আন্দোলন বেগবান হলে সামাল দিতে পারবেন না: ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম

আন্দোলন বেগবান হলে সামাল দিতে পারবেন না: ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন, ব্যাংক লুটেরা এস আলমের অশুভ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদসহ ৭ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংক ডাকাত এস আলমের অবৈধ হস্তক্ষেপ বাতিলসহ অর্থ লুটপাটের ঘটনায় তাদের বিচার করতে হবে। আমাদে ৭ দফা দাবি মেনে নিতে হবে। অন্যথায় কঠিন আন্দোলন করতে বাধ্য হবো।
এ সময় তারা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর জন্য যে সংগ্রামে আমরা লিপ্ত হয়েছি, যদি আমাদের বাধ্য করেন, এর চেয়ে কঠিন পরিস্থিতি আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে। কোটা আন্দোলনের মতো যদি আমাদের আন্দোলনকে বেগবান হতে দেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন না।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। এ সংকট শুরু হয়েছে ২০১৭ সালে এস আলমের কাছে নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার পর। তারা দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে অর্থ লুটপাট করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় যখন ব্যাংকটি সংকটের মুখোমুখি চলছিল, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার এস আলমের পরিচালনা বোর্ড ভেঙে দেয়। পরবর্তীতে নতুন বোর্ড গঠন করলে তাদের নেতৃত্বে ইসলামী ব্যাংক যখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তখন নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ১৪ জুন ইসলামী ব্যাংকের এক সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মুজাহিদ হোসেনকে নিয়োগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাকে পূর্ণাঙ্গ পরিষদ গঠন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে আমাদের যে ৭ দফা দাবি ছিল, এস আলমের বিরুদ্ধে মামলাগুলো চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া এবং দুদকের মামলা তরান্বিত করা; কিন্তু ৩ মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও তিনি একটি সমস্যারও সমাধান করতে পারেননি। এ কারণে আমরা গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে তাকে অনুরোধ করছি, আপনার যে ব্যর্থতা, এর দায় স্বীকার করে আপনার কর্মস্থলে ফিরে যান। আমরা গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ৭ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এ সময় অধ্যাপক নুরুন্নবী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আগামীকাল সারা দেশের জেলা শহরে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনে গ্রাহকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। আর ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলায় ব্যাংকের শাখার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এর মধ্যে যদি আমাদের দাবি পূরণ করা না হয় তবে ইসলামী ব্যাংকের তিন কোটি গ্রাহক মিলে মহাসমাবেশ করবো। ওই সমাবেশে এক দফা ঘোষণা করা হবে।
তবে এক দফা কী হবে, সে বিষয়ে তিনি পরিষ্কার কিছু বলেননি।
এসময় ইসলামী ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন, ব্যাংক লুটেরা এস আলমের অশুভ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদসহ ৭ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংক ডাকাত এস আলমের অবৈধ হস্তক্ষেপ বাতিলসহ অর্থ লুটপাটের ঘটনায় তাদের বিচার করতে হবে। আমাদে ৭ দফা দাবি মেনে নিতে হবে। অন্যথায় কঠিন আন্দোলন করতে বাধ্য হবো।
এ সময় তারা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর জন্য যে সংগ্রামে আমরা লিপ্ত হয়েছি, যদি আমাদের বাধ্য করেন, এর চেয়ে কঠিন পরিস্থিতি আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে। কোটা আন্দোলনের মতো যদি আমাদের আন্দোলনকে বেগবান হতে দেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন না।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। এ সংকট শুরু হয়েছে ২০১৭ সালে এস আলমের কাছে নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার পর। তারা দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে অর্থ লুটপাট করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় যখন ব্যাংকটি সংকটের মুখোমুখি চলছিল, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার এস আলমের পরিচালনা বোর্ড ভেঙে দেয়। পরবর্তীতে নতুন বোর্ড গঠন করলে তাদের নেতৃত্বে ইসলামী ব্যাংক যখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তখন নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ১৪ জুন ইসলামী ব্যাংকের এক সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মুজাহিদ হোসেনকে নিয়োগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাকে পূর্ণাঙ্গ পরিষদ গঠন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে আমাদের যে ৭ দফা দাবি ছিল, এস আলমের বিরুদ্ধে মামলাগুলো চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া এবং দুদকের মামলা তরান্বিত করা; কিন্তু ৩ মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও তিনি একটি সমস্যারও সমাধান করতে পারেননি। এ কারণে আমরা গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে তাকে অনুরোধ করছি, আপনার যে ব্যর্থতা, এর দায় স্বীকার করে আপনার কর্মস্থলে ফিরে যান। আমরা গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ৭ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এ সময় অধ্যাপক নুরুন্নবী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আগামীকাল সারা দেশের জেলা শহরে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনে গ্রাহকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। আর ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলায় ব্যাংকের শাখার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এর মধ্যে যদি আমাদের দাবি পূরণ করা না হয় তবে ইসলামী ব্যাংকের তিন কোটি গ্রাহক মিলে মহাসমাবেশ করবো। ওই সমাবেশে এক দফা ঘোষণা করা হবে।
তবে এক দফা কী হবে, সে বিষয়ে তিনি পরিষ্কার কিছু বলেননি।
এসময় ইসলামী ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

