জবির সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে পুরান ঢাকার আরও দুই কলেজে

জবির সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে পুরান ঢাকার আরও দুই কলেজে
নিজস্ব প্রতিবেদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষের জেরে আবারও মুখোমুখি জবি, কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এর আগে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে প্রবেশকে কেন্দ্র করে জকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে আজকালের খবর-এর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েসও আহত হন।
জকসু নেতাদের অভিযোগ, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, সরকার ঘোষিত ২০ কোটি টাকা দিয়ে চলতি বছরের মধ্যেই ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ এবং মেডিকেল সেন্টারে জরুরি ভিত্তিতে ল্যাব টেকনিশিয়ান ও পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগের দাবিতে তারা পোস্টার নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দেওয়া হয়।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি ও ইনকিলাব মঞ্চের কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করলে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেন এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বাইরে এসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আবার প্রবেশের চেষ্টা করলে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে উপাচার্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে জকসুর কয়েকজন প্রতিনিধির ওপর ছাত্রদল হামলা চালায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে প্রক্টর অফিস ও ছাত্রদলের ক্যাডাররা। জকসুর প্রতিনিধিদের ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।’
তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রদলের কোনো নেতৃবৃন্দের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষের জেরে আবারও মুখোমুখি জবি, কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এর আগে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে প্রবেশকে কেন্দ্র করে জকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে আজকালের খবর-এর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েসও আহত হন।
জকসু নেতাদের অভিযোগ, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, সরকার ঘোষিত ২০ কোটি টাকা দিয়ে চলতি বছরের মধ্যেই ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ এবং মেডিকেল সেন্টারে জরুরি ভিত্তিতে ল্যাব টেকনিশিয়ান ও পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগের দাবিতে তারা পোস্টার নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দেওয়া হয়।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি ও ইনকিলাব মঞ্চের কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করলে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেন এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বাইরে এসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আবার প্রবেশের চেষ্টা করলে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে উপাচার্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে জকসুর কয়েকজন প্রতিনিধির ওপর ছাত্রদল হামলা চালায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে প্রক্টর অফিস ও ছাত্রদলের ক্যাডাররা। জকসুর প্রতিনিধিদের ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।’
তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রদলের কোনো নেতৃবৃন্দের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জবির সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে পুরান ঢাকার আরও দুই কলেজে
নিজস্ব প্রতিবেদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষের জেরে আবারও মুখোমুখি জবি, কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং শহীদ সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এই তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
এর আগে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে প্রবেশকে কেন্দ্র করে জকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। এ সময় দায়িত্ব পালনকালে আজকালের খবর-এর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি কামরুজ্জামান কায়েসও আহত হন।
জকসু নেতাদের অভিযোগ, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, সরকার ঘোষিত ২০ কোটি টাকা দিয়ে চলতি বছরের মধ্যেই ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ এবং মেডিকেল সেন্টারে জরুরি ভিত্তিতে ল্যাব টেকনিশিয়ান ও পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগের দাবিতে তারা পোস্টার নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে চাইলে বাধা দেওয়া হয়।
জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি ও ইনকিলাব মঞ্চের কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি-সংবলিত পোস্টার নিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করলে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেন এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বাইরে এসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আবার প্রবেশের চেষ্টা করলে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে উপাচার্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। সেইসঙ্গে জকসুর কয়েকজন প্রতিনিধির ওপর ছাত্রদল হামলা চালায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে প্রক্টর অফিস ও ছাত্রদলের ক্যাডাররা। জকসুর প্রতিনিধিদের ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।’
তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ছাত্রদলের কোনো নেতৃবৃন্দের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত ৮







