মহাশূন্যে নভোচারীরা লিখেন যে কলম দিয়ে

মহাশূন্যে নভোচারীরা লিখেন যে কলম দিয়ে
সিজেডএন ডেস্ক

মহাশূন্যে সাধারণ কলম বা পেন্সিল ব্যবহার করা একসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অভিকর্ষহীন পরিবেশে সাধারণ কলমের কালি বের হতো না, আর উড়ন্ত গ্রাফাইটের গুঁড়া মহাকাশযানের সংবেদনশীল যন্ত্রপাতির মারাত্মক ক্ষতি করতো। এই সংকট দূর করতে ফিশার পেন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা পল ফিশার একটি বিশেষ প্রযুক্তির কলম উদ্ভাবন করেন, যা পরবর্তীতে মহাকাশ অভিযানের ইতিহাস বদলে দেয়।
কলমটির পেছনে পল ফিশার ও তার ছেলে কেরি ফিশারের দীর্ঘ প্রচেষ্টার গল্প রয়েছে। বলপয়েন্ট কলমের কালি শুকিয়ে যাওয়া বা গড়িয়ে পড়ার সমস্যা মেটাতে পল ফিশার নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে সিল করা এক ধরনের বিশেষ কার্টিজ তৈরি করেন। এই কার্টিজের নাইট্রোজেন গ্যাস কালিকে পিস্টনের দিকে ঠেলে দিত। কিন্তু শুরুতে অতিরিক্ত চাপের কারণে কালি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেরিয়ে আসত। পরবর্তীতে নাসার চাহিদার কথা মাথায় রেখে তিনি কালির সঙ্গে বিশেষ ‘রেজিন’ মিশিয়ে একে ‘থিক্সোট্রপিক’ রূপ দেন। এই প্রযুক্তিতে কালি সাধারণত জমাট অবস্থায় থাকলেও কলমের ডগার বলের ঘর্ষণে মুহূর্তে তরল হয়ে মসৃণভাবে লিখতে সাহায্য করত।
পল ফিশার এই উদ্ভাবনের নাম দিয়েছিলেন ‘এজি সেভেন’। নাসার ‘ম্যানড স্পেসক্রাফট সেন্টার’ কলমটি নিয়ে বেশ কঠোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। সব ধরনের কোণ ও বিষম পরিস্থিতিতে এটি নিখুঁতভাবে কাজ করায় এবং প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কালি ধারণ করতে পারায় নাসা অভিভূত হয়।
১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে অ্যাপোলো-৭ মিশনে প্রথমবারের মতো এই প্রযুক্তি মহাকাশে আত্মপ্রকাশ করে, যেখানে মিশন কমান্ডার ওয়াল্টার শিরা শূন্য অভিকর্ষে কলমটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে নাসা মহাকাশে সহজে ধরে রাখার সুবিধার্থে ভেলক্রো পেঁচিয়ে প্রতিটি মাত্র ৬ ডলার মূল্যে ৪০০টি কলম কেনে।
শুরুর দিকে প্রজেক্ট জন গ্লেনের ১৯৬২ সালের ফ্রেন্ডশিপ-৭ অভিযানের মতো মিশনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া-উভয় দেশই নাইলন কর্ড বা সুতা দিয়ে বাঁধা পেনসিল ব্যবহার করত। কিন্তু ফিশার স্পেস পেনের উদ্ভাবন সেই চর্চায় ইতি টানে। পরবর্তীতে মহাকাশচারীদের ব্যবহার করা এই ঐতিহাসিক কলমটিকে ‘স্পেস পেন’ নাম দেওয়া হয়।
অ্যাপোলো-৭ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন পর্যন্ত-নাসার প্রায় প্রতিটি মানববাহী মিশনেই এই কলম ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে এই কলমের প্রায় ৮০টি বিভিন্ন মডেল রয়েছে এবং শুধু মহাকাশে নয়, সামরিক বাহিনী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ও তেলশ্রমিকদের মধ্যেও এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। মহাকাশ বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের প্রতীক হিসেবে আজও এই কলমটি নিউইয়র্কের আধুনিক শিল্প জাদুঘর এবং মহাকাশ জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

