জেএমবির আস্তানায় বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় মামলা

জেএমবির আস্তানায় বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৪টি পাইপ বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও জেএমবির বেশ কিছু লিফলেট উদ্ধার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা। এবার এ ঘটনায় জেএমবির ছয় সদস্যসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।
এদিন রাতে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন।
অন্য আসামিরা হলেন, সাভার শ্যামপুরের মৃত ইসমাইলের ছেলে মো. নাজমুল হাসান মামুন, পাবনার দুর্গাপুর এলাকার মো. আমিন উদ্দিন খানের ছেলে মো. আক্কাস আলী, আশুলিয়ার কামাল হোসেন ডাক্তার, রাখী ও রাকিব।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের ট্যানারি এস্টেটের পশ্চিম দেয়ালসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় নব্য জেএমবির ওই সদস্যরা নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। পরে সিটিটিসির একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে আরিফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুরের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখান থেকে ৯৮ শতাংশ ঘনমাত্রার সালফিউরিক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম নাইট্রেট পাউডার, আইইডি তৈরির ডেটোনেটর, রিমোট কন্ট্রোলার, ভোল্টমিটার ও বিয়ারিং বলসহ প্রায় আড়াই ডজন আলামত জব্দ করা হয়।
এছাড়া বাসাটি থেকে পাইপ বোমা বা আইইডি উদ্ধার করা হয়। জননিরাপত্তার স্বার্থে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলেই সেগুলো ধ্বংস করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, গ্রেপ্তার আরিফকে বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সিটিটিসির একাধিক দল, র্যাব ও অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করছেন।

সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৪টি পাইপ বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও জেএমবির বেশ কিছু লিফলেট উদ্ধার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা। এবার এ ঘটনায় জেএমবির ছয় সদস্যসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।
এদিন রাতে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন।
অন্য আসামিরা হলেন, সাভার শ্যামপুরের মৃত ইসমাইলের ছেলে মো. নাজমুল হাসান মামুন, পাবনার দুর্গাপুর এলাকার মো. আমিন উদ্দিন খানের ছেলে মো. আক্কাস আলী, আশুলিয়ার কামাল হোসেন ডাক্তার, রাখী ও রাকিব।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের ট্যানারি এস্টেটের পশ্চিম দেয়ালসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় নব্য জেএমবির ওই সদস্যরা নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। পরে সিটিটিসির একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে আরিফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুরের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখান থেকে ৯৮ শতাংশ ঘনমাত্রার সালফিউরিক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম নাইট্রেট পাউডার, আইইডি তৈরির ডেটোনেটর, রিমোট কন্ট্রোলার, ভোল্টমিটার ও বিয়ারিং বলসহ প্রায় আড়াই ডজন আলামত জব্দ করা হয়।
এছাড়া বাসাটি থেকে পাইপ বোমা বা আইইডি উদ্ধার করা হয়। জননিরাপত্তার স্বার্থে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলেই সেগুলো ধ্বংস করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, গ্রেপ্তার আরিফকে বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সিটিটিসির একাধিক দল, র্যাব ও অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করছেন।

জেএমবির আস্তানায় বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৪টি পাইপ বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও জেএমবির বেশ কিছু লিফলেট উদ্ধার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা। এবার এ ঘটনায় জেএমবির ছয় সদস্যসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬ থেকে ৭ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এ মামলায় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, বাকি পাঁচ আসামি পলাতক।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম।
এদিন রাতে কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন।
অন্য আসামিরা হলেন, সাভার শ্যামপুরের মৃত ইসমাইলের ছেলে মো. নাজমুল হাসান মামুন, পাবনার দুর্গাপুর এলাকার মো. আমিন উদ্দিন খানের ছেলে মো. আক্কাস আলী, আশুলিয়ার কামাল হোসেন ডাক্তার, রাখী ও রাকিব।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১১ আগস্ট রাতে সাভারের ট্যানারি এস্টেটের পশ্চিম দেয়ালসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় নব্য জেএমবির ওই সদস্যরা নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। পরে সিটিটিসির একটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে আরিফ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুরের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখান থেকে ৯৮ শতাংশ ঘনমাত্রার সালফিউরিক অ্যাসিড, নাইট্রিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম নাইট্রেট পাউডার, আইইডি তৈরির ডেটোনেটর, রিমোট কন্ট্রোলার, ভোল্টমিটার ও বিয়ারিং বলসহ প্রায় আড়াই ডজন আলামত জব্দ করা হয়।
এছাড়া বাসাটি থেকে পাইপ বোমা বা আইইডি উদ্ধার করা হয়। জননিরাপত্তার স্বার্থে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলেই সেগুলো ধ্বংস করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, গ্রেপ্তার আরিফকে বর্তমানে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সিটিটিসির একাধিক দল, র্যাব ও অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করছেন।

সাভারে উদ্ধার ‘প্রেসার কুকার বোমা’র বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল এলাকা







