শিরোনাম

‘আরব আমিরাতের ৫ হাজার ভিসা বাতিলের খবর সঠিক নয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
‘আরব আমিরাতের ৫ হাজার ভিসা বাতিলের খবর সঠিক নয়’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

খবরে এসেছে যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আমাদের কিছু বাংলাদেশি ভাইর ভিসা ক্যান্সেল হচ্ছে বা অটো ক্যান্সেল হচ্ছে। সেগুলো পাঁচ হাজার বা কিছু সংখ্যা বলা হয়েছে, সংখ্যাটা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে একথা বলেন তিনি।

শামা ওবায়েদ বলেন, যেসব দেশে বাংলাদেশিরা কাজ করছেন, সেই দেশের আইন মেনে চলাটা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশি ভাইয়েরা অনেক কষ্ট করে বিদেশে কাজ করতে যান। যখন আরব আমিরাতে কোনও আইন ভঙ্গ করেন, তারা ফেসবুকে লেখালেখি করে হোক, বা অন্য কোনোভাবে হোক- তখন কিন্তু আইন অনুযায়ী তারা ব্যবস্থা নেবে। আজকের এই প্রেস ব্রিফিং থেকে আমরা একটা বার্তা দিতে চাই যে, দয়া করে আপনারা আইনবহির্ভূত কোনও কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন।

তিনি বলেন, ৬২৬ জনের মধ্যে ৪১৭ জনের যে লিস্টটা আমাদের কাছে আছে, তাতে ৪১৭ জনের ভিসা অটো ক্যান্সেল হয়েছে। এই ভিসা রিনিউয়ালের জন্য আমরা আবার পাঠিয়েছি। বাকিগুলো আমরা পাঠাচ্ছি আরব আমিরাতের সরকারের কাছে। ভিসাটা রিনিউ করার জন্য যে, কেন কী কারণে তাদের অটো ক্যান্সেল হলো এবং একইসঙ্গে যেসব কোম্পানিতে তারা কাজ করছেন, তাদের সাথে আমাদের দূতাবাস যোগাযোগ করছে। যদি কোম্পানির কারণে তারা চাকরিচ্যুত হয়ে থাকেন, বা চাকরিচ্যুত হওয়ার কারণে যদি তাদের ভিসা ক্যান্সেলেশন হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে এমপ্লয়ার বা কোম্পানিরও কিছু দায় দায়িত্ব আছে। সে জায়গা থেকে তালিকা ধরে ওই এমপ্লয়দের সাথে যোগাযোগ করবে। ওখানেও কোনও সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যায় নাকি, সেটা দেখবে। ইতোমধ্যে আমাদের রাষ্ট্রদূত যারা আবুধাবি এবং দুবাইতে আছেন, তারা আরব আমিরাতের সরকারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। তাদের আলোচনা চলছে এবং আগামী সপ্তাহে মিটিংও আছে। আমরা আশা করছি, একটা পজিটিভ রেজাল্ট আমরা পাবো।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আরব আমিরাত বা বিভিন্ন দেশে আমাদের বাংলাদেশিরা যখন যায়, যখন ফেক ডকুমেন্ট নিয়ে যায়, তখন কিন্তু সেই কারণে তারা বিভিন্নভাবে এরকম বিপদে পড়ে। আবার যারা বৈধভাবে যাচ্ছেন, তারাও কিন্তু বিপদে পড়েন। সুতরাং, দুইভাবেই এই শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এগুলো উত্তরণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় অত্যন্ত নীবিড়ভাবে আমরা কাজ করছি। আইন যদি আরও শক্ত করতে হয় বা আইন সংশোধন করতে হয়- সেটাও আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবো এবং সেই দিকে আমরা আগাবো।

/এসবি/