আন্দোলন বেগবান হলে সামাল দিতে পারবেন না: ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন, ব্যাংক লুটেরা এস আলমের অশুভ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদসহ ৭ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে সৎ, যোগ্য ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংক ডাকাত এস আলমের অবৈধ হস্তক্ষেপ বাতিলসহ অর্থ লুটপাটের ঘটনায় তাদের বিচার করতে হবে। আমাদে ৭ দফা দাবি মেনে নিতে হবে। অন্যথায় কঠিন আন্দোলন করতে বাধ্য হবো।
এ সময় তারা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর জন্য যে সংগ্রামে আমরা লিপ্ত হয়েছি, যদি আমাদের বাধ্য করেন, এর চেয়ে কঠিন পরিস্থিতি আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে। কোটা আন্দোলনের মতো যদি আমাদের আন্দোলনকে বেগবান হতে দেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন না।
ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। এ সংকট শুরু হয়েছে ২০১৭ সালে এস আলমের কাছে নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার পর। তারা দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে অর্থ লুটপাট করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় যখন ব্যাংকটি সংকটের মুখোমুখি চলছিল, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার এস আলমের পরিচালনা বোর্ড ভেঙে দেয়। পরবর্তীতে নতুন বোর্ড গঠন করলে তাদের নেতৃত্বে ইসলামী ব্যাংক যখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তখন নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ১৪ জুন ইসলামী ব্যাংকের এক সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মুজাহিদ হোসেনকে নিয়োগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাকে পূর্ণাঙ্গ পরিষদ গঠন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে আমাদের যে ৭ দফা দাবি ছিল, এস আলমের বিরুদ্ধে মামলাগুলো চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া এবং দুদকের মামলা তরান্বিত করা; কিন্তু ৩ মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও তিনি একটি সমস্যারও সমাধান করতে পারেননি। এ কারণে আমরা গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে তাকে অনুরোধ করছি, আপনার যে ব্যর্থতা, এর দায় স্বীকার করে আপনার কর্মস্থলে ফিরে যান। আমরা গ্রাহক ফোরামের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠন করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ৭ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
এ সময় অধ্যাপক নুরুন্নবী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আগামীকাল সারা দেশের জেলা শহরে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনে গ্রাহকরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। আর ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলায় ব্যাংকের শাখার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এর মধ্যে যদি আমাদের দাবি পূরণ করা না হয় তবে ইসলামী ব্যাংকের তিন কোটি গ্রাহক মিলে মহাসমাবেশ করবো। ওই সমাবেশে এক দফা ঘোষণা করা হবে।
তবে এক দফা কী হবে, সে বিষয়ে তিনি পরিষ্কার কিছু বলেননি।
এসময় ইসলামী ব্যাংকের মূল ফটকের সামনে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।

মিছিল সহকারে ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক ফোরাম, নেই চাকরিচ্যুতরা







