ভোলায় এফডিএ-এর উদ্যোগে পরিবেশবান্ধব জৈবসার ও বায়োগ্যাস বিপ্লব

ভোলায় এফডিএ-এর উদ্যোগে পরিবেশবান্ধব জৈবসার ও বায়োগ্যাস বিপ্লব
ভোলা সংবাদদাতা

পরিবেশদূষণ রোধ, জৈব বর্জ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে ভোলার ৩ উপজেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ)। গবাদিপশুর গোবর ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে জেলাটিতে গড়ে উঠছে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এক উৎপাদনব্যবস্থা।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় এফডিএ কর্তৃক পরিচালিত ‘সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন’ (SMART) প্রকল্পের আওতায় এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল কৌশল হিসেবে গবাদিপশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সম্পদ-সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনপদ্ধতি বা 'রিসোর্স এফিশিয়েন্ট অ্যান্ড ক্লিনার প্রোডাকশন' (RECP) চর্চাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ভোলার চরফ্যাশন, লালমোহন ও বোরহানউদ্দিন—এই তিন উপজেলার ১ হাজার উদ্যোক্তাকে এই পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আনা এবং পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি কৃষিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈবসারের ব্যবহার বাড়ানো এবং বিকল্প জ্বালানির সুযোগ সৃষ্টি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে ২০ জন উদ্যোক্তার মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ টন উচ্চমানের জৈবসার উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত এই জৈবসার স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা পূরণে দারুণ ভূমিকা রাখছে। রাসায়নিক সারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি মাটির গুণাগুণ ও স্বাস্থ্য ভালো রাখায় স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে এই সারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে সবজি ও তরমুজ চাষিদের কাছে এই সার অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের কারণে অঞ্চলের সাধারণ খামারিদের মধ্যেও এখন বাণিজ্যিকভাবে ট্রাইকো কম্পোস্ট ও ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
জৈবসার উৎপাদনের পাশাপাশি গবাদিপশুর বর্জ্যকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনেও এসেছে বড় সাফল্য। প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ১২ জন খামারি বা উদ্যোক্তা সফলভাবে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন। এসব প্ল্যান্ট থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৯০ ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত এই পরিবেশবান্ধব গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে এখন স্থানীয় প্রায় ৫০টি পরিবারের রান্নার ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ করছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এই অভিনব মডেলটি ভোলার গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং খামারিদের বাড়তি আয়ের এক টেকসই ও লাভজনক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

পরিবেশদূষণ রোধ, জৈব বর্জ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে ভোলার ৩ উপজেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ)। গবাদিপশুর গোবর ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে জেলাটিতে গড়ে উঠছে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এক উৎপাদনব্যবস্থা।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় এফডিএ কর্তৃক পরিচালিত ‘সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন’ (SMART) প্রকল্পের আওতায় এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল কৌশল হিসেবে গবাদিপশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সম্পদ-সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনপদ্ধতি বা 'রিসোর্স এফিশিয়েন্ট অ্যান্ড ক্লিনার প্রোডাকশন' (RECP) চর্চাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ভোলার চরফ্যাশন, লালমোহন ও বোরহানউদ্দিন—এই তিন উপজেলার ১ হাজার উদ্যোক্তাকে এই পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আনা এবং পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি কৃষিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈবসারের ব্যবহার বাড়ানো এবং বিকল্প জ্বালানির সুযোগ সৃষ্টি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে ২০ জন উদ্যোক্তার মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ টন উচ্চমানের জৈবসার উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত এই জৈবসার স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা পূরণে দারুণ ভূমিকা রাখছে। রাসায়নিক সারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি মাটির গুণাগুণ ও স্বাস্থ্য ভালো রাখায় স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে এই সারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে সবজি ও তরমুজ চাষিদের কাছে এই সার অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের কারণে অঞ্চলের সাধারণ খামারিদের মধ্যেও এখন বাণিজ্যিকভাবে ট্রাইকো কম্পোস্ট ও ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
জৈবসার উৎপাদনের পাশাপাশি গবাদিপশুর বর্জ্যকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনেও এসেছে বড় সাফল্য। প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ১২ জন খামারি বা উদ্যোক্তা সফলভাবে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন। এসব প্ল্যান্ট থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৯০ ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত এই পরিবেশবান্ধব গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে এখন স্থানীয় প্রায় ৫০টি পরিবারের রান্নার ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ করছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এই অভিনব মডেলটি ভোলার গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং খামারিদের বাড়তি আয়ের এক টেকসই ও লাভজনক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

ভোলায় এফডিএ-এর উদ্যোগে পরিবেশবান্ধব জৈবসার ও বায়োগ্যাস বিপ্লব
ভোলা সংবাদদাতা

পরিবেশদূষণ রোধ, জৈব বর্জ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের লক্ষ্যে ভোলার ৩ উপজেলায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ)। গবাদিপশুর গোবর ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে জৈবসার ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের মাধ্যমে জেলাটিতে গড়ে উঠছে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এক উৎপাদনব্যবস্থা।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সহযোগিতায় এফডিএ কর্তৃক পরিচালিত ‘সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন’ (SMART) প্রকল্পের আওতায় এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মূল কৌশল হিসেবে গবাদিপশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সম্পদ-সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনপদ্ধতি বা 'রিসোর্স এফিশিয়েন্ট অ্যান্ড ক্লিনার প্রোডাকশন' (RECP) চর্চাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ভোলার চরফ্যাশন, লালমোহন ও বোরহানউদ্দিন—এই তিন উপজেলার ১ হাজার উদ্যোক্তাকে এই পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি আনা এবং পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি কৃষিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈবসারের ব্যবহার বাড়ানো এবং বিকল্প জ্বালানির সুযোগ সৃষ্টি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে মাঠপর্যায়ে ২০ জন উদ্যোক্তার মাধ্যমে প্রতি মাসে গড়ে ২৫ থেকে ৩০ টন উচ্চমানের জৈবসার উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত এই জৈবসার স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা পূরণে দারুণ ভূমিকা রাখছে। রাসায়নিক সারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি মাটির গুণাগুণ ও স্বাস্থ্য ভালো রাখায় স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে এই সারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে সবজি ও তরমুজ চাষিদের কাছে এই সার অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের কারণে অঞ্চলের সাধারণ খামারিদের মধ্যেও এখন বাণিজ্যিকভাবে ট্রাইকো কম্পোস্ট ও ভার্মি কম্পোস্ট (কেঁচো সার) উৎপাদনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
জৈবসার উৎপাদনের পাশাপাশি গবাদিপশুর বর্জ্যকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনেও এসেছে বড় সাফল্য। প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ১২ জন খামারি বা উদ্যোক্তা সফলভাবে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করেছেন। এসব প্ল্যান্ট থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৯০ ঘনমিটার গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। উৎপাদিত এই পরিবেশবান্ধব গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে এখন স্থানীয় প্রায় ৫০টি পরিবারের রান্নার ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ করছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এই অভিনব মডেলটি ভোলার গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে এবং খামারিদের বাড়তি আয়ের এক টেকসই ও লাভজনক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্লান্ট ছড়িয়ে দেওয়া হবে: আমিনুল হক 







