ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র হত্যা করা বিএনপি-ছাত্রদলের ঐতিহ্য: ডাকসু জিএস

ভোলা সংবাদদাতা
ভোলা সংবাদদাতা
ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র হত্যা করা বিএনপি-ছাত্রদলের ঐতিহ্য: ডাকসু জিএস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলেছেন, ১৯৯০ এর পরে যে ডাকসু নির্বাচন হয়েছে সে নির্বাচনে জয়ী হয় ছাত্রদল। তারপর ১৯৯১ থেকে ৯৬ অর্থাৎ বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার আগ পর্যন্ত তারা ডাকসু নির্বাচন বন্ধ করে ক্যাম্পাসে গণরুম-গেস্টরুমসহ যা যা দরকার তারা তা করেছেন। অর্থাৎ ক্যাম্পাস গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা বিএনপি-ছাত্রদলের চিরায়িত ঐতিহ্য।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ভোলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ভোলা সরকারি কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে একাদশ শ্রেণি ও অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত ‘নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন’ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এস এম ফরহাদ বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পরে তারা (বিএনপি) সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, আমরা গণতন্ত্রের বিজয়ের মধ্য দিয়ে এসেছি। গণতন্ত্রকে অটুট রাখতে চাই। কিন্তু বিপরীতে আমরা লক্ষ্য করেছি, একই ঘটনা ১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের পরে পুনরাবৃত্তি হয়েছিলো যখন বেগম খালেদা জিয়া সংসদে গিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন গণতন্ত্র অটুট রাখতে চাই।

তিনি বলেন, ১৯৯০ এর পরে যে ডাকসু নির্বাচন হয়েছে সে নির্বাচনে জয়ী হয় ছাত্রদল। তারপর ১৯৯১ থেকে ৯৬ অর্থাৎ বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার আগ পর্যন্ত তারা ক্ষমতায়; তাদের ভিসি, তাদের দলের সকল লোকেরা সেখানে ছিল। ডাকসু নির্বাচন বন্ধ করে দিয়ে এক প্রকার ক্যাম্পাসে গণরুম-গেস্টরুমসহ যা যা দরকার তারা তা করেছেন। অর্থাৎ ক্যাম্পাসের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা বিএনপি-ছাত্রদলের চিরায়িত ঐতিহ্য। যেমনটা দেখেছি ভোলা সরকারি কলেজে।

ডাকসু জিএস বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের আজকের কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিলো ভোলা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে। কী ঘটলো? ছাত্রশিবিরের কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য তাদের যা যা করা দরকার, যতভাবে রাজনৈতিক নষ্টামি করা যায়, যতভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে উসকে দেওয়া যায়, সবকিছুই তারা করেছে।

তিনি বলেন, ছাত্রদল এগুলো করে একটা শিক্ষার্থী বিচ্ছেদ সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। আমরা লক্ষ্য করছি, প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসের ডেমোক্র্যাটিক জায়গাটা নষ্ট করে ফেলছে, এটা খুবই দুঃখজনক। কষ্টের বিষয় হচ্ছে, ছাত্রশিবির ভোলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের কল্যাণার্থে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি ক্যাম্পাসে করতে পারেনি; একটা সন্ত্রাসী অ্যাপ্রোচের কারণে।

এস এম ফরহাদ বলেন, আমরা সরকারকে অনুরোধ করবো, আপনি সংসদে দাঁড়িয়ে যেমন গণতন্ত্রের কথা বলেন, আল্লাহর অস্তে ক্যাম্পাসে গণতন্ত্রকে হত্যার যে রাজনীতি আপনারা শুরু করেছেন এটা বন্ধ করেন। আমরা এ দ্বিচারিতা তাদের কাছ থেকে চাই না।

/এসবি/