বিএনপি নিজ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও বেইমানি করেছে : আসিফ মাহমুদ

বিএনপি নিজ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও বেইমানি করেছে : আসিফ মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের পাশাপাশি নিজ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও বিএনপি বেইমানি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, সরকার নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী ইশতেহার দেখিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর তারা জুলাই সনদ তো দূরের কথা, যে ৩১ দফা নিয়ে রাজনীতি করেছে, সেই ৩১ দফাও ভুলে গেছে। তারা শুধু জনগণের সঙ্গেই প্রতারণা করেনি, নিজ দলের যেসব নেতাকর্মীকে ৩১ দফা, গণতন্ত্র ও সংস্কারের কথা বলে আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ভোটকেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল, তাদের সঙ্গেও বেইমানি করেছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগে ৪ দফা দাবিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের উদ্যোগে এক গণবিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিএনপির যেসব নেতাকর্মী আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, নির্বাচনে কাজ করেছেন, এখন তাদের দূরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তাদের হত্যা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নব্য নেতাকর্মীদের রাজত্ব শুরু হয়েছে। তবে সেই দিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন বিএনপির মাঠপর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা, যারা গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে ছিলেন, আবারও আমাদের মিছিলে এসে একত্রিত হবেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি দলের প্রার্থী ও বিরোধী দলের প্রার্থীদের একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ানোর দৃশ্যও আমরা দেখেছি। গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত সংকটময় ও দুরবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা সময় পার করছি। মিষ্টি খাওয়ানোর এই চিত্রই পুরো দেশবাসীর সামনে পরিস্থিতি স্পষ্ট করেছে। মানুষ বুঝতে পারছে, গণতন্ত্র, সুশাসন ও শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে জাতীয় নাগরিক পার্টির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আজ এখানে যারা উপস্থিত হয়েছেন, আগামী দিনে আপনাদের দ্বিগুণ, তিন গুণ, চার গুণ, এমনকি ১০ গুণ শক্তিশালী হতে হবে। আপনাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই জাতীয় নাগরিক পার্টি আগামী ১০ বছরের মধ্যে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার উপযুক্ত সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠবে।
এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, ঘরে ঘরে নারীরা নিরাপদ নন, শিশুরা নিরাপদ নয়। নারীরা রাস্তায় হাঁটতে পারছেন না। জায়গায় জায়গায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। আজ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব পালনের বৈধতা হারিয়েছেন। এত বড় একজন ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন এখনো ওই জায়গায় বসিয়ে রেখেছেন তারেক রহমান? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার স্বার্থে কাজ করছেন, কার পকেটে রয়েছেন। এই প্রশ্নের জবাব বাংলাদেশের মানুষকে দিতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা এখান থেকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই– আপনি অতিদ্রুত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করুন। অতিদ্রুত বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। তা না হলে এই বিক্ষোভ গণকর্মসূচিতে পরিণত হবে।
গণবিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মো. সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার প্রমুখ।
চার দফা
ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পরিপন্থী সব ধরনের আইন বাতিল করতে হবে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী পাস করা যাবে না। জুলাই গণহত্যার বিচার সম্পন্ন করে অবিলম্বে তা কার্যকর করতে হবে।

জনগণের পাশাপাশি নিজ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও বিএনপি বেইমানি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, সরকার নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী ইশতেহার দেখিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর তারা জুলাই সনদ তো দূরের কথা, যে ৩১ দফা নিয়ে রাজনীতি করেছে, সেই ৩১ দফাও ভুলে গেছে। তারা শুধু জনগণের সঙ্গেই প্রতারণা করেনি, নিজ দলের যেসব নেতাকর্মীকে ৩১ দফা, গণতন্ত্র ও সংস্কারের কথা বলে আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ভোটকেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল, তাদের সঙ্গেও বেইমানি করেছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগে ৪ দফা দাবিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের উদ্যোগে এক গণবিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিএনপির যেসব নেতাকর্মী আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, নির্বাচনে কাজ করেছেন, এখন তাদের দূরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তাদের হত্যা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নব্য নেতাকর্মীদের রাজত্ব শুরু হয়েছে। তবে সেই দিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন বিএনপির মাঠপর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা, যারা গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে ছিলেন, আবারও আমাদের মিছিলে এসে একত্রিত হবেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি দলের প্রার্থী ও বিরোধী দলের প্রার্থীদের একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ানোর দৃশ্যও আমরা দেখেছি। গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত সংকটময় ও দুরবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা সময় পার করছি। মিষ্টি খাওয়ানোর এই চিত্রই পুরো দেশবাসীর সামনে পরিস্থিতি স্পষ্ট করেছে। মানুষ বুঝতে পারছে, গণতন্ত্র, সুশাসন ও শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে জাতীয় নাগরিক পার্টির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আজ এখানে যারা উপস্থিত হয়েছেন, আগামী দিনে আপনাদের দ্বিগুণ, তিন গুণ, চার গুণ, এমনকি ১০ গুণ শক্তিশালী হতে হবে। আপনাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই জাতীয় নাগরিক পার্টি আগামী ১০ বছরের মধ্যে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার উপযুক্ত সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠবে।
এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, ঘরে ঘরে নারীরা নিরাপদ নন, শিশুরা নিরাপদ নয়। নারীরা রাস্তায় হাঁটতে পারছেন না। জায়গায় জায়গায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। আজ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব পালনের বৈধতা হারিয়েছেন। এত বড় একজন ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন এখনো ওই জায়গায় বসিয়ে রেখেছেন তারেক রহমান? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার স্বার্থে কাজ করছেন, কার পকেটে রয়েছেন। এই প্রশ্নের জবাব বাংলাদেশের মানুষকে দিতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা এখান থেকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই– আপনি অতিদ্রুত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করুন। অতিদ্রুত বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। তা না হলে এই বিক্ষোভ গণকর্মসূচিতে পরিণত হবে।
গণবিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মো. সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার প্রমুখ।
চার দফা
ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পরিপন্থী সব ধরনের আইন বাতিল করতে হবে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী পাস করা যাবে না। জুলাই গণহত্যার বিচার সম্পন্ন করে অবিলম্বে তা কার্যকর করতে হবে।

