পরীমনির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ

পরীমনির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালত প্রাঙ্গণে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি। এবার তার দেহরক্ষীদের বিরুদ্ধে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক সাংবাদিকের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা, ফোন কেড়ে নেওয়া এবং গণমাধ্যমকর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগও সামনে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এসব ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত একটি মামলায় হাজিরা দিতে দুই ভাই আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পরীমনির দেহরক্ষীরা তাদের ধাক্কা দেন এবং একপর্যায়ে মো. সুজন নামের এক বিচারপ্রার্থীর মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেছেন তার বড় ভাই। এতে সুজনের মাথা ফেটে রক্তপাত হয়।
সুজনের বড় ভাই বলেন, আমরা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ পরীমনির দুজন দেহরক্ষী এসে ধাক্কা দেন এবং মাথায় আঘাত করেন।
এদিকে, আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গেও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান পরীমনি। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, গাড়িতে ওঠার আগে সাংবাদিকদের ভিড়ে এক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অভিনেত্রী। এ সময় তাকে ওই সাংবাদিককে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষায় কথা বলতে শোনা গেছে।
তবে পরীমনির অভিযোগ অস্বীকার করে ওই সাংবাদিক বলেন, আমি কেন আপনার গায়ে হাত দেব? আমার ট্রাইপড ভেঙে দিলেন কেন?
এ সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তিকেও প্রতিবাদ করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, ‘আপনি টেনে হাত ছিলে ফেলছেন।’
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে হেনস্তার শিকার ওই সাংবাদিক বলেন, একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আদালতে এসেছিলেন পরীমনি। গাড়ি থেকে নামার সময় অন্য সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আমিও তার ভিডিও ধারণ করছিলাম। লিফটে ওঠার মুহূর্তে পরীমনির দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন।
তিনি বলেন, আমি ভিডিও ধারণ অব্যাহত রাখলে পরীমনি আমার ফোনে হাত দেন এবং খামচে ধরে সেটি কেড়ে নেন। পরে অভিনেত্রীর হাত থেকেই নিজের ফোন উদ্ধার করি।
ওই সাংবাদিক বলেন, মামলার শুনানি শেষে নিচে নামার পর পরীমনি আমাকে আবারও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আজ সকালে আদালতে হাজির হন পরীমনি। শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

আদালত প্রাঙ্গণে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি। এবার তার দেহরক্ষীদের বিরুদ্ধে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক সাংবাদিকের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা, ফোন কেড়ে নেওয়া এবং গণমাধ্যমকর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগও সামনে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এসব ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত একটি মামলায় হাজিরা দিতে দুই ভাই আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পরীমনির দেহরক্ষীরা তাদের ধাক্কা দেন এবং একপর্যায়ে মো. সুজন নামের এক বিচারপ্রার্থীর মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেছেন তার বড় ভাই। এতে সুজনের মাথা ফেটে রক্তপাত হয়।
সুজনের বড় ভাই বলেন, আমরা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ পরীমনির দুজন দেহরক্ষী এসে ধাক্কা দেন এবং মাথায় আঘাত করেন।
এদিকে, আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গেও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান পরীমনি। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, গাড়িতে ওঠার আগে সাংবাদিকদের ভিড়ে এক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অভিনেত্রী। এ সময় তাকে ওই সাংবাদিককে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষায় কথা বলতে শোনা গেছে।
তবে পরীমনির অভিযোগ অস্বীকার করে ওই সাংবাদিক বলেন, আমি কেন আপনার গায়ে হাত দেব? আমার ট্রাইপড ভেঙে দিলেন কেন?
এ সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তিকেও প্রতিবাদ করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, ‘আপনি টেনে হাত ছিলে ফেলছেন।’
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে হেনস্তার শিকার ওই সাংবাদিক বলেন, একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আদালতে এসেছিলেন পরীমনি। গাড়ি থেকে নামার সময় অন্য সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আমিও তার ভিডিও ধারণ করছিলাম। লিফটে ওঠার মুহূর্তে পরীমনির দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন।
তিনি বলেন, আমি ভিডিও ধারণ অব্যাহত রাখলে পরীমনি আমার ফোনে হাত দেন এবং খামচে ধরে সেটি কেড়ে নেন। পরে অভিনেত্রীর হাত থেকেই নিজের ফোন উদ্ধার করি।
ওই সাংবাদিক বলেন, মামলার শুনানি শেষে নিচে নামার পর পরীমনি আমাকে আবারও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আজ সকালে আদালতে হাজির হন পরীমনি। শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

পরীমনির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালত প্রাঙ্গণে ফের বিতর্কের কেন্দ্রে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি। এবার তার দেহরক্ষীদের বিরুদ্ধে এক বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে এক সাংবাদিকের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা, ফোন কেড়ে নেওয়া এবং গণমাধ্যমকর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগও সামনে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এসব ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, জমিজমা সংক্রান্ত একটি মামলায় হাজিরা দিতে দুই ভাই আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পরীমনির দেহরক্ষীরা তাদের ধাক্কা দেন এবং একপর্যায়ে মো. সুজন নামের এক বিচারপ্রার্থীর মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ করেছেন তার বড় ভাই। এতে সুজনের মাথা ফেটে রক্তপাত হয়।
সুজনের বড় ভাই বলেন, আমরা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ পরীমনির দুজন দেহরক্ষী এসে ধাক্কা দেন এবং মাথায় আঘাত করেন।
এদিকে, আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গেও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান পরীমনি। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, গাড়িতে ওঠার আগে সাংবাদিকদের ভিড়ে এক গণমাধ্যমকর্মীর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অভিনেত্রী। এ সময় তাকে ওই সাংবাদিককে উদ্দেশ করে অশালীন ভাষায় কথা বলতে শোনা গেছে।
তবে পরীমনির অভিযোগ অস্বীকার করে ওই সাংবাদিক বলেন, আমি কেন আপনার গায়ে হাত দেব? আমার ট্রাইপড ভেঙে দিলেন কেন?
এ সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তিকেও প্রতিবাদ করতে শোনা যায়। তিনি বলেন, ‘আপনি টেনে হাত ছিলে ফেলছেন।’
ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে হেনস্তার শিকার ওই সাংবাদিক বলেন, একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আদালতে এসেছিলেন পরীমনি। গাড়ি থেকে নামার সময় অন্য সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আমিও তার ভিডিও ধারণ করছিলাম। লিফটে ওঠার মুহূর্তে পরীমনির দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন।
তিনি বলেন, আমি ভিডিও ধারণ অব্যাহত রাখলে পরীমনি আমার ফোনে হাত দেন এবং খামচে ধরে সেটি কেড়ে নেন। পরে অভিনেত্রীর হাত থেকেই নিজের ফোন উদ্ধার করি।
ওই সাংবাদিক বলেন, মামলার শুনানি শেষে নিচে নামার পর পরীমনি আমাকে আবারও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন অভিনেত্রী।
উল্লেখ্য, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় আত্মসমর্পণ করতে আজ সকালে আদালতে হাজির হন পরীমনি। শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

‘তুই আমার গায়ে হাত দিছোস কেন’ সাংবাদিককে পরীমণি








