ভারতে প্রধান বিচারপতির ‘না’, বিরোধীদের ‘চলো দিল্লি’ অভিযান অনিশ্চিত

ভারতে প্রধান বিচারপতির ‘না’, বিরোধীদের ‘চলো দিল্লি’ অভিযান অনিশ্চিত
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি) পৃথকভাবে পথে নামার কথা জানিয়েছে। তবে এখনও তাদের কোনো ঘোষিত কর্মসূচি নেই। এদিকে, বিরোধীদের কর্মসূচির কথা মাথায় রেখে দিল্লি পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি লিখেছে, সুপ্রিম কোর্ট দিল্লিতে বেআইনি আটক বন্ধ করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই নির্দেশের পর বিরোধী জোট একদিকে রাজপথে বিক্ষোভ জোরদার করছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনারদের সুরক্ষায় প্রণীত ২০২৩ সালের বিতর্কিত আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনি লড়াইয়েও নামতে যাচ্ছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ‘চলো দিল্লি’ অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি নাগরিক সমাজ, ছাত্র ও যুবদের অনুরোধ করেছেন। বেলা দেড়টায় কনট প্লেস থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত তাদের ওই মিছিল শুরু হওয়ার কথা। নিরাপত্তার কারণে দিল্লির ৬টি মেট্রো স্টেশন এদিন সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
কংগ্রেস জানিয়েছিল, বিকাল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করতে সময় চাওয়া হয়েছে। কিন্তু বিচারপতি ‘না’ বলে দেওয়ার পর তারা কী করবেন, আদৌ মিছিল হবে কি না, স্পষ্ট নয়।
সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রবিবারই তাদের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি কান্ত। জানা গেছে, বিরোধী শিবিরের আবেদনের জবাবে মূলত চারটি বিষয় উত্থাপন করেছেন তিনি। কেন দেখা করতে পারবেন না, ব্যাখ্যা করেছেন যুক্তি দিয়ে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) সংক্রান্ত অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া’র সংসদ সদস্যরা। প্রথমত, বিচারপতি কান্ত তাদের জানিয়েছেন, এই সমস্ত অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা শীর্ষ আদালতে এরইমধ্যে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালতের বাইরে তা নিয়ে আলোচনা সম্ভব নয়।
দ্বিতীয়ত, দেশের সাংবিধানিক কাঠামো বিরোধীদের মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। জানিয়েছেন, এই ধরনের অভিযোগ বিবেচনা করা বা তার ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ করা আদালতের প্রশাসনিক এখতিয়ারের আওতায় নেই।
তৃতীয়ত, প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, দেশের সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং অন্যান্য ধারার অধীনে আদালতের বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষমতা রয়েছে। তাই সোমবার যদি এসব অভিযোগ নিয়ে কোনো আবেদন বা মামলা করা হয়, তবে পরের দিন, অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্ত মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির দিন তা গ্রহণ করা হবে।
চতুর্থত, দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্ট যে দায়বদ্ধ, তা বিরোধীদের চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি কান্ত। জানিয়েছেন, নাগরিকদের জন্য আদালতের দরজা সবসময় খোলা আছে।
সোমবার সাংবাদিকদের সামনে বিচারপতি কান্ত বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। রাতেই তার জবাব দিয়েছি। কেন দেখা করতে পারব না, কিছু কারণ জানিয়েছি। চিঠিতে কী আছে, সেটা বলব না। তাদের জিজ্ঞেস করে নিন।
তিনি আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা আছে। সাধারণ মানুষ হোন বা নির্বাচিত সদস্য, যে কেউ যেকোনো আবেদন নিয়ে আমাদের কাছে আসতে পারেন। ভারতের যেকোনো নাগরিকের অধিকার আছে আদালতে আসার। আইন অনুযায়ী আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব এবং তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করব।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি) পৃথকভাবে পথে নামার কথা জানিয়েছে। তবে এখনও তাদের কোনো ঘোষিত কর্মসূচি নেই। এদিকে, বিরোধীদের কর্মসূচির কথা মাথায় রেখে দিল্লি পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি লিখেছে, সুপ্রিম কোর্ট দিল্লিতে বেআইনি আটক বন্ধ করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই নির্দেশের পর বিরোধী জোট একদিকে রাজপথে বিক্ষোভ জোরদার করছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনারদের সুরক্ষায় প্রণীত ২০২৩ সালের বিতর্কিত আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনি লড়াইয়েও নামতে যাচ্ছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ‘চলো দিল্লি’ অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি নাগরিক সমাজ, ছাত্র ও যুবদের অনুরোধ করেছেন। বেলা দেড়টায় কনট প্লেস থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত তাদের ওই মিছিল শুরু হওয়ার কথা। নিরাপত্তার কারণে দিল্লির ৬টি মেট্রো স্টেশন এদিন সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
কংগ্রেস জানিয়েছিল, বিকাল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করতে সময় চাওয়া হয়েছে। কিন্তু বিচারপতি ‘না’ বলে দেওয়ার পর তারা কী করবেন, আদৌ মিছিল হবে কি না, স্পষ্ট নয়।
সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রবিবারই তাদের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি কান্ত। জানা গেছে, বিরোধী শিবিরের আবেদনের জবাবে মূলত চারটি বিষয় উত্থাপন করেছেন তিনি। কেন দেখা করতে পারবেন না, ব্যাখ্যা করেছেন যুক্তি দিয়ে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) সংক্রান্ত অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া’র সংসদ সদস্যরা। প্রথমত, বিচারপতি কান্ত তাদের জানিয়েছেন, এই সমস্ত অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা শীর্ষ আদালতে এরইমধ্যে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালতের বাইরে তা নিয়ে আলোচনা সম্ভব নয়।
দ্বিতীয়ত, দেশের সাংবিধানিক কাঠামো বিরোধীদের মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। জানিয়েছেন, এই ধরনের অভিযোগ বিবেচনা করা বা তার ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ করা আদালতের প্রশাসনিক এখতিয়ারের আওতায় নেই।
তৃতীয়ত, প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, দেশের সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং অন্যান্য ধারার অধীনে আদালতের বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষমতা রয়েছে। তাই সোমবার যদি এসব অভিযোগ নিয়ে কোনো আবেদন বা মামলা করা হয়, তবে পরের দিন, অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্ত মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির দিন তা গ্রহণ করা হবে।
চতুর্থত, দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্ট যে দায়বদ্ধ, তা বিরোধীদের চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি কান্ত। জানিয়েছেন, নাগরিকদের জন্য আদালতের দরজা সবসময় খোলা আছে।
সোমবার সাংবাদিকদের সামনে বিচারপতি কান্ত বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। রাতেই তার জবাব দিয়েছি। কেন দেখা করতে পারব না, কিছু কারণ জানিয়েছি। চিঠিতে কী আছে, সেটা বলব না। তাদের জিজ্ঞেস করে নিন।
তিনি আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা আছে। সাধারণ মানুষ হোন বা নির্বাচিত সদস্য, যে কেউ যেকোনো আবেদন নিয়ে আমাদের কাছে আসতে পারেন। ভারতের যেকোনো নাগরিকের অধিকার আছে আদালতে আসার। আইন অনুযায়ী আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব এবং তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করব।

