ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদনে কর মওকুফের প্রস্তাব

বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদনে কর মওকুফের প্রস্তাব
গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল

দেশে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় দেশে ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদন হচ্ছে না। তাই আগামী অর্থ বছরের বাজেটে ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ তৈরির কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে নতুন করে আরও ৯টি উপকরণ যুক্ত করে কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধের দাম কমবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এই প্রস্তাব পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী জানান, দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পকে স্থানীয়ভাবে আন্তর্জাতিক মানের ও সাশ্রয়ী মূল্যের ক্যান্সার প্রতিরোধী ওষুধ উৎপাদনে সক্ষম ও স্বাবলম্বী করে তুলতে এই প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

৫১টি ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনে শুল্ক প্রত্যাহার

ওষুধ শিল্পের অধিকতর সম্প্রসারণে স্থানীয়ভাবে অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়ান্ট (এপিআই) উৎপাদনের জন্য নতুন ৫১টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি ওষুধের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে নতুন করে আরও ১৭টি মৌলিক কাঁচামাল অন্তর্ভুক্ত করে আমদানি শুল্ক শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এদিন সংসদে বিকেল ৩টা ৬ মিনিটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে বাজেট বক্তব্য শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এর আগে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।

এবারের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ। ‘অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণ: ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।

/এফআর/