সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মির্জা গালিবের

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মির্জা গালিবের
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার ‘স্বচ্ছতা’ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন কি না, তাদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না এবং পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা কী ছিল এসব বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মির্জা গালিব বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অপরাধী হলে তাদের বিচার হওয়াই স্বাভাবিক। তবে সেই বিচারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত ছিল কিনা, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য স্থানীয় ভাষা, আইন ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞতা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে। অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশি যথাযথ আইনজীবী নিয়োগ করতে পেরেছিলেন কি না এবং তাঁরা কার্যকর আইনি সহায়তা পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
মির্জা গালিবের দাবি, বিচার চলাকালে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাসকে কিছু জানায়নি। তার মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক না হয়ে ইউরোপের কোনো দেশ বা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলে একই ধরনের বিচার ও শাস্তি হতো কি না।
পোস্টে বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন মির্জা গালিব। তার প্রশ্ন, সৌদি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য না জানালেও দূতাবাস নিজ উদ্যোগে কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মাধ্যমে ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারত কি না?
মির্জা গালিব বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের উপার্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেমিট্যান্সের ওপর দেশের অর্থনীতি অনেকাংশে নির্ভরশীল হলেও প্রবাসীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্বও রাষ্ট্রের রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশির আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। অথচ ঘটনা সম্পর্কে দূতাবাসের কাছ থেকে ন্যূনতম তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে, সেসব দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর উচিত প্রবাসীদের কল্যাণ ও সেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। রাষ্ট্র প্রবাসীদের উপার্জনের সুবিধা নেবে, অথচ তাদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবে না এমন ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার ‘স্বচ্ছতা’ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন কি না, তাদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না এবং পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা কী ছিল এসব বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মির্জা গালিব বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অপরাধী হলে তাদের বিচার হওয়াই স্বাভাবিক। তবে সেই বিচারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত ছিল কিনা, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য স্থানীয় ভাষা, আইন ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞতা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে। অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশি যথাযথ আইনজীবী নিয়োগ করতে পেরেছিলেন কি না এবং তাঁরা কার্যকর আইনি সহায়তা পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
মির্জা গালিবের দাবি, বিচার চলাকালে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাসকে কিছু জানায়নি। তার মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক না হয়ে ইউরোপের কোনো দেশ বা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলে একই ধরনের বিচার ও শাস্তি হতো কি না।
পোস্টে বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন মির্জা গালিব। তার প্রশ্ন, সৌদি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য না জানালেও দূতাবাস নিজ উদ্যোগে কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মাধ্যমে ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারত কি না?
মির্জা গালিব বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের উপার্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেমিট্যান্সের ওপর দেশের অর্থনীতি অনেকাংশে নির্ভরশীল হলেও প্রবাসীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্বও রাষ্ট্রের রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশির আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। অথচ ঘটনা সম্পর্কে দূতাবাসের কাছ থেকে ন্যূনতম তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে, সেসব দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর উচিত প্রবাসীদের কল্যাণ ও সেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। রাষ্ট্র প্রবাসীদের উপার্জনের সুবিধা নেবে, অথচ তাদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবে না এমন ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মির্জা গালিবের
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার ‘স্বচ্ছতা’ ও বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন কি না, তাদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না এবং পুরো প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা কী ছিল এসব বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মির্জা গালিব বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অপরাধী হলে তাদের বিচার হওয়াই স্বাভাবিক। তবে সেই বিচারপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত ছিল কিনা, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য স্থানীয় ভাষা, আইন ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞতা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হতে পারে। অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশি যথাযথ আইনজীবী নিয়োগ করতে পেরেছিলেন কি না এবং তাঁরা কার্যকর আইনি সহায়তা পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
মির্জা গালিবের দাবি, বিচার চলাকালে সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দূতাবাসকে কিছু জানায়নি। তার মতে, এ ধরনের পরিস্থিতি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক না হয়ে ইউরোপের কোনো দেশ বা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলে একই ধরনের বিচার ও শাস্তি হতো কি না।
পোস্টে বাংলাদেশ দূতাবাসের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন মির্জা গালিব। তার প্রশ্ন, সৌদি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য না জানালেও দূতাবাস নিজ উদ্যোগে কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মাধ্যমে ঘটনাটি সম্পর্কে জানতে পারত কি না?
মির্জা গালিব বলেন, প্রবাসী শ্রমিকদের উপার্জিত অর্থ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রেমিট্যান্সের ওপর দেশের অর্থনীতি অনেকাংশে নির্ভরশীল হলেও প্রবাসীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার দায়িত্বও রাষ্ট্রের রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশির আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা এবং তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা বাংলাদেশ দূতাবাসের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। অথচ ঘটনা সম্পর্কে দূতাবাসের কাছ থেকে ন্যূনতম তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে, সেসব দেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর উচিত প্রবাসীদের কল্যাণ ও সেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। রাষ্ট্র প্রবাসীদের উপার্জনের সুবিধা নেবে, অথচ তাদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখবে না এমন ব্যবস্থা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

‘সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, আমাদের জন্য একটা শিক্ষা হতে পারে’






