সাংবাদিক আলিফ হত্যার নেপথ্যে বড় চক্র, গ্রেপ্তার ১

সাংবাদিক আলিফ হত্যার নেপথ্যে বড় চক্র, গ্রেপ্তার ১
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার শীর্ষ সন্দেহভাজন আসামি অপূর্বকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে দুর্গাপুর বাজারের পুরাতন সিনেমা হলের পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপূর্ব দুর্গাপুর পৌরসভার উকিলপাড়া এলাকার মো. শমশের মেকারের ছেলে। তারা পেশায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস মেকার।
প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ৫ থেকে ৬ জনের একটি চক্র সরাসরি জড়িত। এছাড়া এর পেছনে অর্থদাতাসহ একটি বড় চক্র রয়েছে। আটক অপূর্বকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যা সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি উৎরাইল এলাকার তেলুনজিয়া গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা সদস্য ও ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ ফেসবুক পেজের কর্ণধার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ। নিহত আলিফের শরীরে ৬টি গুলির ক্ষত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ৭-৮ জনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), সিআইডি ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র সমন্বিত টিম এ হত্যা মামলার বাকি জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার শীর্ষ সন্দেহভাজন আসামি অপূর্বকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে দুর্গাপুর বাজারের পুরাতন সিনেমা হলের পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপূর্ব দুর্গাপুর পৌরসভার উকিলপাড়া এলাকার মো. শমশের মেকারের ছেলে। তারা পেশায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস মেকার।
প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ৫ থেকে ৬ জনের একটি চক্র সরাসরি জড়িত। এছাড়া এর পেছনে অর্থদাতাসহ একটি বড় চক্র রয়েছে। আটক অপূর্বকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যা সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি উৎরাইল এলাকার তেলুনজিয়া গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা সদস্য ও ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ ফেসবুক পেজের কর্ণধার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ। নিহত আলিফের শরীরে ৬টি গুলির ক্ষত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ৭-৮ জনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), সিআইডি ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র সমন্বিত টিম এ হত্যা মামলার বাকি জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

সাংবাদিক আলিফ হত্যার নেপথ্যে বড় চক্র, গ্রেপ্তার ১
নেত্রকোনা সংবাদদাতা

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার শীর্ষ সন্দেহভাজন আসামি অপূর্বকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে দুর্গাপুর বাজারের পুরাতন সিনেমা হলের পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপূর্ব দুর্গাপুর পৌরসভার উকিলপাড়া এলাকার মো. শমশের মেকারের ছেলে। তারা পেশায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস মেকার।
প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের পেছনে ৫ থেকে ৬ জনের একটি চক্র সরাসরি জড়িত। এছাড়া এর পেছনে অর্থদাতাসহ একটি বড় চক্র রয়েছে। আটক অপূর্বকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ হত্যা সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি উৎরাইল এলাকার তেলুনজিয়া গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা সদস্য ও ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ ফেসবুক পেজের কর্ণধার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ। নিহত আলিফের শরীরে ৬টি গুলির ক্ষত পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ৭-৮ জনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), সিআইডি ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-র সমন্বিত টিম এ হত্যা মামলার বাকি জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

‘তারা অস্ত্র নিয়ে বসে আছে, আমি গেলে গুলি করবে’







