গরুর মাংস রান্না ঘিরে জবিতে বিতর্ক, পশু জবাই নিষিদ্ধ করল প্রশাসন

গরুর মাংস রান্না ঘিরে জবিতে বিতর্ক, পশু জবাই নিষিদ্ধ করল প্রশাসন
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে গরুর মাংস রান্না করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আজম খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের পশু জবাই না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে গরুর মাংস রান্না করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী। মুক্তমঞ্চের এক পাশে মসজিদ এবং অন্য পাশে অস্থায়ী পূজামণ্ডপ থাকায় এ আয়োজন নিয়ে আপত্তি জানান সনাতন ধর্মাবলম্বী কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, পূজামণ্ডপের সামনে গরুর মাংস রান্না করা হয়েছে এবং চুলা তৈরিতে মন্দিরের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে গত দুই দিন ধরে ক্যাম্পাসে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।
তবে আয়োজনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের রান্নার আয়োজনটি প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে করার পরিকল্পনা ছিল। সেখানে গ্যাসের সংকট দেখা দেওয়ায় তারা মুক্তমঞ্চের খোলা জায়গায় রান্না শুরু করেন। চুলা তৈরির জন্য আশপাশে থাকা কয়েকটি ইট ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী ইটগুলো মন্দিরের বলে জানালে তারা সেগুলো ব্যবহার বন্ধ করেন এবং রান্নার স্থানও পরিবর্তন করেন বলে দাবি করেন তারা।
এদিকে এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার পর শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা তুলে গরু জবাইয়ের আয়োজন করছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইব্রাহীম ফেসবুকে লেখেন, গরু কেনা ও সার্বিক কাজ পরিচালনার জন্য ৮-১০ জন টিম মেম্বার প্রয়োজন। যারা কাজ করতে আগ্রহী, তারা যোগাযোগ করুন।
প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জবি শাখার সভাপতি আশিকুর রহমান আকাশ লেখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সিটি করপোরেশনের নির্মাণাধীন টয়লেট দখল করা হলে প্রশাসন চোখ বুজে, অন্ধ হয়ে, মুখ বুজে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে। অথচ নির্দিষ্ট একটি কমিউনিটিকে খুশি রাখতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে প্রশাসনের নোটিশ জারি করতে কোনো দ্বিধা নেই!
প্রশাসনকে বলব, আপনারা বরং একটি কাজ করুন, নির্দিষ্ট ওই কমিউনিটির নামে বিশ্ববিদ্যালয়টি পুরোপুরি লিখে দিন। বাকি শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাক! শিক্ষার্থীদের অধিকার, স্বার্থ ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের এ মতামতের যদি কোনো মূল্যই না থাকে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নামে এই প্রহসনের প্রয়োজন কী?
তিনি আরও লেখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন, আপনারা কি সতেরো হাজার শিক্ষার্থীর স্বার্থ রক্ষায় দায়বদ্ধ, নাকি নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে সন্তুষ্ট রাখাই আপনাদের প্রধান লক্ষ্য? যদি তাই হয়ে থাকে, তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ বানানোর এই কথিত প্রচেষ্টায় আপনাদের অগ্রিম অভিনন্দন!
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে গরুর মাংস রান্না করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আজম খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের পশু জবাই না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে গরুর মাংস রান্না করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী। মুক্তমঞ্চের এক পাশে মসজিদ এবং অন্য পাশে অস্থায়ী পূজামণ্ডপ থাকায় এ আয়োজন নিয়ে আপত্তি জানান সনাতন ধর্মাবলম্বী কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, পূজামণ্ডপের সামনে গরুর মাংস রান্না করা হয়েছে এবং চুলা তৈরিতে মন্দিরের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে গত দুই দিন ধরে ক্যাম্পাসে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।
তবে আয়োজনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের রান্নার আয়োজনটি প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে করার পরিকল্পনা ছিল। সেখানে গ্যাসের সংকট দেখা দেওয়ায় তারা মুক্তমঞ্চের খোলা জায়গায় রান্না শুরু করেন। চুলা তৈরির জন্য আশপাশে থাকা কয়েকটি ইট ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী ইটগুলো মন্দিরের বলে জানালে তারা সেগুলো ব্যবহার বন্ধ করেন এবং রান্নার স্থানও পরিবর্তন করেন বলে দাবি করেন তারা।
এদিকে এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার পর শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা তুলে গরু জবাইয়ের আয়োজন করছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইব্রাহীম ফেসবুকে লেখেন, গরু কেনা ও সার্বিক কাজ পরিচালনার জন্য ৮-১০ জন টিম মেম্বার প্রয়োজন। যারা কাজ করতে আগ্রহী, তারা যোগাযোগ করুন।
প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জবি শাখার সভাপতি আশিকুর রহমান আকাশ লেখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সিটি করপোরেশনের নির্মাণাধীন টয়লেট দখল করা হলে প্রশাসন চোখ বুজে, অন্ধ হয়ে, মুখ বুজে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে। অথচ নির্দিষ্ট একটি কমিউনিটিকে খুশি রাখতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে প্রশাসনের নোটিশ জারি করতে কোনো দ্বিধা নেই!
