হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যু বেড়ে ১২৮০

হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যু বেড়ে ১২৮০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের প্রাদুর্ভাবে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮০ জনে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৬১ জন নিশ্চিত হাম রোগী। নতুন মারা যাওয়া ৪ জনের মধ্যে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় দুজন এবং সিলেটে দুজন মারা গেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৮৮৩ জন হাম রোগী। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৬৩ জন। মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট দুই লাখ ১১ হাজার ৮৬৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং দুই লাখ ৩ হাজার ২৫৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং এই বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সিলেটে ১৪২ জন শনাক্ত ও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, চট্টগ্রামে ১৬৩ জন, বরিশালে ৯৭ জন, ময়মনসিংহে ৫২ জন, খুলনায় ৪০ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন এবং রংপুরে ৩৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৭ হাজার ৭০২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ২৪ হাজার ৩৫৫ জন। এছাড়া এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ১৭৫ জনের সন্দেহজনক মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১০৫টি নিশ্চিত মৃত্যু।

দেশজুড়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের প্রাদুর্ভাবে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮০ জনে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৬১ জন নিশ্চিত হাম রোগী। নতুন মারা যাওয়া ৪ জনের মধ্যে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় দুজন এবং সিলেটে দুজন মারা গেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৮৮৩ জন হাম রোগী। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৬৩ জন। মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট দুই লাখ ১১ হাজার ৮৬৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং দুই লাখ ৩ হাজার ২৫৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং এই বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সিলেটে ১৪২ জন শনাক্ত ও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, চট্টগ্রামে ১৬৩ জন, বরিশালে ৯৭ জন, ময়মনসিংহে ৫২ জন, খুলনায় ৪০ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন এবং রংপুরে ৩৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৭ হাজার ৭০২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ২৪ হাজার ৩৫৫ জন। এছাড়া এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ১৭৫ জনের সন্দেহজনক মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১০৫টি নিশ্চিত মৃত্যু।

হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যু বেড়ে ১২৮০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের প্রাদুর্ভাবে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৮০ জনে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৬১ জন নিশ্চিত হাম রোগী। নতুন মারা যাওয়া ৪ জনের মধ্যে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় দুজন এবং সিলেটে দুজন মারা গেছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৮৮৩ জন হাম রোগী। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৬৩ জন। মহামারীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট দুই লাখ ১১ হাজার ৮৬৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং দুই লাখ ৩ হাজার ২৫৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং এই বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া সিলেটে ১৪২ জন শনাক্ত ও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে, চট্টগ্রামে ১৬৩ জন, বরিশালে ৯৭ জন, ময়মনসিংহে ৫২ জন, খুলনায় ৪০ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন এবং রংপুরে ৩৩ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৭ হাজার ৭০২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ২৪ হাজার ৩৫৫ জন। এছাড়া এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ১৭৫ জনের সন্দেহজনক মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১০৫টি নিশ্চিত মৃত্যু।

হামের প্রাদুর্ভাবে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪১৭






