প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটালেন প্রতিমন্ত্রী

প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটালেন প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছে। এবার সেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
জানা গেছে, প্রশ্নপত্র তৈরি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানোর আগপর্যন্ত সেখানেই থাকবেন তিনি।
শুক্রবার বেলা ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এটাকে সামনে রেখে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সচিবালয়ে অবস্থান করছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার পরও সচিবালয়ে প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ চলছিল। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সেখানে অবস্থান করছিলেন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।
যুব উন্নয়নের এই পরীক্ষায় ১১তম গ্রেডের ২৪২টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী। গত শনিবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার এই নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়া ও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে পুলিশি পাহারায় প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে। এবার প্রশ্নপত্র তৈরি ও ছাপানোর স্থানও পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর আগে ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে সামাজিকমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ততক্ষণে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেক প্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে প্রশ্ন ফাঁস ও পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ওই ঘটনা তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়েছে।
গত বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, তদন্ত কমিটিকে রবিবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপানো ও ফটোকপির কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিআইডির ফরেনসিক দলও আলামত সংগ্রহ করেছে। ওই সময় পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এসআরবির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ওই পাঁচ জন কারা তা জানাননি সূত্রটি।

সম্প্রতি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছে। এবার সেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
জানা গেছে, প্রশ্নপত্র তৈরি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানোর আগপর্যন্ত সেখানেই থাকবেন তিনি।
শুক্রবার বেলা ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এটাকে সামনে রেখে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সচিবালয়ে অবস্থান করছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার পরও সচিবালয়ে প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ চলছিল। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সেখানে অবস্থান করছিলেন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।
যুব উন্নয়নের এই পরীক্ষায় ১১তম গ্রেডের ২৪২টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী। গত শনিবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার এই নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়া ও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে পুলিশি পাহারায় প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে। এবার প্রশ্নপত্র তৈরি ও ছাপানোর স্থানও পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর আগে ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে সামাজিকমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ততক্ষণে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেক প্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে প্রশ্ন ফাঁস ও পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ওই ঘটনা তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়েছে।
গত বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, তদন্ত কমিটিকে রবিবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপানো ও ফটোকপির কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিআইডির ফরেনসিক দলও আলামত সংগ্রহ করেছে। ওই সময় পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এসআরবির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ওই পাঁচ জন কারা তা জানাননি সূত্রটি।

প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটালেন প্রতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্প্রতি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছে। এবার সেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সচিবালয়ে রাত কাটিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
জানা গেছে, প্রশ্নপত্র তৈরি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানোর আগপর্যন্ত সেখানেই থাকবেন তিনি।
শুক্রবার বেলা ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এটাকে সামনে রেখে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সচিবালয়ে অবস্থান করছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার পরও সচিবালয়ে প্রশ্নপত্র তৈরির কাজ চলছিল। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সেখানে অবস্থান করছিলেন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।
যুব উন্নয়নের এই পরীক্ষায় ১১তম গ্রেডের ২৪২টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী। গত শনিবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার পর নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার এই নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়া ও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা আগে পুলিশি পাহারায় প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো হবে। এবার প্রশ্নপত্র তৈরি ও ছাপানোর স্থানও পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর আগে ১০ অক্টোবর বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে সামাজিকমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ততক্ষণে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেক প্রার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে প্রশ্ন ফাঁস ও পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ওই ঘটনা তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়েছে।
গত বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, তদন্ত কমিটিকে রবিবার পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র তৈরি, ছাপানো ও ফটোকপির কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিআইডির ফরেনসিক দলও আলামত সংগ্রহ করেছে। ওই সময় পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এসআরবির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে ওই পাঁচ জন কারা তা জানাননি সূত্রটি।

যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫







