চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর-টাকা ছিনতাই, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর-টাকা ছিনতাই, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার সুজানগর উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাক রাজা নামে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত রাজা সুজানগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত রজন আলী প্রামাণিকের ছেলে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন।
এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সুজানগর থানায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের পক্ষে তার ভাতিজা মোস্তাক হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে যুবদল নেতা রাজা ছাড়াও আরও চার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে দাবি করা হয়, যুবদল নেতা রাজা সম্প্রতি ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয় জাহানারা কাঞ্চন বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ওই ব্যবসায়ীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করেন অভিযুক্তরা। এ সময় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ ২৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন হামলাকারীরা।
তবে মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজা। তার দাবি, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার চিনাখড়া এলাকায় জেলা যুবলীগের উদ্যোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মোতালেব হোসেন ওই মিছিলে ছিলেন এবং তিনি মিছিলের অর্থ জোগানদাতা।
আব্দুর রাজ্জাক রাজা আরও বলেন, আমাদের দলীয় লোকজন মিছিলে বাধা দিয়েছিল এবং ছয়জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মূলত এখন নিজেকে বাঁচাতে মোতালেব কাল্পনিক মিথ্যা একটি মামলা দায়ের করেছে। আবার নিজে বাদি না হয়ে, তার ভাতিজা দাবিদার মোস্তাককে মামলার বাদী করা হয়েছে। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, মামলার ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পাবনার সুজানগর উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাক রাজা নামে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত রাজা সুজানগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত রজন আলী প্রামাণিকের ছেলে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন।
এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সুজানগর থানায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের পক্ষে তার ভাতিজা মোস্তাক হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে যুবদল নেতা রাজা ছাড়াও আরও চার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে দাবি করা হয়, যুবদল নেতা রাজা সম্প্রতি ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয় জাহানারা কাঞ্চন বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ওই ব্যবসায়ীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করেন অভিযুক্তরা। এ সময় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ ২৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন হামলাকারীরা।
তবে মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজা। তার দাবি, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার চিনাখড়া এলাকায় জেলা যুবলীগের উদ্যোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মোতালেব হোসেন ওই মিছিলে ছিলেন এবং তিনি মিছিলের অর্থ জোগানদাতা।
আব্দুর রাজ্জাক রাজা আরও বলেন, আমাদের দলীয় লোকজন মিছিলে বাধা দিয়েছিল এবং ছয়জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মূলত এখন নিজেকে বাঁচাতে মোতালেব কাল্পনিক মিথ্যা একটি মামলা দায়ের করেছে। আবার নিজে বাদি না হয়ে, তার ভাতিজা দাবিদার মোস্তাককে মামলার বাদী করা হয়েছে। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, মামলার ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর-টাকা ছিনতাই, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার সুজানগর উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাক রাজা নামে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযুক্ত রাজা সুজানগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত রজন আলী প্রামাণিকের ছেলে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মামলার বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন।
এর আগে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সুজানগর থানায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের পক্ষে তার ভাতিজা মোস্তাক হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে যুবদল নেতা রাজা ছাড়াও আরও চার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে দাবি করা হয়, যুবদল নেতা রাজা সম্প্রতি ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয় জাহানারা কাঞ্চন বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ওই ব্যবসায়ীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করেন অভিযুক্তরা। এ সময় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নগদ ২৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন হামলাকারীরা।
তবে মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজা। তার দাবি, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার চিনাখড়া এলাকায় জেলা যুবলীগের উদ্যোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মোতালেব হোসেন ওই মিছিলে ছিলেন এবং তিনি মিছিলের অর্থ জোগানদাতা।
আব্দুর রাজ্জাক রাজা আরও বলেন, আমাদের দলীয় লোকজন মিছিলে বাধা দিয়েছিল এবং ছয়জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মূলত এখন নিজেকে বাঁচাতে মোতালেব কাল্পনিক মিথ্যা একটি মামলা দায়ের করেছে। আবার নিজে বাদি না হয়ে, তার ভাতিজা দাবিদার মোস্তাককে মামলার বাদী করা হয়েছে। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, মামলার ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পাবনায় কলি হত্যার পর এবার শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ







