মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি খারাপ হলেও আর তেলের দাম বাড়বে না: বিপিসি চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি খারাপ হলেও আর তেলের দাম বাড়বে না: বিপিসি চেয়ারম্যান
বিপিসি চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলেও সরকার দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়াতে চায় না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেল আমদানি, মূল্য পরিশোধ ও মজুদের ক্ষেত্রে কোনো সংকট নেই। বর্তমানে প্রায় ৪৫ দিনের জ্বালানি তেলের মজুত রাখার সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি ৯০ দিনের মজুত সক্ষমতা তৈরির জন্য স্টোরেজ ক্যাপাসিটি বাড়ানোর কাজও চলছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকালে বিপিসি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে এক লাফে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। যার প্রভাব পড়েছে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন খাতসহ নিত্যপণ্যের বাজারে। সাধারণত মাসের শুরুতে নতুন দাম ঘোষণা করা হলেও এবার সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে এসে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দাম বাড়ানোর বিষয়ে বিপিসি চেয়ারম্যান ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাধ্য হয়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করার মতো পরিস্থিতি ছিল না। তবে সরকারের কাছ থেকে কিছু সহায়তা পাওয়ার আশা করছেন তারা। পাশাপাশি দাম বাড়ানোর ফলে যে অর্থ আসবে, তা দিয়েও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতায় দাম বাড়তে পারে কিনা– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি অনিশ্চিত হলেও বর্তমান পরিস্থিতি বা এর চেয়েও কিছুটা দাম বাড়লে হয়তো দেশের বাজারে আর দাম বাড়াতে হবে না।

বিপিসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে গেলেও তার বিশ্বাস, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। বরং ভবিষ্যতে কম দামে তেল সংগ্রহ করা সম্ভব হলে সরকার দেশের বাজারে দাম কমানোর বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে।

/এফআর/