আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন

আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের ব্যাংকিং খাতে ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উদ্যাপন করেছে আইএফআইসি ব্যাংক। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ প্রতিপাদ্যে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কেক কাটা ও গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. মেহমুদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. এবতাদুল ইসলাম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মো. মাহবুব কাশেম, এফসিএ এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মেহমুদ হোসেন বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে আইএফআইসির ৫০ বছরের পথচলা গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে এ অর্জন ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সময়ের সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে প্রতিযোগিতা ও গ্রাহকদের প্রত্যাশা বেড়েছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে সুশাসন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
ব্যাংকের চলমান সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম সঠিক পথে এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আইএফআইসি আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংক হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারবে।
স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, গ্রাহকদের অবিচল বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আইএফআইসির পাঁচ দশকের পথচলার সবচেয়ে বড় অর্জন। ৫০ বছর শুধু সময়ের হিসাব নয়; এটি মানুষের প্রত্যাশা, সম্পর্ক ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা দীর্ঘ যাত্রা। আগামী প্রজন্মের জন্য এমন একটি আইএফআইসি রেখে যেতে চান, যা মানুষের বিশ্বাস ও নির্ভরতার ঠিকানা হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরাও বক্তব্য দেন এবং ব্যাংকটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করা হয়। এ উপলক্ষে গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে র্যালি, দিনব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
প্রসঙ্গত,১৯৭৬ সালের ৮ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে আইএফআইসি ব্যাংক। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ মালিকানাধীন ব্যাংকটির সারা দেশে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি শাখা ও উপশাখা রয়েছে। এসব শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে ২৫ লাখের বেশি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকটির আমানতের পরিমাণ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

দেশের ব্যাংকিং খাতে ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উদ্যাপন করেছে আইএফআইসি ব্যাংক। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ প্রতিপাদ্যে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কেক কাটা ও গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. মেহমুদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. এবতাদুল ইসলাম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মো. মাহবুব কাশেম, এফসিএ এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মেহমুদ হোসেন বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে আইএফআইসির ৫০ বছরের পথচলা গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে এ অর্জন ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সময়ের সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে প্রতিযোগিতা ও গ্রাহকদের প্রত্যাশা বেড়েছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে সুশাসন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
ব্যাংকের চলমান সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম সঠিক পথে এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আইএফআইসি আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংক হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারবে।
স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, গ্রাহকদের অবিচল বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আইএফআইসির পাঁচ দশকের পথচলার সবচেয়ে বড় অর্জন। ৫০ বছর শুধু সময়ের হিসাব নয়; এটি মানুষের প্রত্যাশা, সম্পর্ক ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা দীর্ঘ যাত্রা। আগামী প্রজন্মের জন্য এমন একটি আইএফআইসি রেখে যেতে চান, যা মানুষের বিশ্বাস ও নির্ভরতার ঠিকানা হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরাও বক্তব্য দেন এবং ব্যাংকটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করা হয়। এ উপলক্ষে গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে র্যালি, দিনব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
প্রসঙ্গত,১৯৭৬ সালের ৮ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে আইএফআইসি ব্যাংক। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ মালিকানাধীন ব্যাংকটির সারা দেশে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি শাখা ও উপশাখা রয়েছে। এসব শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে ২৫ লাখের বেশি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকটির আমানতের পরিমাণ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

আইএফআইসি ব্যাংকের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের ব্যাংকিং খাতে ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘সুবর্ণজয়ন্তী’ উদ্যাপন করেছে আইএফআইসি ব্যাংক। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হলে ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ প্রতিপাদ্যে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কেক কাটা ও গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. মেহমুদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. এবতাদুল ইসলাম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মো. মাহবুব কাশেম, এফসিএ এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মেহমুদ হোসেন বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে আইএফআইসির ৫০ বছরের পথচলা গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে এ অর্জন ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। সময়ের সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে প্রতিযোগিতা ও গ্রাহকদের প্রত্যাশা বেড়েছে। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে সুশাসন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
ব্যাংকের চলমান সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম সঠিক পথে এগোচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আইএফআইসি আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংক হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারবে।
স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, গ্রাহকদের অবিচল বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আইএফআইসির পাঁচ দশকের পথচলার সবচেয়ে বড় অর্জন। ৫০ বছর শুধু সময়ের হিসাব নয়; এটি মানুষের প্রত্যাশা, সম্পর্ক ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা দীর্ঘ যাত্রা। আগামী প্রজন্মের জন্য এমন একটি আইএফআইসি রেখে যেতে চান, যা মানুষের বিশ্বাস ও নির্ভরতার ঠিকানা হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরাও বক্তব্য দেন এবং ব্যাংকটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।
এর আগে, গত ৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আইএফআইসি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলোতে সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন করা হয়। এ উপলক্ষে গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে র্যালি, দিনব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
প্রসঙ্গত,১৯৭৬ সালের ৮ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে আইএফআইসি ব্যাংক। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ মালিকানাধীন ব্যাংকটির সারা দেশে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি শাখা ও উপশাখা রয়েছে। এসব শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে ২৫ লাখের বেশি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্যাংকটির আমানতের পরিমাণ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।