মহাশূন্যে সাধারণ কলম বা পেন্সিল ব্যবহার করা একসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অভিকর্ষহীন পরিবেশে সাধারণ কলমের কালি বের হতো না, আর উড়ন্ত গ্রাফাইটের গুঁড়া মহাকাশযানের সংবেদনশীল যন্ত্রপাতির মারাত্মক ক্ষতি করতো। এই সংকট দূর করতে ফিশার পেন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা পল ফিশার একটি বিশেষ প্রযুক্তির কলম উদ্ভাবন করেন, যা পরবর্তীতে মহাকাশ অভিযানের ইতিহাস বদলে দেয়।
কলমটির পেছনে পল ফিশার ও তার ছেলে কেরি ফিশারের দীর্ঘ প্রচেষ্টার গল্প রয়েছে। বলপয়েন্ট কলমের কালি শুকিয়ে যাওয়া বা গড়িয়ে পড়ার সমস্যা মেটাতে পল ফিশার নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে সিল করা এক ধরনের বিশেষ কার্টিজ তৈরি করেন। এই কার্টিজের নাইট্রোজেন গ্যাস কালিকে পিস্টনের দিকে ঠেলে দিত। কিন্তু শুরুতে অতিরিক্ত চাপের কারণে কালি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেরিয়ে আসত। পরবর্তীতে নাসার চাহিদার কথা মাথায় রেখে তিনি কালির সঙ্গে বিশেষ ‘রেজিন’ মিশিয়ে একে ‘থিক্সোট্রপিক’ রূপ দেন। এই প্রযুক্তিতে কালি সাধারণত জমাট অবস্থায় থাকলেও কলমের ডগার বলের ঘর্ষণে মুহূর্তে তরল হয়ে মসৃণভাবে লিখতে সাহায্য করত।
পল ফিশার এই উদ্ভাবনের নাম দিয়েছিলেন ‘এজি সেভেন’। নাসার ‘ম্যানড স্পেসক্রাফট সেন্টার’ কলমটি নিয়ে বেশ কঠোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। সব ধরনের কোণ ও বিষম পরিস্থিতিতে এটি নিখুঁতভাবে কাজ করায় এবং প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কালি ধারণ করতে পারায় নাসা অভিভূত হয়।
১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে অ্যাপোলো-৭ মিশনে প্রথমবারের মতো এই প্রযুক্তি মহাকাশে আত্মপ্রকাশ করে, যেখানে মিশন কমান্ডার ওয়াল্টার শিরা শূন্য অভিকর্ষে কলমটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে নাসা মহাকাশে সহজে ধরে রাখার সুবিধার্থে ভেলক্রো পেঁচিয়ে প্রতিটি মাত্র ৬ ডলার মূল্যে ৪০০টি কলম কেনে।
শুরুর দিকে প্রজেক্ট জন গ্লেনের ১৯৬২ সালের ফ্রেন্ডশিপ-৭ অভিযানের মতো মিশনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া-উভয় দেশই নাইলন কর্ড বা সুতা দিয়ে বাঁধা পেনসিল ব্যবহার করত। কিন্তু ফিশার স্পেস পেনের উদ্ভাবন সেই চর্চায় ইতি টানে। পরবর্তীতে মহাকাশচারীদের ব্যবহার করা এই ঐতিহাসিক কলমটিকে ‘স্পেস পেন’ নাম দেওয়া হয়।
অ্যাপোলো-৭ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন পর্যন্ত-নাসার প্রায় প্রতিটি মানববাহী মিশনেই এই কলম ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে এই কলমের প্রায় ৮০টি বিভিন্ন মডেল রয়েছে এবং শুধু মহাকাশে নয়, সামরিক বাহিনী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ও তেলশ্রমিকদের মধ্যেও এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। মহাকাশ বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের প্রতীক হিসেবে আজও এই কলমটি নিউইয়র্কের আধুনিক শিল্প জাদুঘর এবং মহাকাশ জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

