৪ দফা দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে অটোরিকশা শ্রমিকদের বিক্ষোভ

৪ দফা দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে অটোরিকশা শ্রমিকদের বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান বন্ধসহ চার দফা দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ‘অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে অটোরিকশা চালকেরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পল্টন, জিরো পয়েন্ট, হাইকোর্ট মোড়সহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন এসব সড়কে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ বিভিন্ন সময় অটোরিকশা আটক করে এবং গাড়ির ব্যাটারির তার ছিঁড়ে দেয়। পরে ডাম্পিংয়ের নামে টাকা নেওয়া হয়। এ ধরনের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান তারা।
আন্দোলনরত এক অটোরিকশাচালক বলেন, ‘পুলিশ দৌড়ে এসে হুটহাট অটোরিকশা ধরে। গাড়ির ব্যাটারির তার ছিঁড়ে ফেলে। প্রথমে ১ হাজার ৫০০ টাকা, এভাবে ১ হাজার ৬০০, পরে আবার ১ হাজার ৩০০ টাকা চায়। শেষমেশ ১ হাজার ৫০০ টাকা দিলে ছেড়ে দেয়। এভাবে ডাম্পিংয়ের নামে চাঁদাবাজি মানি না।’
এ সময় অটোরিকশার গ্যারেজগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
আন্দোলনচলাকালে চার দফা দাবি তুলে ধরেন বিক্ষোভকারী। দাবিগুলো হলো– অটোরিকশার জন্য রোড পারমিট দেওয়া, চালকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা, চালক-শ্রমিকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া এবং অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযান বন্ধ করা।
এদিকে, সমাবেশকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। পরবর্তীতে দুপুর ১টার কিছু আগে তারা অবরোধ তুলে নিলে পল্টন থেকে প্রেসক্লাবমুখী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
দাবি মেনে নেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক নেতারা।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান বন্ধসহ চার দফা দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ‘অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে অটোরিকশা চালকেরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পল্টন, জিরো পয়েন্ট, হাইকোর্ট মোড়সহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন এসব সড়কে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ বিভিন্ন সময় অটোরিকশা আটক করে এবং গাড়ির ব্যাটারির তার ছিঁড়ে দেয়। পরে ডাম্পিংয়ের নামে টাকা নেওয়া হয়। এ ধরনের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান তারা।
আন্দোলনরত এক অটোরিকশাচালক বলেন, ‘পুলিশ দৌড়ে এসে হুটহাট অটোরিকশা ধরে। গাড়ির ব্যাটারির তার ছিঁড়ে ফেলে। প্রথমে ১ হাজার ৫০০ টাকা, এভাবে ১ হাজার ৬০০, পরে আবার ১ হাজার ৩০০ টাকা চায়। শেষমেশ ১ হাজার ৫০০ টাকা দিলে ছেড়ে দেয়। এভাবে ডাম্পিংয়ের নামে চাঁদাবাজি মানি না।’
এ সময় অটোরিকশার গ্যারেজগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
আন্দোলনচলাকালে চার দফা দাবি তুলে ধরেন বিক্ষোভকারী। দাবিগুলো হলো– অটোরিকশার জন্য রোড পারমিট দেওয়া, চালকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা, চালক-শ্রমিকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া এবং অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযান বন্ধ করা।
এদিকে, সমাবেশকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। পরবর্তীতে দুপুর ১টার কিছু আগে তারা অবরোধ তুলে নিলে পল্টন থেকে প্রেসক্লাবমুখী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
দাবি মেনে নেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক নেতারা।

৪ দফা দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে অটোরিকশা শ্রমিকদের বিক্ষোভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযান বন্ধসহ চার দফা দাবিতে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ‘অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ’।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে অটোরিকশা চালকেরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পল্টন, জিরো পয়েন্ট, হাইকোর্ট মোড়সহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন এসব সড়কে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ বিভিন্ন সময় অটোরিকশা আটক করে এবং গাড়ির ব্যাটারির তার ছিঁড়ে দেয়। পরে ডাম্পিংয়ের নামে টাকা নেওয়া হয়। এ ধরনের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান তারা।
আন্দোলনরত এক অটোরিকশাচালক বলেন, ‘পুলিশ দৌড়ে এসে হুটহাট অটোরিকশা ধরে। গাড়ির ব্যাটারির তার ছিঁড়ে ফেলে। প্রথমে ১ হাজার ৫০০ টাকা, এভাবে ১ হাজার ৬০০, পরে আবার ১ হাজার ৩০০ টাকা চায়। শেষমেশ ১ হাজার ৫০০ টাকা দিলে ছেড়ে দেয়। এভাবে ডাম্পিংয়ের নামে চাঁদাবাজি মানি না।’
এ সময় অটোরিকশার গ্যারেজগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
আন্দোলনচলাকালে চার দফা দাবি তুলে ধরেন বিক্ষোভকারী। দাবিগুলো হলো– অটোরিকশার জন্য রোড পারমিট দেওয়া, চালকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা, চালক-শ্রমিকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া এবং অটোরিকশার গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের অভিযান বন্ধ করা।
এদিকে, সমাবেশকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে জাতীয় প্রেসক্লাব ও আশপাশের বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। পরবর্তীতে দুপুর ১টার কিছু আগে তারা অবরোধ তুলে নিলে পল্টন থেকে প্রেসক্লাবমুখী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
দাবি মেনে নেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক নেতারা।

লাইসেন্স-রুট পারমিটসহ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকদের ৭ দফা দাবি