ভারতে প্রধান বিচারপতির ‘না’, বিরোধীদের ‘চলো দিল্লি’ অভিযান অনিশ্চিত
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি) পৃথকভাবে পথে নামার কথা জানিয়েছে। তবে এখনও তাদের কোনো ঘোষিত কর্মসূচি নেই। এদিকে, বিরোধীদের কর্মসূচির কথা মাথায় রেখে দিল্লি পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি লিখেছে, সুপ্রিম কোর্ট দিল্লিতে বেআইনি আটক বন্ধ করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই নির্দেশের পর বিরোধী জোট একদিকে রাজপথে বিক্ষোভ জোরদার করছে, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনারদের সুরক্ষায় প্রণীত ২০২৩ সালের বিতর্কিত আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আইনি লড়াইয়েও নামতে যাচ্ছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। ‘চলো দিল্লি’ অভিযানে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি নাগরিক সমাজ, ছাত্র ও যুবদের অনুরোধ করেছেন। বেলা দেড়টায় কনট প্লেস থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত তাদের ওই মিছিল শুরু হওয়ার কথা। নিরাপত্তার কারণে দিল্লির ৬টি মেট্রো স্টেশন এদিন সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
কংগ্রেস জানিয়েছিল, বিকাল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করতে সময় চাওয়া হয়েছে। কিন্তু বিচারপতি ‘না’ বলে দেওয়ার পর তারা কী করবেন, আদৌ মিছিল হবে কি না, স্পষ্ট নয়।
সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রবিবারই তাদের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি কান্ত। জানা গেছে, বিরোধী শিবিরের আবেদনের জবাবে মূলত চারটি বিষয় উত্থাপন করেছেন তিনি। কেন দেখা করতে পারবেন না, ব্যাখ্যা করেছেন যুক্তি দিয়ে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) সংক্রান্ত অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া’র সংসদ সদস্যরা। প্রথমত, বিচারপতি কান্ত তাদের জানিয়েছেন, এই সমস্ত অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা শীর্ষ আদালতে এরইমধ্যে বিচারাধীন রয়েছে। তাই আদালতের বাইরে তা নিয়ে আলোচনা সম্ভব নয়।
দ্বিতীয়ত, দেশের সাংবিধানিক কাঠামো বিরোধীদের মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। জানিয়েছেন, এই ধরনের অভিযোগ বিবেচনা করা বা তার ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ করা আদালতের প্রশাসনিক এখতিয়ারের আওতায় নেই।
তৃতীয়ত, প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, দেশের সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং অন্যান্য ধারার অধীনে আদালতের বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষমতা রয়েছে। তাই সোমবার যদি এসব অভিযোগ নিয়ে কোনো আবেদন বা মামলা করা হয়, তবে পরের দিন, অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্ত মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির দিন তা গ্রহণ করা হবে।
চতুর্থত, দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সুপ্রিম কোর্ট যে দায়বদ্ধ, তা বিরোধীদের চিঠিতে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি কান্ত। জানিয়েছেন, নাগরিকদের জন্য আদালতের দরজা সবসময় খোলা আছে।
সোমবার সাংবাদিকদের সামনে বিচারপতি কান্ত বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। রাতেই তার জবাব দিয়েছি। কেন দেখা করতে পারব না, কিছু কারণ জানিয়েছি। চিঠিতে কী আছে, সেটা বলব না। তাদের জিজ্ঞেস করে নিন।
তিনি আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টের দরজা সকলের জন্য খোলা আছে। সাধারণ মানুষ হোন বা নির্বাচিত সদস্য, যে কেউ যেকোনো আবেদন নিয়ে আমাদের কাছে আসতে পারেন। ভারতের যেকোনো নাগরিকের অধিকার আছে আদালতে আসার। আইন অনুযায়ী আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব এবং তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করব।

বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট








