রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু
পাবনা প্রতিনিধি

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ফিশন বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়ায় ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে দুটি ভিন্ন পরমাণুতে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় তাপশক্তি তৈরি হয়। এই তাপ কাজে লাগিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র বলছে, রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ৩টা ৩৪ মিনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদন শুরুর চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছে গেলো।
পারমাণবিক বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া সেপ্টেম্বরে শুরুর পরিকল্পনা ছিল। নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষায় ত্রুটি ধরা পড়লে এটি পিছিয়ে যায়। গত সপ্তাহে উচ্চ চাপে দুই দফায় ভালভের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষার ফলাফল যাচাই করে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ফিশন বিক্রিয়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা)।
সূত্র জানায়, প্রথমবারের মতো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্র সফলভাবে ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। এটি বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় অর্জন। ক্রিটিক্যালিটি অর্জনের পর চুল্লিপাত্রের গুরুত্বপূর্ণ সব মাপকাঠি নির্ধারিত সীমার মধ্যে রয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে।
প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রকৌশলীরা রিঅ্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রথম ক্রিটিক্যালিটিসহ এ পর্যায় শেষ হতে ৩০ থেকে ৪০ দিন লেগে যেতে পারে। এরপর পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, শুরুতে কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৩ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আগে সেটা বাড়িয়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশে নেওয়া হবে। এ প্রক্রিয়া শুরুর পর পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৭ থেকে ৮ মাস চলতে পারে।
রুশ প্রযুক্তিতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরে নির্মিত হচ্ছে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর। এখান থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ফিশন বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়ায় ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে দুটি ভিন্ন পরমাণুতে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় তাপশক্তি তৈরি হয়। এই তাপ কাজে লাগিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র বলছে, রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ৩টা ৩৪ মিনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদন শুরুর চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছে গেলো।
পারমাণবিক বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া সেপ্টেম্বরে শুরুর পরিকল্পনা ছিল। নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষায় ত্রুটি ধরা পড়লে এটি পিছিয়ে যায়। গত সপ্তাহে উচ্চ চাপে দুই দফায় ভালভের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষার ফলাফল যাচাই করে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ফিশন বিক্রিয়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা)।
সূত্র জানায়, প্রথমবারের মতো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্র সফলভাবে ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। এটি বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় অর্জন। ক্রিটিক্যালিটি অর্জনের পর চুল্লিপাত্রের গুরুত্বপূর্ণ সব মাপকাঠি নির্ধারিত সীমার মধ্যে রয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে।
প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রকৌশলীরা রিঅ্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রথম ক্রিটিক্যালিটিসহ এ পর্যায় শেষ হতে ৩০ থেকে ৪০ দিন লেগে যেতে পারে। এরপর পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, শুরুতে কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৩ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আগে সেটা বাড়িয়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশে নেওয়া হবে। এ প্রক্রিয়া শুরুর পর পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৭ থেকে ৮ মাস চলতে পারে।
রুশ প্রযুক্তিতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরে নির্মিত হচ্ছে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর। এখান থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু
পাবনা প্রতিনিধি

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ফিশন বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়ন্ত্রিত ফিশন বিক্রিয়ায় ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে দুটি ভিন্ন পরমাণুতে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় তাপশক্তি তৈরি হয়। এই তাপ কাজে লাগিয়েই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র বলছে, রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ৩টা ৩৪ মিনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদন শুরুর চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছে গেলো।
পারমাণবিক বিকিরণের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া সেপ্টেম্বরে শুরুর পরিকল্পনা ছিল। নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষায় ত্রুটি ধরা পড়লে এটি পিছিয়ে যায়। গত সপ্তাহে উচ্চ চাপে দুই দফায় ভালভের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই পরীক্ষার ফলাফল যাচাই করে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ফিশন বিক্রিয়ার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা)।
সূত্র জানায়, প্রথমবারের মতো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিপাত্র সফলভাবে ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। এটি বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় অর্জন। ক্রিটিক্যালিটি অর্জনের পর চুল্লিপাত্রের গুরুত্বপূর্ণ সব মাপকাঠি নির্ধারিত সীমার মধ্যে রয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে।
প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রকৌশলীরা রিঅ্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটার, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। প্রথম ক্রিটিক্যালিটিসহ এ পর্যায় শেষ হতে ৩০ থেকে ৪০ দিন লেগে যেতে পারে। এরপর পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হবে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, শুরুতে কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৩ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আগে সেটা বাড়িয়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশে নেওয়া হবে। এ প্রক্রিয়া শুরুর পর পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৭ থেকে ৮ মাস চলতে পারে।
রুশ প্রযুক্তিতে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় পদ্মা নদীর তীরে নির্মিত হচ্ছে দুটি ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর। এখান থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।