মহাশূন্যে নভোচারীরা লিখেন যে কলম দিয়ে
সিজেডএন ডেস্ক

মহাশূন্যে সাধারণ কলম বা পেন্সিল ব্যবহার করা একসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অভিকর্ষহীন পরিবেশে সাধারণ কলমের কালি বের হতো না, আর উড়ন্ত গ্রাফাইটের গুঁড়া মহাকাশযানের সংবেদনশীল যন্ত্রপাতির মারাত্মক ক্ষতি করতো। এই সংকট দূর করতে ফিশার পেন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা পল ফিশার একটি বিশেষ প্রযুক্তির কলম উদ্ভাবন করেন, যা পরবর্তীতে মহাকাশ অভিযানের ইতিহাস বদলে দেয়।
কলমটির পেছনে পল ফিশার ও তার ছেলে কেরি ফিশারের দীর্ঘ প্রচেষ্টার গল্প রয়েছে। বলপয়েন্ট কলমের কালি শুকিয়ে যাওয়া বা গড়িয়ে পড়ার সমস্যা মেটাতে পল ফিশার নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে সিল করা এক ধরনের বিশেষ কার্টিজ তৈরি করেন। এই কার্টিজের নাইট্রোজেন গ্যাস কালিকে পিস্টনের দিকে ঠেলে দিত। কিন্তু শুরুতে অতিরিক্ত চাপের কারণে কালি অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেরিয়ে আসত। পরবর্তীতে নাসার চাহিদার কথা মাথায় রেখে তিনি কালির সঙ্গে বিশেষ ‘রেজিন’ মিশিয়ে একে ‘থিক্সোট্রপিক’ রূপ দেন। এই প্রযুক্তিতে কালি সাধারণত জমাট অবস্থায় থাকলেও কলমের ডগার বলের ঘর্ষণে মুহূর্তে তরল হয়ে মসৃণভাবে লিখতে সাহায্য করত।
পল ফিশার এই উদ্ভাবনের নাম দিয়েছিলেন ‘এজি সেভেন’। নাসার ‘ম্যানড স্পেসক্রাফট সেন্টার’ কলমটি নিয়ে বেশ কঠোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। সব ধরনের কোণ ও বিষম পরিস্থিতিতে এটি নিখুঁতভাবে কাজ করায় এবং প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কালি ধারণ করতে পারায় নাসা অভিভূত হয়।
১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে অ্যাপোলো-৭ মিশনে প্রথমবারের মতো এই প্রযুক্তি মহাকাশে আত্মপ্রকাশ করে, যেখানে মিশন কমান্ডার ওয়াল্টার শিরা শূন্য অভিকর্ষে কলমটির কার্যকারিতা প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে নাসা মহাকাশে সহজে ধরে রাখার সুবিধার্থে ভেলক্রো পেঁচিয়ে প্রতিটি মাত্র ৬ ডলার মূল্যে ৪০০টি কলম কেনে।
শুরুর দিকে প্রজেক্ট জন গ্লেনের ১৯৬২ সালের ফ্রেন্ডশিপ-৭ অভিযানের মতো মিশনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া-উভয় দেশই নাইলন কর্ড বা সুতা দিয়ে বাঁধা পেনসিল ব্যবহার করত। কিন্তু ফিশার স্পেস পেনের উদ্ভাবন সেই চর্চায় ইতি টানে। পরবর্তীতে মহাকাশচারীদের ব্যবহার করা এই ঐতিহাসিক কলমটিকে ‘স্পেস পেন’ নাম দেওয়া হয়।
অ্যাপোলো-৭ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন পর্যন্ত-নাসার প্রায় প্রতিটি মানববাহী মিশনেই এই কলম ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বর্তমানে এই কলমের প্রায় ৮০টি বিভিন্ন মডেল রয়েছে এবং শুধু মহাকাশে নয়, সামরিক বাহিনী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ও তেলশ্রমিকদের মধ্যেও এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। মহাকাশ বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের প্রতীক হিসেবে আজও এই কলমটি নিউইয়র্কের আধুনিক শিল্প জাদুঘর এবং মহাকাশ জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে।

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র