বিএনপি নিজ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও বেইমানি করেছে : আসিফ মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের পাশাপাশি নিজ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও বিএনপি বেইমানি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, সরকার নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি ও নির্বাচনী ইশতেহার দেখিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর তারা জুলাই সনদ তো দূরের কথা, যে ৩১ দফা নিয়ে রাজনীতি করেছে, সেই ৩১ দফাও ভুলে গেছে। তারা শুধু জনগণের সঙ্গেই প্রতারণা করেনি, নিজ দলের যেসব নেতাকর্মীকে ৩১ দফা, গণতন্ত্র ও সংস্কারের কথা বলে আন্দোলন-সংগ্রাম এবং ভোটকেন্দ্রে নিয়ে এসেছিল, তাদের সঙ্গেও বেইমানি করেছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর শাহবাগে ৪ দফা দাবিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের উদ্যোগে এক গণবিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, বিএনপির যেসব নেতাকর্মী আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, নির্বাচনে কাজ করেছেন, এখন তাদের দূরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তাদের হত্যা করা হচ্ছে। অন্যদিকে নব্য নেতাকর্মীদের রাজত্ব শুরু হয়েছে। তবে সেই দিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন বিএনপির মাঠপর্যায়ের ত্যাগী নেতাকর্মীরা, যারা গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে ছিলেন, আবারও আমাদের মিছিলে এসে একত্রিত হবেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারি দলের প্রার্থী ও বিরোধী দলের প্রার্থীদের একে অপরকে মিষ্টি খাওয়ানোর দৃশ্যও আমরা দেখেছি। গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত সংকটময় ও দুরবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা সময় পার করছি। মিষ্টি খাওয়ানোর এই চিত্রই পুরো দেশবাসীর সামনে পরিস্থিতি স্পষ্ট করেছে। মানুষ বুঝতে পারছে, গণতন্ত্র, সুশাসন ও শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে জাতীয় নাগরিক পার্টির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। আজ এখানে যারা উপস্থিত হয়েছেন, আগামী দিনে আপনাদের দ্বিগুণ, তিন গুণ, চার গুণ, এমনকি ১০ গুণ শক্তিশালী হতে হবে। আপনাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়েই জাতীয় নাগরিক পার্টি আগামী ১০ বছরের মধ্যে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার উপযুক্ত সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠবে।
এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, ঘরে ঘরে নারীরা নিরাপদ নন, শিশুরা নিরাপদ নয়। নারীরা রাস্তায় হাঁটতে পারছেন না। জায়গায় জায়গায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। আজ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব পালনের বৈধতা হারিয়েছেন। এত বড় একজন ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন এখনো ওই জায়গায় বসিয়ে রেখেছেন তারেক রহমান? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার স্বার্থে কাজ করছেন, কার পকেটে রয়েছেন। এই প্রশ্নের জবাব বাংলাদেশের মানুষকে দিতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা এখান থেকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই– আপনি অতিদ্রুত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করুন। অতিদ্রুত বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। তা না হলে এই বিক্ষোভ গণকর্মসূচিতে পরিণত হবে।
গণবিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মো. সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার প্রমুখ।
চার দফা
ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পরিপন্থী সব ধরনের আইন বাতিল করতে হবে এবং সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী পাস করা যাবে না। জুলাই গণহত্যার বিচার সম্পন্ন করে অবিলম্বে তা কার্যকর করতে হবে।

‘পদত্যাগের আগের রাতে সালাহউদ্দিন আহমদের বাসায় গিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ’







