কাফন পরে অনশন, মধ্যরাতে নিয়োগপত্র পেলেন ২০ প্রার্থী

কাফন পরে অনশন, মধ্যরাতে নিয়োগপত্র পেলেন ২০ প্রার্থী
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবিতে ময়মনসিংহে কাফন পরে অনশনের পর অবশেষে ২০ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনভর অনশনের পর দিবাগত রাত ১২টার পর তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে আটকে ছিলো তাদের নিয়োগ। তবে অনশনে থাকা দুজন এখনো নিয়োগপত্র পাননি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিয়োগপত্র পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে ওই ২০ প্রার্থীর মধ্যে। তবে বাকি দুজনের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলে ময়মনসিংহ জেলায় চূড়ান্ত নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ২৫৯ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি ১৮ জন। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। তারা বুধবার সকাল সোয়া ১১টা থেকে দিনভর ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশন করেন। একপর্যায়ে কয়েকজন প্রার্থী কাফনের কাপড় পরে অবস্থান নেন।
অনশনরত প্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্র স্থগিত রাখা হয়। এমনকি এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি। তবে দিনভর অনশনের পর নিয়োগপত্র পেয়ে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
নিয়োগপত্র না পাওয়া গফরগাঁও উপজেলার লংগাইর গ্রামের জাহিদ হাসান বলেন, ‘২০ জন নিয়োগপত্র পেলেও আমি পাইনি। কারণ জানি না। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী ছিলাম না, আমার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই।’
নিয়োগ না পাওয়া অন্যজন হলেন ধোবাউড়া সদরের মাশরুর হাসান। তিনি উপজেলা মেধাতালিকায় ২২তম হয়েছিলেন। কেন তাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে বুধবার রাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।’ নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন বৃহস্পতিবারই যোগদান করবেন বলে জানান তিনি।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবিতে ময়মনসিংহে কাফন পরে অনশনের পর অবশেষে ২০ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনভর অনশনের পর দিবাগত রাত ১২টার পর তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে আটকে ছিলো তাদের নিয়োগ। তবে অনশনে থাকা দুজন এখনো নিয়োগপত্র পাননি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিয়োগপত্র পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে ওই ২০ প্রার্থীর মধ্যে। তবে বাকি দুজনের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলে ময়মনসিংহ জেলায় চূড়ান্ত নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ২৫৯ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি ১৮ জন। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। তারা বুধবার সকাল সোয়া ১১টা থেকে দিনভর ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশন করেন। একপর্যায়ে কয়েকজন প্রার্থী কাফনের কাপড় পরে অবস্থান নেন।
অনশনরত প্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্র স্থগিত রাখা হয়। এমনকি এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি। তবে দিনভর অনশনের পর নিয়োগপত্র পেয়ে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
নিয়োগপত্র না পাওয়া গফরগাঁও উপজেলার লংগাইর গ্রামের জাহিদ হাসান বলেন, ‘২০ জন নিয়োগপত্র পেলেও আমি পাইনি। কারণ জানি না। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী ছিলাম না, আমার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই।’
নিয়োগ না পাওয়া অন্যজন হলেন ধোবাউড়া সদরের মাশরুর হাসান। তিনি উপজেলা মেধাতালিকায় ২২তম হয়েছিলেন। কেন তাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে বুধবার রাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।’ নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন বৃহস্পতিবারই যোগদান করবেন বলে জানান তিনি।

কাফন পরে অনশন, মধ্যরাতে নিয়োগপত্র পেলেন ২০ প্রার্থী
ময়মনসিংহ সংবাদদাতা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবিতে ময়মনসিংহে কাফন পরে অনশনের পর অবশেষে ২০ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনভর অনশনের পর দিবাগত রাত ১২টার পর তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে আটকে ছিলো তাদের নিয়োগ। তবে অনশনে থাকা দুজন এখনো নিয়োগপত্র পাননি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নিয়োগপত্র পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে ওই ২০ প্রার্থীর মধ্যে। তবে বাকি দুজনের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফলে ময়মনসিংহ জেলায় চূড়ান্ত নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ২৫৯ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি ১৮ জন। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। তারা বুধবার সকাল সোয়া ১১টা থেকে দিনভর ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশন করেন। একপর্যায়ে কয়েকজন প্রার্থী কাফনের কাপড় পরে অবস্থান নেন।
অনশনরত প্রার্থীদের অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্র স্থগিত রাখা হয়। এমনকি এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি। তবে দিনভর অনশনের পর নিয়োগপত্র পেয়ে তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
নিয়োগপত্র না পাওয়া গফরগাঁও উপজেলার লংগাইর গ্রামের জাহিদ হাসান বলেন, ‘২০ জন নিয়োগপত্র পেলেও আমি পাইনি। কারণ জানি না। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী ছিলাম না, আমার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই।’
নিয়োগ না পাওয়া অন্যজন হলেন ধোবাউড়া সদরের মাশরুর হাসান। তিনি উপজেলা মেধাতালিকায় ২২তম হয়েছিলেন। কেন তাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে বুধবার রাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজনের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।’ নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন বৃহস্পতিবারই যোগদান করবেন বলে জানান তিনি।

৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার 







