ভয়াবহ বন্যায় ব্যাংকককে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা

ভয়াবহ বন্যায় ব্যাংকককে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

থাইল্যান্ডে টানা ভারী বৃষ্টিতে দেশটির রাজধানী ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শহরটিকে দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা করেছেন ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাংককে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে শহরের প্রধান সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও গাড়ির বড় অংশ পানির নিচে চলে গেছে। অনেক মানুষকে কোমরসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট বলেন, বন্যার পানি মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সম্পদেরও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। খালগুলোর আশপাশের এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ হয়েছে।
তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তারা আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী রান্নাঘর তৈরি করছে। ব্যাংকক মেট্রোপলিটন প্রশাসন শহরের স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া বাসিন্দাদের বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে, বন্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সুপারশপগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। অনেকে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে মজুত করছেন। খালের আশপাশের বাসিন্দাদের জরুরি সতর্কতা জারি করে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ব্যাংককে আরও বজ্রঝড় ও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, বন্যার কারণে ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হলেও শহরের প্রধান বিমানবন্দর সুবর্ণভূমির কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পর্যটন কর্তৃপক্ষ ভ্রমণকারীদের যাত্রার সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন ঘণ্টা হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
এর আগে, গত নভেম্বরে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখে পড়েছিল থাইল্যান্ড। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন প্রদেশে ওই বন্যায় অন্তত ১৪৫ জন মারা যান এবং হাজারো বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

থাইল্যান্ডে টানা ভারী বৃষ্টিতে দেশটির রাজধানী ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শহরটিকে দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা করেছেন ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাংককে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে শহরের প্রধান সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও গাড়ির বড় অংশ পানির নিচে চলে গেছে। অনেক মানুষকে কোমরসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট বলেন, বন্যার পানি মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সম্পদেরও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। খালগুলোর আশপাশের এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ হয়েছে।
তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তারা আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী রান্নাঘর তৈরি করছে। ব্যাংকক মেট্রোপলিটন প্রশাসন শহরের স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া বাসিন্দাদের বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে, বন্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সুপারশপগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। অনেকে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে মজুত করছেন। খালের আশপাশের বাসিন্দাদের জরুরি সতর্কতা জারি করে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ব্যাংককে আরও বজ্রঝড় ও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, বন্যার কারণে ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হলেও শহরের প্রধান বিমানবন্দর সুবর্ণভূমির কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পর্যটন কর্তৃপক্ষ ভ্রমণকারীদের যাত্রার সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন ঘণ্টা হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
এর আগে, গত নভেম্বরে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখে পড়েছিল থাইল্যান্ড। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন প্রদেশে ওই বন্যায় অন্তত ১৪৫ জন মারা যান এবং হাজারো বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ভয়াবহ বন্যায় ব্যাংকককে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

থাইল্যান্ডে টানা ভারী বৃষ্টিতে দেশটির রাজধানী ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শহরটিকে দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা করেছেন ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাংককে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে শহরের প্রধান সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও গাড়ির বড় অংশ পানির নিচে চলে গেছে। অনেক মানুষকে কোমরসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট বলেন, বন্যার পানি মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি সম্পদেরও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। খালগুলোর আশপাশের এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ হয়েছে।
তিনি জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তারা আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী রান্নাঘর তৈরি করছে। ব্যাংকক মেট্রোপলিটন প্রশাসন শহরের স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া বাসিন্দাদের বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে, বন্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সুপারশপগুলোতে মানুষের ভিড় বেড়েছে। অনেকে খাবার ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে মজুত করছেন। খালের আশপাশের বাসিন্দাদের জরুরি সতর্কতা জারি করে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিরাপদ ও উঁচু জায়গায় সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ব্যাংককে আরও বজ্রঝড় ও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, বন্যার কারণে ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হলেও শহরের প্রধান বিমানবন্দর সুবর্ণভূমির কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে পর্যটন কর্তৃপক্ষ ভ্রমণকারীদের যাত্রার সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন ঘণ্টা হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
এর আগে, গত নভেম্বরে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখে পড়েছিল থাইল্যান্ড। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন প্রদেশে ওই বন্যায় অন্তত ১৪৫ জন মারা যান এবং হাজারো বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।









