ইউক্রেন যুদ্ধের খরচ জোগাতে ব্যাপকহারে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াচ্ছে রাশিয়া

ইউক্রেন যুদ্ধের খরচ জোগাতে ব্যাপকহারে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াচ্ছে রাশিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পঞ্চম বছরে গড়ালেও এর চাপ এখন রাশিয়ার অর্থনীতিতে জোরালোভাবেই দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। যুদ্ধের ব্যয় সামলাতে আগামী বছর প্রতিরক্ষা খাতে নজিরবিহীন বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে মস্কো। তবে এ বিশাল সামরিক খরচের জোগান দিতে গিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কল্যাণ খাতের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে বড় ধরনের কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার, যার খসড়া বাজেট সম্প্রতি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে জমা দেওয়া হয়েছে।
নতুন খসড়া বাজেট অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড ১৭ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন রুবল বা প্রায় ২০৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছরের থেকে এবারের বরাদ্দ প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি। শুধু তা-ই নয়, দেশের মোট সরকারি ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থই যাবে সামরিক খাতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণ- এ তিন খাতের সম্মিলিত বরাদ্দের চেয়েও প্রতিরক্ষা বাজেট বেশি হতে যাচ্ছে।
ইউরোপিয়ান পলিসি অ্যানালাইসিস সেন্টারের জ্যেষ্ঠ গবেষক আলেকজান্ডার কোলিয়ন্দ্র মনে করেন, প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে প্রকৃত প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও বেশি হতে পারে। কারণ এ খাতের বড় অংশের তথ্যই গোপন রাখা হয়। তার মতে, বাজেটের অঙ্কগুলো অর্থ মন্ত্রণালয় এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যকার প্রাথমিক আলোচনার কেবল একটি খসড়া রূপ মাত্র।
যদিও গত সপ্তাহে খসড়া বাজেট প্রকাশের সময় রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ সামাজিক কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা উভয় খাতকেই দেশের ‘অগ্রাধিকার’ তালিকায় রেখেছেন, কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। বাজেটের খসড়ায় সামরিক খাতের বাইরে প্রায় সব খাতেই বড় ধরনের কাটছাঁটের ইঙ্গিত মিলেছে। ২০২৭ সালের মূল পরিকল্পনার তুলনায় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানো হচ্ছে ৫ শতাংশের বেশি। আর সামাজিক কর্মসূচিতে কাটছাঁট হতে পারে ৬ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্যানসারবিরোধী কর্মসূচির প্রায় ৯৭ শতাংশ অর্থই ছেঁটে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে প্রতিটি বাজেটেই ঘাটতির মুখে পড়েছে রাশিয়া। ২০২৭ সালে বাজেট ঘাটতি গিয়ে ঠেকতে পারে প্রায় ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন রুবল বা ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে। এটি গত বছরের পূর্বাভাসের চেয়ে ৭০ শতাংশেরও বেশি। একই সঙ্গে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বিপরীতে সরকারি ঋণ ছাড়িয়ে যেতে পারে ২০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক পরিসরে এ হার খুব বেশি না হলেও, রাশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় আগে যে মাত্রাকে ‘নিরাপদ’ সীমা বলেছিল, বর্তমান অঙ্কটি তার চেয়ে অনেকটাই বেশি। এ ছাড়া আগামী বছর সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ গত বছরের প্রাথমিক পরিকল্পনার তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: মস্কো টাইমস

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পঞ্চম বছরে গড়ালেও এর চাপ এখন রাশিয়ার অর্থনীতিতে জোরালোভাবেই দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। যুদ্ধের ব্যয় সামলাতে আগামী বছর প্রতিরক্ষা খাতে নজিরবিহীন বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে মস্কো। তবে এ বিশাল সামরিক খরচের জোগান দিতে গিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কল্যাণ খাতের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে বড় ধরনের কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার, যার খসড়া বাজেট সম্প্রতি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে জমা দেওয়া হয়েছে।
নতুন খসড়া বাজেট অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড ১৭ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন রুবল বা প্রায় ২০৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছরের থেকে এবারের বরাদ্দ প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি। শুধু তা-ই নয়, দেশের মোট সরকারি ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থই যাবে সামরিক খাতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণ- এ তিন খাতের সম্মিলিত বরাদ্দের চেয়েও প্রতিরক্ষা বাজেট বেশি হতে যাচ্ছে।
ইউরোপিয়ান পলিসি অ্যানালাইসিস সেন্টারের জ্যেষ্ঠ গবেষক আলেকজান্ডার কোলিয়ন্দ্র মনে করেন, প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে প্রকৃত প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও বেশি হতে পারে। কারণ এ খাতের বড় অংশের তথ্যই গোপন রাখা হয়। তার মতে, বাজেটের অঙ্কগুলো অর্থ মন্ত্রণালয় এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যকার প্রাথমিক আলোচনার কেবল একটি খসড়া রূপ মাত্র।
যদিও গত সপ্তাহে খসড়া বাজেট প্রকাশের সময় রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ সামাজিক কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা উভয় খাতকেই দেশের ‘অগ্রাধিকার’ তালিকায় রেখেছেন, কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। বাজেটের খসড়ায় সামরিক খাতের বাইরে প্রায় সব খাতেই বড় ধরনের কাটছাঁটের ইঙ্গিত মিলেছে। ২০২৭ সালের মূল পরিকল্পনার তুলনায় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানো হচ্ছে ৫ শতাংশের বেশি। আর সামাজিক কর্মসূচিতে কাটছাঁট হতে পারে ৬ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্যানসারবিরোধী কর্মসূচির প্রায় ৯৭ শতাংশ অর্থই ছেঁটে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে প্রতিটি বাজেটেই ঘাটতির মুখে পড়েছে রাশিয়া। ২০২৭ সালে বাজেট ঘাটতি গিয়ে ঠেকতে পারে প্রায় ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন রুবল বা ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে। এটি গত বছরের পূর্বাভাসের চেয়ে ৭০ শতাংশেরও বেশি। একই সঙ্গে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বিপরীতে সরকারি ঋণ ছাড়িয়ে যেতে পারে ২০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক পরিসরে এ হার খুব বেশি না হলেও, রাশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় আগে যে মাত্রাকে ‘নিরাপদ’ সীমা বলেছিল, বর্তমান অঙ্কটি তার চেয়ে অনেকটাই বেশি। এ ছাড়া আগামী বছর সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ গত বছরের প্রাথমিক পরিকল্পনার তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: মস্কো টাইমস

