আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা রবিবার (২৫ অক্টোবর)। তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে এ পূর্ণিমা উদ্যাপন করেন বৌদ্ধ ভিক্ষু ও ধর্মানুসারীরা। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রবারণা পূর্ণিমা পালনের মধ্য দিয়ে ভিক্ষু ও গৃহীদের পাপমোচন ঘটে।
ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, দিনটি উপলক্ষে বুদ্ধপূজা, সংঘদান, পিণ্ডদান, অষ্টপরিষ্কার দান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, শীল গ্রহণ, প্রদীপপূজা ও ফানুস ওড়ানোসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারের আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছে, প্রবারণা পূর্ণিমায় ভিক্ষুসংঘের তিন মাসের বর্ষাবাস শেষ হবে। এরপর সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হবে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব।
প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে দিনব্যাপী ধর্মীয় কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসব কর্মসূচি পালিত হবে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ভোর সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে সমবেত প্রভাতি বন্দনা। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ভিক্ষুসংঘের প্রভাতি পিণ্ড গ্রহণের আয়োজন রয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় হবে বুদ্ধপূজা, শীল গ্রহণ ও অষ্টউপকরণসহ মহাসংঘদান। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ভিক্ষুসংঘের পিণ্ডদান।
বিকেল ৪টা ১ মিনিটে পবিত্র ত্রিপিটক থেকে সূত্র পাঠের মধ্য দিয়ে পরবর্তী পর্ব শুরু হবে। বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ‘প্রবারণা পূর্ণিমার তাৎপর্য ও বিশ্ব মানবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যা ৬টায় শীল গ্রহণ, আলোকসজ্জা ও ফানুসবাতি উৎসর্গ করা হবে। সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে ফানুস উৎসব।

বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা রবিবার (২৫ অক্টোবর)। তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে এ পূর্ণিমা উদ্যাপন করেন বৌদ্ধ ভিক্ষু ও ধর্মানুসারীরা। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রবারণা পূর্ণিমা পালনের মধ্য দিয়ে ভিক্ষু ও গৃহীদের পাপমোচন ঘটে।
ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, দিনটি উপলক্ষে বুদ্ধপূজা, সংঘদান, পিণ্ডদান, অষ্টপরিষ্কার দান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, শীল গ্রহণ, প্রদীপপূজা ও ফানুস ওড়ানোসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারের আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছে, প্রবারণা পূর্ণিমায় ভিক্ষুসংঘের তিন মাসের বর্ষাবাস শেষ হবে। এরপর সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হবে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব।
প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে দিনব্যাপী ধর্মীয় কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসব কর্মসূচি পালিত হবে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ভোর সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে সমবেত প্রভাতি বন্দনা। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ভিক্ষুসংঘের প্রভাতি পিণ্ড গ্রহণের আয়োজন রয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় হবে বুদ্ধপূজা, শীল গ্রহণ ও অষ্টউপকরণসহ মহাসংঘদান। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ভিক্ষুসংঘের পিণ্ডদান।
বিকেল ৪টা ১ মিনিটে পবিত্র ত্রিপিটক থেকে সূত্র পাঠের মধ্য দিয়ে পরবর্তী পর্ব শুরু হবে। বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ‘প্রবারণা পূর্ণিমার তাৎপর্য ও বিশ্ব মানবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যা ৬টায় শীল গ্রহণ, আলোকসজ্জা ও ফানুসবাতি উৎসর্গ করা হবে। সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে ফানুস উৎসব।

আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা রবিবার (২৫ অক্টোবর)। তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে এ পূর্ণিমা উদ্যাপন করেন বৌদ্ধ ভিক্ষু ও ধর্মানুসারীরা। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রবারণা পূর্ণিমা পালনের মধ্য দিয়ে ভিক্ষু ও গৃহীদের পাপমোচন ঘটে।
ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, দিনটি উপলক্ষে বুদ্ধপূজা, সংঘদান, পিণ্ডদান, অষ্টপরিষ্কার দান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, শীল গ্রহণ, প্রদীপপূজা ও ফানুস ওড়ানোসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয়।
রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারের আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছে, প্রবারণা পূর্ণিমায় ভিক্ষুসংঘের তিন মাসের বর্ষাবাস শেষ হবে। এরপর সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হবে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব।
প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে দিনব্যাপী ধর্মীয় কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে এসব কর্মসূচি পালিত হবে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, ভোর সাড়ে ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে সমবেত প্রভাতি বন্দনা। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ভিক্ষুসংঘের প্রভাতি পিণ্ড গ্রহণের আয়োজন রয়েছে। সকাল সাড়ে ৯টায় হবে বুদ্ধপূজা, শীল গ্রহণ ও অষ্টউপকরণসহ মহাসংঘদান। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ভিক্ষুসংঘের পিণ্ডদান।
বিকেল ৪টা ১ মিনিটে পবিত্র ত্রিপিটক থেকে সূত্র পাঠের মধ্য দিয়ে পরবর্তী পর্ব শুরু হবে। বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ‘প্রবারণা পূর্ণিমার তাৎপর্য ও বিশ্ব মানবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সন্ধ্যা ৬টায় শীল গ্রহণ, আলোকসজ্জা ও ফানুসবাতি উৎসর্গ করা হবে। সবশেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে ফানুস উৎসব।

আজ লক্ষ্মীপূজা







