যে ৪ ভুলে ভেঙে যেতে পারে সম্পর্ক

যে ৪ ভুলে ভেঙে যেতে পারে সম্পর্ক
সিজেডএন ডেস্ক

একসময় কারও প্রতি গভীর ভালোবাসা অনুভব করতেন, কিন্তু আজ সে অতীত হয়ে গেছে। জীবনে চলার পথে অনেক কিছুই বদলে যায়। কিছু ভুল আর কঠিন বাস্তবতায় প্রিয় মানুষটাও একসময় পর হয়ে যেতে পারে। অনেকে মনে করেন বড় কোনো ঝগড়া, অবিশ্বাস বা ভালোবাসার অভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয় বা সম্পর্ক ভেঙে যায়। কিন্তু সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে এগুলোর কোনোটাই আসলে সমস্যার মূল কারণ নয়। সঙ্গীর প্রতি অবহেলা, তার কথা না শোনাসহ আরও কিছু কারণে সম্পর্ক বেশি ভেঙে যায়। তবে সামান্য সচেতনতা থাকলে ভাঙনের মুখ থেকেও অনেক সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা সম্ভব। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের অজান্তে করা কিছু ভুল সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক যে চারটি ভুলের কারণে একটু একটু করে ফিকে হয়ে যেতে পারে আপনার সম্পর্ক।
‘আমি ঠিক আছি’ বলা বন্ধ করুন
অনেকেই মনোযোগ বা সহানুভূতি পাওয়ার আশায় কিংবা ক্ষোভ থেকে সঙ্গীকে প্রায়ই ‘আমি ঠিক আছি’ বলে থাকেন। এটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে গবেষকদের মতে, এ ধরনের বাক্য সম্পর্কের গভীরে জটিলতা তৈরি করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, অন্তত ৩৯ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন নিজেদের সঙ্গীর কাছে এই বাক্যটি ব্যবহার করেন। প্রতিদিনের এমন পরোক্ষ অসন্তোষ প্রকাশের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগের মূল স্তম্ভ ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যায়।
‘শান্তি’ বজায় রাখতে তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে চলা
অনেক মানুষ সম্পর্ক ভালো রাখতে অহেতুক তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেন। এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৮ শতাংশ। আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি ইতিবাচক মনে হলেও এটি সম্পর্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তিসংগত বিতর্ক বা কথা-কাটাকাটি অনেক সময় সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করে। তাই ক্ষোভ জমিয়ে না রেখে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করাই শ্রেয়।
‘জিতে যাওয়ার মানসিকতা’ পরিহার করুন
কথোপকথনের সময় কেবল নিজের যুক্তি উপস্থাপন করে নিজেকে সঠিক প্রমাণের চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে সম্পর্কের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। মনোবিদরা বলছেন, সম্পর্কে ‘জিতে যাওয়ার’ মানসিকতা পরিহার করে পরস্পরকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তা না হলে ভালোবাসার সম্পর্কটি একপর্যায়ে বিচ্ছেদে রূপ নিতে পারে।
ফোনের স্ক্রিনে সময় কম দিন
তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে এখন সবার হাতেই স্মার্টফোন চলে এসেছে। ফলে বেশিরভাগ মানুষ ফোন নিয়ে পড়ে থাকেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৩১ শতাংশ মানুষ সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার সময়ও ফোনে স্ক্রোল করতে থাকেন। এই অভ্যাস সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এর ফলে মানুষটি নিজেকে অবহেলিত মনে করতে পারে। ফলে আস্তে আস্তে সে আপনার থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করে।

একসময় কারও প্রতি গভীর ভালোবাসা অনুভব করতেন, কিন্তু আজ সে অতীত হয়ে গেছে। জীবনে চলার পথে অনেক কিছুই বদলে যায়। কিছু ভুল আর কঠিন বাস্তবতায় প্রিয় মানুষটাও একসময় পর হয়ে যেতে পারে। অনেকে মনে করেন বড় কোনো ঝগড়া, অবিশ্বাস বা ভালোবাসার অভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয় বা সম্পর্ক ভেঙে যায়। কিন্তু সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে এগুলোর কোনোটাই আসলে সমস্যার মূল কারণ নয়। সঙ্গীর প্রতি অবহেলা, তার কথা না শোনাসহ আরও কিছু কারণে সম্পর্ক বেশি ভেঙে যায়। তবে সামান্য সচেতনতা থাকলে ভাঙনের মুখ থেকেও অনেক সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা সম্ভব। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের অজান্তে করা কিছু ভুল সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক যে চারটি ভুলের কারণে একটু একটু করে ফিকে হয়ে যেতে পারে আপনার সম্পর্ক।
‘আমি ঠিক আছি’ বলা বন্ধ করুন
অনেকেই মনোযোগ বা সহানুভূতি পাওয়ার আশায় কিংবা ক্ষোভ থেকে সঙ্গীকে প্রায়ই ‘আমি ঠিক আছি’ বলে থাকেন। এটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে গবেষকদের মতে, এ ধরনের বাক্য সম্পর্কের গভীরে জটিলতা তৈরি করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, অন্তত ৩৯ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন নিজেদের সঙ্গীর কাছে এই বাক্যটি ব্যবহার করেন। প্রতিদিনের এমন পরোক্ষ অসন্তোষ প্রকাশের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগের মূল স্তম্ভ ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যায়।
‘শান্তি’ বজায় রাখতে তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে চলা
অনেক মানুষ সম্পর্ক ভালো রাখতে অহেতুক তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেন। এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৮ শতাংশ। আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি ইতিবাচক মনে হলেও এটি সম্পর্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তিসংগত বিতর্ক বা কথা-কাটাকাটি অনেক সময় সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করে। তাই ক্ষোভ জমিয়ে না রেখে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করাই শ্রেয়।
‘জিতে যাওয়ার মানসিকতা’ পরিহার করুন
কথোপকথনের সময় কেবল নিজের যুক্তি উপস্থাপন করে নিজেকে সঠিক প্রমাণের চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে সম্পর্কের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। মনোবিদরা বলছেন, সম্পর্কে ‘জিতে যাওয়ার’ মানসিকতা পরিহার করে পরস্পরকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তা না হলে ভালোবাসার সম্পর্কটি একপর্যায়ে বিচ্ছেদে রূপ নিতে পারে।
ফোনের স্ক্রিনে সময় কম দিন
তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে এখন সবার হাতেই স্মার্টফোন চলে এসেছে। ফলে বেশিরভাগ মানুষ ফোন নিয়ে পড়ে থাকেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৩১ শতাংশ মানুষ সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার সময়ও ফোনে স্ক্রোল করতে থাকেন। এই অভ্যাস সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এর ফলে মানুষটি নিজেকে অবহেলিত মনে করতে পারে। ফলে আস্তে আস্তে সে আপনার থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করে।