ইউক্রেন যুদ্ধের খরচ জোগাতে ব্যাপকহারে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াচ্ছে রাশিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পঞ্চম বছরে গড়ালেও এর চাপ এখন রাশিয়ার অর্থনীতিতে জোরালোভাবেই দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। যুদ্ধের ব্যয় সামলাতে আগামী বছর প্রতিরক্ষা খাতে নজিরবিহীন বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে মস্কো। তবে এ বিশাল সামরিক খরচের জোগান দিতে গিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কল্যাণ খাতের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে বড় ধরনের কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার, যার খসড়া বাজেট সম্প্রতি পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে জমা দেওয়া হয়েছে।
নতুন খসড়া বাজেট অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা খাতে রেকর্ড ১৭ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন রুবল বা প্রায় ২০৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছরের থেকে এবারের বরাদ্দ প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি। শুধু তা-ই নয়, দেশের মোট সরকারি ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশের বেশি অর্থই যাবে সামরিক খাতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক কল্যাণ- এ তিন খাতের সম্মিলিত বরাদ্দের চেয়েও প্রতিরক্ষা বাজেট বেশি হতে যাচ্ছে।
ইউরোপিয়ান পলিসি অ্যানালাইসিস সেন্টারের জ্যেষ্ঠ গবেষক আলেকজান্ডার কোলিয়ন্দ্র মনে করেন, প্রকাশিত হিসাবের চেয়ে প্রকৃত প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও বেশি হতে পারে। কারণ এ খাতের বড় অংশের তথ্যই গোপন রাখা হয়। তার মতে, বাজেটের অঙ্কগুলো অর্থ মন্ত্রণালয় এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যকার প্রাথমিক আলোচনার কেবল একটি খসড়া রূপ মাত্র।
যদিও গত সপ্তাহে খসড়া বাজেট প্রকাশের সময় রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী আন্তন সিলুয়ানভ সামাজিক কল্যাণ ও প্রতিরক্ষা উভয় খাতকেই দেশের ‘অগ্রাধিকার’ তালিকায় রেখেছেন, কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। বাজেটের খসড়ায় সামরিক খাতের বাইরে প্রায় সব খাতেই বড় ধরনের কাটছাঁটের ইঙ্গিত মিলেছে। ২০২৭ সালের মূল পরিকল্পনার তুলনায় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানো হচ্ছে ৫ শতাংশের বেশি। আর সামাজিক কর্মসূচিতে কাটছাঁট হতে পারে ৬ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে সরকারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্যানসারবিরোধী কর্মসূচির প্রায় ৯৭ শতাংশ অর্থই ছেঁটে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে প্রতিটি বাজেটেই ঘাটতির মুখে পড়েছে রাশিয়া। ২০২৭ সালে বাজেট ঘাটতি গিয়ে ঠেকতে পারে প্রায় ৫ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন রুবল বা ৬৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে। এটি গত বছরের পূর্বাভাসের চেয়ে ৭০ শতাংশেরও বেশি। একই সঙ্গে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বিপরীতে সরকারি ঋণ ছাড়িয়ে যেতে পারে ২০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক পরিসরে এ হার খুব বেশি না হলেও, রাশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয় আগে যে মাত্রাকে ‘নিরাপদ’ সীমা বলেছিল, বর্তমান অঙ্কটি তার চেয়ে অনেকটাই বেশি। এ ছাড়া আগামী বছর সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ গত বছরের প্রাথমিক পরিকল্পনার তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সূত্র: মস্কো টাইমস

ইউক্রেনে রাতভর ব্যাপক ড্রোন হামলা রাশিয়ার, শিশুসহ নিহত ৪