প্রশাসনকে বলব, আপনারা বরং একটি কাজ করুন, নির্দিষ্ট ওই কমিউনিটির নামে বিশ্ববিদ্যালয়টি পুরোপুরি লিখে দিন। বাকি শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাক! শিক্ষার্থীদের অধিকার, স্বার্থ ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের এ মতামতের যদি কোনো মূল্যই না থাকে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নামে এই প্রহসনের প্রয়োজন কী?
তিনি আরও লেখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন, আপনারা কি সতেরো হাজার শিক্ষার্থীর স্বার্থ রক্ষায় দায়বদ্ধ, নাকি নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে সন্তুষ্ট রাখাই আপনাদের প্রধান লক্ষ্য? যদি তাই হয়ে থাকে, তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ বানানোর এই কথিত প্রচেষ্টায় আপনাদের অগ্রিম অভিনন্দন!
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

গরুর মাংস রান্না ঘিরে জবিতে বিতর্ক, পশু জবাই নিষিদ্ধ করল প্রশাসন
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে গরুর মাংস রান্না করাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আজম খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের পশু জবাই না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চের সামনে গরুর মাংস রান্না করেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী। মুক্তমঞ্চের এক পাশে মসজিদ এবং অন্য পাশে অস্থায়ী পূজামণ্ডপ থাকায় এ আয়োজন নিয়ে আপত্তি জানান সনাতন ধর্মাবলম্বী কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, পূজামণ্ডপের সামনে গরুর মাংস রান্না করা হয়েছে এবং চুলা তৈরিতে মন্দিরের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে গত দুই দিন ধরে ক্যাম্পাসে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।
তবে আয়োজনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের রান্নার আয়োজনটি প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে করার পরিকল্পনা ছিল। সেখানে গ্যাসের সংকট দেখা দেওয়ায় তারা মুক্তমঞ্চের খোলা জায়গায় রান্না শুরু করেন। চুলা তৈরির জন্য আশপাশে থাকা কয়েকটি ইট ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী ইটগুলো মন্দিরের বলে জানালে তারা সেগুলো ব্যবহার বন্ধ করেন এবং রান্নার স্থানও পরিবর্তন করেন বলে দাবি করেন তারা।
এদিকে এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার পর শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদা তুলে গরু জবাইয়ের আয়োজন করছেন। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইব্রাহীম ফেসবুকে লেখেন, গরু কেনা ও সার্বিক কাজ পরিচালনার জন্য ৮-১০ জন টিম মেম্বার প্রয়োজন। যারা কাজ করতে আগ্রহী, তারা যোগাযোগ করুন।
প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জবি শাখার সভাপতি আশিকুর রহমান আকাশ লেখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সিটি করপোরেশনের নির্মাণাধীন টয়লেট দখল করা হলে প্রশাসন চোখ বুজে, অন্ধ হয়ে, মুখ বুজে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে। অথচ নির্দিষ্ট একটি কমিউনিটিকে খুশি রাখতে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে প্রশাসনের নোটিশ জারি করতে কোনো দ্বিধা নেই!
প্রশাসনকে বলব, আপনারা বরং একটি কাজ করুন, নির্দিষ্ট ওই কমিউনিটির নামে বিশ্ববিদ্যালয়টি পুরোপুরি লিখে দিন। বাকি শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাক! শিক্ষার্থীদের অধিকার, স্বার্থ ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের এ মতামতের যদি কোনো মূল্যই না থাকে, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নামে এই প্রহসনের প্রয়োজন কী?
তিনি আরও লেখেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের প্রতি প্রশ্ন, আপনারা কি সতেরো হাজার শিক্ষার্থীর স্বার্থ রক্ষায় দায়বদ্ধ, নাকি নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠীকে সন্তুষ্ট রাখাই আপনাদের প্রধান লক্ষ্য? যদি তাই হয়ে থাকে, তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ বানানোর এই কথিত প্রচেষ্টায় আপনাদের অগ্রিম অভিনন্দন!
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।