যে ৪ ভুলে ভেঙে যেতে পারে সম্পর্ক
সিজেডএন ডেস্ক

একসময় কারও প্রতি গভীর ভালোবাসা অনুভব করতেন, কিন্তু আজ সে অতীত হয়ে গেছে। জীবনে চলার পথে অনেক কিছুই বদলে যায়। কিছু ভুল আর কঠিন বাস্তবতায় প্রিয় মানুষটাও একসময় পর হয়ে যেতে পারে। অনেকে মনে করেন বড় কোনো ঝগড়া, অবিশ্বাস বা ভালোবাসার অভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয় বা সম্পর্ক ভেঙে যায়। কিন্তু সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে এগুলোর কোনোটাই আসলে সমস্যার মূল কারণ নয়। সঙ্গীর প্রতি অবহেলা, তার কথা না শোনাসহ আরও কিছু কারণে সম্পর্ক বেশি ভেঙে যায়। তবে সামান্য সচেতনতা থাকলে ভাঙনের মুখ থেকেও অনেক সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা সম্ভব। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের অজান্তে করা কিছু ভুল সম্পর্কের ভিত দুর্বল করে দেয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক যে চারটি ভুলের কারণে একটু একটু করে ফিকে হয়ে যেতে পারে আপনার সম্পর্ক।
‘আমি ঠিক আছি’ বলা বন্ধ করুন
অনেকেই মনোযোগ বা সহানুভূতি পাওয়ার আশায় কিংবা ক্ষোভ থেকে সঙ্গীকে প্রায়ই ‘আমি ঠিক আছি’ বলে থাকেন। এটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে গবেষকদের মতে, এ ধরনের বাক্য সম্পর্কের গভীরে জটিলতা তৈরি করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, অন্তত ৩৯ শতাংশ মানুষ প্রতিদিন নিজেদের সঙ্গীর কাছে এই বাক্যটি ব্যবহার করেন। প্রতিদিনের এমন পরোক্ষ অসন্তোষ প্রকাশের ফলে সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগের মূল স্তম্ভ ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যায়।
‘শান্তি’ বজায় রাখতে তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে চলা
অনেক মানুষ সম্পর্ক ভালো রাখতে অহেতুক তর্ক বা ঝগড়া এড়িয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেন। এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৮ শতাংশ। আপাতদৃষ্টিতে বিষয়টি ইতিবাচক মনে হলেও এটি সম্পর্কের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তিসংগত বিতর্ক বা কথা-কাটাকাটি অনেক সময় সম্পর্কের ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সাহায্য করে। তাই ক্ষোভ জমিয়ে না রেখে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করাই শ্রেয়।
‘জিতে যাওয়ার মানসিকতা’ পরিহার করুন
কথোপকথনের সময় কেবল নিজের যুক্তি উপস্থাপন করে নিজেকে সঠিক প্রমাণের চেষ্টা করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে সম্পর্কের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। মনোবিদরা বলছেন, সম্পর্কে ‘জিতে যাওয়ার’ মানসিকতা পরিহার করে পরস্পরকে বোঝার চেষ্টা করা উচিত। তা না হলে ভালোবাসার সম্পর্কটি একপর্যায়ে বিচ্ছেদে রূপ নিতে পারে।
ফোনের স্ক্রিনে সময় কম দিন
তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে এখন সবার হাতেই স্মার্টফোন চলে এসেছে। ফলে বেশিরভাগ মানুষ ফোন নিয়ে পড়ে থাকেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৩১ শতাংশ মানুষ সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার সময়ও ফোনে স্ক্রোল করতে থাকেন। এই অভ্যাস সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এর ফলে মানুষটি নিজেকে অবহেলিত মনে করতে পারে। ফলে আস্তে আস্তে সে আপনার থেকে দূরে সরে যেতে শুরু করে।

প্রাক্তনের চিন্তায় ঘুম আসে না, জেনে নিন প্রতিকার







