নিরাপত্তার কারণে সাজেকে পর্যটকদের প্রবেশ ও অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
নিরাপত্তার কারণে সাজেকে পর্যটকদের প্রবেশ ও অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
সাজেক ভ্যালি

নিরাপত্তার কারণে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে পর্যটকদের প্রবেশ ও অবস্থান সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ছয়টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

একই সঙ্গে বর্তমানে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের আগামী মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে পর্যটন এলাকা ছেড়ে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সই করা এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর আগে আজ দুপুরে স্থানীয় দুটি পাহাড়ি সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে সাজেকের পথে পর্যটকবাহী গাড়িবহর আটকে পড়ে। সাজেকে যাওয়ার পথে এবং সেখান থেকে ফেরার সময় পর্যটকদের গাড়িগুলো প্রায় তিন ঘণ্টা সড়কে আটকে ছিল। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেএসএসের সশস্ত্র তৎপরতা ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এবং সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি অবরোধের ডাক দেয়।

সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা জানান, প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি জানানো হয়েছিল। দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস পাওয়ায় আগামী ৪৮ ঘণ্টার জন্য আন্দোলন স্থগিত রাখা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেএসএস। সংগঠনটির দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন। ইউপিডিএফের চাপে সংগঠন দুটি অবরোধের কর্মসূচি দিয়েছে বলেও দাবি করেছে দলটি।

জেএসএসের তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, সাজেকে সাধারণ মানুষের ওপর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও হয়রানির ঘটনা আড়াল করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা বলেন, তাদের চাপে কোনো সংগঠন অবরোধের কর্মসূচি দেয়নি। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে সংগঠন দুটি যে কর্মসূচি দিয়েছে, তাতে ইউপিডিএফের সমর্থন রয়েছে।

/এমআর/