একই মাদ্রাসার ৬ শিক্ষক বরখাস্ত

একই মাদ্রাসার ৬ শিক্ষক বরখাস্ত
জামালপুর সংবাদদাতা

ফাজিল ফাইনাল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামালপুরের বকশীগঞ্জের ৬ জন মাদ্রাসা শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাছাই পূর্বক তাদের বরখাস্ত করে মাদ্রাসার গভর্নিং বডি।
বুধবার (১০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ খসরু।
বরখাস্ত কৃত শিক্ষকরা হলেন- সহকারী মৌলভী আব্দুল করিম, শরীর চর্চা শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, আরবি প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, আরবি প্রভাষক নেছার উদ্দিন, বাংলা প্রভাষক জামাল উদ্দিন ও প্রাণীবিদ্যা প্রভাষক সিদ্দিকুন নাহার। তারা সবাই বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২৫ মে গভর্নিং বডি উল্লেখিত ৬ জন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সুপারিশ করে। বুধবার (১০ জুন) বরখাস্তের অনুমোদনের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ফাজিল পরীক্ষায় বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল পরীক্ষা কেন্দ্রে একই মাদ্রাসার মোস্তাকিম বিল্লাহ নামে এক পরীক্ষার্থীর বদলি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করিয়ে দেয় বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা। পরীক্ষা চলাকালে সে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। স্বশরীরে পরীক্ষা না দিয়েই মোস্তাকিন বিল্লাহ ফাজিল পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ ৩.২৫ পেয়ে উর্ত্তীণ হয়।
একই মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থী সুমন মিয়া ২০২৪ সালের ফাজিল ফাইনাল পরীক্ষার শুরুর এক বছর আগে সৌদি আরব চলে যান। বরখাস্তকৃত শিক্ষকদের সহায়তায় প্রবাসে অবস্থান করেই তারা বদলি পরীক্ষার মাধ্যমে ফাজিল পাশ করেন।
বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ খসরু বলেন, ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গর্ভনিং বডির সভায় ৬ জন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইন মোতাবেক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে। সমন্বয়ের মাধ্যমেই তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। শেষ পর্বে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে।

ফাজিল ফাইনাল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামালপুরের বকশীগঞ্জের ৬ জন মাদ্রাসা শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাছাই পূর্বক তাদের বরখাস্ত করে মাদ্রাসার গভর্নিং বডি।
বুধবার (১০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ খসরু।
বরখাস্ত কৃত শিক্ষকরা হলেন- সহকারী মৌলভী আব্দুল করিম, শরীর চর্চা শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, আরবি প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, আরবি প্রভাষক নেছার উদ্দিন, বাংলা প্রভাষক জামাল উদ্দিন ও প্রাণীবিদ্যা প্রভাষক সিদ্দিকুন নাহার। তারা সবাই বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২৫ মে গভর্নিং বডি উল্লেখিত ৬ জন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সুপারিশ করে। বুধবার (১০ জুন) বরখাস্তের অনুমোদনের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ফাজিল পরীক্ষায় বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল পরীক্ষা কেন্দ্রে একই মাদ্রাসার মোস্তাকিম বিল্লাহ নামে এক পরীক্ষার্থীর বদলি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করিয়ে দেয় বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা। পরীক্ষা চলাকালে সে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। স্বশরীরে পরীক্ষা না দিয়েই মোস্তাকিন বিল্লাহ ফাজিল পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ ৩.২৫ পেয়ে উর্ত্তীণ হয়।
একই মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থী সুমন মিয়া ২০২৪ সালের ফাজিল ফাইনাল পরীক্ষার শুরুর এক বছর আগে সৌদি আরব চলে যান। বরখাস্তকৃত শিক্ষকদের সহায়তায় প্রবাসে অবস্থান করেই তারা বদলি পরীক্ষার মাধ্যমে ফাজিল পাশ করেন।
বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ খসরু বলেন, ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গর্ভনিং বডির সভায় ৬ জন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইন মোতাবেক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে। সমন্বয়ের মাধ্যমেই তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। শেষ পর্বে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে।

একই মাদ্রাসার ৬ শিক্ষক বরখাস্ত
জামালপুর সংবাদদাতা

ফাজিল ফাইনাল পরীক্ষা কেন্দ্রে নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামালপুরের বকশীগঞ্জের ৬ জন মাদ্রাসা শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাছাই পূর্বক তাদের বরখাস্ত করে মাদ্রাসার গভর্নিং বডি।
বুধবার (১০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ খসরু।
বরখাস্ত কৃত শিক্ষকরা হলেন- সহকারী মৌলভী আব্দুল করিম, শরীর চর্চা শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, আরবি প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, আরবি প্রভাষক নেছার উদ্দিন, বাংলা প্রভাষক জামাল উদ্দিন ও প্রাণীবিদ্যা প্রভাষক সিদ্দিকুন নাহার। তারা সবাই বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২৫ মে গভর্নিং বডি উল্লেখিত ৬ জন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সুপারিশ করে। বুধবার (১০ জুন) বরখাস্তের অনুমোদনের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ফাজিল পরীক্ষায় বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল পরীক্ষা কেন্দ্রে একই মাদ্রাসার মোস্তাকিম বিল্লাহ নামে এক পরীক্ষার্থীর বদলি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করিয়ে দেয় বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা। পরীক্ষা চলাকালে সে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। স্বশরীরে পরীক্ষা না দিয়েই মোস্তাকিন বিল্লাহ ফাজিল পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ ৩.২৫ পেয়ে উর্ত্তীণ হয়।
একই মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থী সুমন মিয়া ২০২৪ সালের ফাজিল ফাইনাল পরীক্ষার শুরুর এক বছর আগে সৌদি আরব চলে যান। বরখাস্তকৃত শিক্ষকদের সহায়তায় প্রবাসে অবস্থান করেই তারা বদলি পরীক্ষার মাধ্যমে ফাজিল পাশ করেন।
বাট্টাজোড় কে আর আই কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ খসরু বলেন, ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গর্ভনিং বডির সভায় ৬ জন শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে আইন মোতাবেক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছে। সমন্বয়ের মাধ্যমেই তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। শেষ পর্বে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে।




