প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমানের টিকিটে বিশেষ ছাড়, থাকছে আরও যেসব সুবিধা

প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমানের টিকিটে বিশেষ ছাড়, থাকছে আরও যেসব সুবিধা
আয়নাল হোসেন

দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। অথচ এই প্রবাসীরা দেশের মাটিতেই পদে পদে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রবাসীদের হয়রানি রোধ এবং বিশেষ সুযোগ–সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে এই সহায়তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। গত ২১ জুলাই সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কার্ডধারীরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিট কেনায় ছাড় পাবেন। এছাড়া চলতি মাসে কার্ডের কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে টিকিটে বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে আলাদা লাইনের ব্যবস্থা ও মূল্য ছাড়ে বলাকা লাউঞ্জে খাওয়ার সুযোগ থাকবে। শুধু বলাকা লাউঞ্জই নয়, কার্ডধারীদের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশেন সব হোটেল–মোটেলে বিশেষ ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কার্ডধারীদের চেকইনের সময়েও বিশেষ সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বোর্ডিং সার্ভিস দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের ১৭৬টি দেশে বর্তমানে দেড় কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা বিশাল রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এছাড়া ইউরোপের ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, আলবেনিয়া, রোমানিয়া ও স্লোভেনিয়ার মতো নতুন নতুন দেশেও কর্মী পাঠানো হচ্ছে।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, উন্নত চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা, পরিবহন, ব্যবসা ও বিনিয়োরে বাস্তব সুবিধা নিশ্চিতে প্রবাসী কার্ড চালু করা হচ্ছে। বিমানের লাউঞ্জ, সাক্ষাৎ ও অভ্যর্থনা সেবা, টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রবাসী কার্ডধারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিমান ও সিএ) এ বি এম মাহবুব আলম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘২১ জুলাই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি সভা হয়। এতে প্রবাসী কার্ডধারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিমানে ডিসকাউন্টে টিকিট সংগ্রহ, বিমানবন্দরের লাউঞ্জ ব্যবহার ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে বিশেষ ছাড়ের বিষয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা ও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
সভায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে কার্ডধারীদের ফাস্ট-ট্র্যাক ইমিগ্রেশন চালুর বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ঢাকার কাস্টমস হাউজ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, দেশের বিমানবন্দরে কার্ডধারীরা যাতে কোনো ধরণের হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য তিনি সুপারিশ করেছেন। পাশাপাশি তিনি কাস্টমস হাউজের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসরে পক্ষ থেকে বলা হয়, কিছু ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারীরা বিমান টিকিটে ৭-১০ শতাংশ বিশেষ ছাড়ে টিকিট কেনার সুযোগ পাচ্ছে। প্রবাসী কার্ডধারীরাও যাতে ওই সুযোগ পান সেটি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে বৈঠকে জানানো হয়।
বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সভায় বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসী কার্ডধারীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাই অনুরোধ জানানো হবে। একই সঙ্গে কার্ডধারীদের জন্য ডেডিকেটেড লাউঞ্জ রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসীদের মুখে রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলা হলেও বাস্তবে তাদের সেই মর্যাদা দেওয়া হয় না। কার্ডের মাধ্যমে তাদের সুবিধা নিশ্চিত করার আহবান জানান মন্ত্রী।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের সেবার মান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। প্রবাসীরা যাতে কোনো ধরণের হয়রানি না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। অথচ এই প্রবাসীরা দেশের মাটিতেই পদে পদে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রবাসীদের হয়রানি রোধ এবং বিশেষ সুযোগ–সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে এই সহায়তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। গত ২১ জুলাই সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কার্ডধারীরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিট কেনায় ছাড় পাবেন। এছাড়া চলতি মাসে কার্ডের কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে টিকিটে বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে আলাদা লাইনের ব্যবস্থা ও মূল্য ছাড়ে বলাকা লাউঞ্জে খাওয়ার সুযোগ থাকবে। শুধু বলাকা লাউঞ্জই নয়, কার্ডধারীদের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশেন সব হোটেল–মোটেলে বিশেষ ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কার্ডধারীদের চেকইনের সময়েও বিশেষ সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বোর্ডিং সার্ভিস দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের ১৭৬টি দেশে বর্তমানে দেড় কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা বিশাল রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এছাড়া ইউরোপের ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, আলবেনিয়া, রোমানিয়া ও স্লোভেনিয়ার মতো নতুন নতুন দেশেও কর্মী পাঠানো হচ্ছে।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, উন্নত চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা, পরিবহন, ব্যবসা ও বিনিয়োরে বাস্তব সুবিধা নিশ্চিতে প্রবাসী কার্ড চালু করা হচ্ছে। বিমানের লাউঞ্জ, সাক্ষাৎ ও অভ্যর্থনা সেবা, টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রবাসী কার্ডধারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিমান ও সিএ) এ বি এম মাহবুব আলম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘২১ জুলাই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি সভা হয়। এতে প্রবাসী কার্ডধারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিমানে ডিসকাউন্টে টিকিট সংগ্রহ, বিমানবন্দরের লাউঞ্জ ব্যবহার ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে বিশেষ ছাড়ের বিষয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা ও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
সভায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে কার্ডধারীদের ফাস্ট-ট্র্যাক ইমিগ্রেশন চালুর বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ঢাকার কাস্টমস হাউজ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, দেশের বিমানবন্দরে কার্ডধারীরা যাতে কোনো ধরণের হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য তিনি সুপারিশ করেছেন। পাশাপাশি তিনি কাস্টমস হাউজের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসরে পক্ষ থেকে বলা হয়, কিছু ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারীরা বিমান টিকিটে ৭-১০ শতাংশ বিশেষ ছাড়ে টিকিট কেনার সুযোগ পাচ্ছে। প্রবাসী কার্ডধারীরাও যাতে ওই সুযোগ পান সেটি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে বৈঠকে জানানো হয়।
বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সভায় বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসী কার্ডধারীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাই অনুরোধ জানানো হবে। একই সঙ্গে কার্ডধারীদের জন্য ডেডিকেটেড লাউঞ্জ রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসীদের মুখে রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলা হলেও বাস্তবে তাদের সেই মর্যাদা দেওয়া হয় না। কার্ডের মাধ্যমে তাদের সুবিধা নিশ্চিত করার আহবান জানান মন্ত্রী।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের সেবার মান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। প্রবাসীরা যাতে কোনো ধরণের হয়রানি না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমানের টিকিটে বিশেষ ছাড়, থাকছে আরও যেসব সুবিধা
আয়নাল হোসেন

দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। অথচ এই প্রবাসীরা দেশের মাটিতেই পদে পদে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রবাসীদের হয়রানি রোধ এবং বিশেষ সুযোগ–সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে এই সহায়তা নিশ্চিত করতে চায় সরকার। গত ২১ জুলাই সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কার্ডধারীরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিট কেনায় ছাড় পাবেন। এছাড়া চলতি মাসে কার্ডের কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে টিকিটে বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে আলাদা লাইনের ব্যবস্থা ও মূল্য ছাড়ে বলাকা লাউঞ্জে খাওয়ার সুযোগ থাকবে। শুধু বলাকা লাউঞ্জই নয়, কার্ডধারীদের জন্য বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশেন সব হোটেল–মোটেলে বিশেষ ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নিতে পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী কার্ডধারীদের চেকইনের সময়েও বিশেষ সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বোর্ডিং সার্ভিস দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের ১৭৬টি দেশে বর্তমানে দেড় কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা বিশাল রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার, মর্যাদা এবং কল্যাণ নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকাংশই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এছাড়া ইউরোপের ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, পোল্যান্ড, আলবেনিয়া, রোমানিয়া ও স্লোভেনিয়ার মতো নতুন নতুন দেশেও কর্মী পাঠানো হচ্ছে।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, উন্নত চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা, পরিবহন, ব্যবসা ও বিনিয়োরে বাস্তব সুবিধা নিশ্চিতে প্রবাসী কার্ড চালু করা হচ্ছে। বিমানের লাউঞ্জ, সাক্ষাৎ ও অভ্যর্থনা সেবা, টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রবাসী কার্ডধারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিমান ও সিএ) এ বি এম মাহবুব আলম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘২১ জুলাই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি সভা হয়। এতে প্রবাসী কার্ডধারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বিমানে ডিসকাউন্টে টিকিট সংগ্রহ, বিমানবন্দরের লাউঞ্জ ব্যবহার ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে বিশেষ ছাড়ের বিষয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা ও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
সভায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে কার্ডধারীদের ফাস্ট-ট্র্যাক ইমিগ্রেশন চালুর বিষয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ঢাকার কাস্টমস হাউজ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, দেশের বিমানবন্দরে কার্ডধারীরা যাতে কোনো ধরণের হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য তিনি সুপারিশ করেছেন। পাশাপাশি তিনি কাস্টমস হাউজের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসরে পক্ষ থেকে বলা হয়, কিছু ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারীরা বিমান টিকিটে ৭-১০ শতাংশ বিশেষ ছাড়ে টিকিট কেনার সুযোগ পাচ্ছে। প্রবাসী কার্ডধারীরাও যাতে ওই সুযোগ পান সেটি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে বৈঠকে জানানো হয়।
বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সভায় বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসী কার্ডধারীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাই অনুরোধ জানানো হবে। একই সঙ্গে কার্ডধারীদের জন্য ডেডিকেটেড লাউঞ্জ রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসীদের মুখে রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলা হলেও বাস্তবে তাদের সেই মর্যাদা দেওয়া হয় না। কার্ডের মাধ্যমে তাদের সুবিধা নিশ্চিত করার আহবান জানান মন্ত্রী।
বৈঠকে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের সেবার মান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। প্রবাসীরা যাতে কোনো ধরণের হয়রানি না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।









