হাইকোর্টে জামিন জালিয়াতি, ৩ আইনজীবীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

হাইকোর্টে জামিন জালিয়াতি, ৩ আইনজীবীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টে একই মামলায় একাধিক জামিন আবেদনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন আইনজীবীকে ১৫ দিনের জন্য মামলা পরিচালনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিচারপতি জাহিদ সারওয়ার কাজলের বেঞ্চে এ আদেশ দেন।
আইনজীবীর হলেন- আন্না খানম, এস এম আব্দুল বাতেন, মো. রহিমউদ্দিন। এ ছাড়া মামলার পাঁচ আসামি এবং তিন তদবিরকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইমদাদুল হানিফ বলেন, একই আদেশের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে তিনটি আলাদা জামিন আবেদন করা হয়েছিল। তথ্য গোপন করে একজনের জামিনও হয়েছিলো। বিষয়টি আদালতের নজরে আসলে স্বপ্রণোদিত হয়ে এই ব্যবস্থা নেন আদালত। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসামিদের পক্ষে অন্য কোনো আবেদন না করার আদেশও দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্ট বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এমন জালিয়াতির ঘটনায় নিজেদের জন্য হতাশার। এসব বিষয়ে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

হাইকোর্টে একই মামলায় একাধিক জামিন আবেদনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন আইনজীবীকে ১৫ দিনের জন্য মামলা পরিচালনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিচারপতি জাহিদ সারওয়ার কাজলের বেঞ্চে এ আদেশ দেন।
আইনজীবীর হলেন- আন্না খানম, এস এম আব্দুল বাতেন, মো. রহিমউদ্দিন। এ ছাড়া মামলার পাঁচ আসামি এবং তিন তদবিরকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইমদাদুল হানিফ বলেন, একই আদেশের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে তিনটি আলাদা জামিন আবেদন করা হয়েছিল। তথ্য গোপন করে একজনের জামিনও হয়েছিলো। বিষয়টি আদালতের নজরে আসলে স্বপ্রণোদিত হয়ে এই ব্যবস্থা নেন আদালত। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসামিদের পক্ষে অন্য কোনো আবেদন না করার আদেশও দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্ট বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এমন জালিয়াতির ঘটনায় নিজেদের জন্য হতাশার। এসব বিষয়ে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

হাইকোর্টে জামিন জালিয়াতি, ৩ আইনজীবীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাইকোর্টে একই মামলায় একাধিক জামিন আবেদনের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন আইনজীবীকে ১৫ দিনের জন্য মামলা পরিচালনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিচারপতি জাহিদ সারওয়ার কাজলের বেঞ্চে এ আদেশ দেন।
আইনজীবীর হলেন- আন্না খানম, এস এম আব্দুল বাতেন, মো. রহিমউদ্দিন। এ ছাড়া মামলার পাঁচ আসামি এবং তিন তদবিরকারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইমদাদুল হানিফ বলেন, একই আদেশের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে তিনটি আলাদা জামিন আবেদন করা হয়েছিল। তথ্য গোপন করে একজনের জামিনও হয়েছিলো। বিষয়টি আদালতের নজরে আসলে স্বপ্রণোদিত হয়ে এই ব্যবস্থা নেন আদালত। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই আসামিদের পক্ষে অন্য কোনো আবেদন না করার আদেশও দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্ট বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালতে এমন জালিয়াতির ঘটনায় নিজেদের জন্য হতাশার। এসব বিষয়ে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মাদ্রাসার গভর্নিং বডি বাতিলের প্রজ্ঞাপন হাইকোর্টে স্থগিত







