফলে দেশের ঋণ পরিশোধ ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় অত্যধিক পরিমাণে বেড়েছে। তাই বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে।

১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা


