পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুরোনো নথি আর্কাইভে সংরক্ষণের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস করার কাজ শেষ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তাকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পেপারলেস হচ্ছে। ডি-নথিতে যারা মাস্টার ট্রেনার আছেন, তাঁদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। পুরোনো নথিগুলো আর্কাইভে নিয়ে যাব। এ ধরনের প্রশিক্ষণ চলতে থাকবে।’
তিনি বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমেও পরিবর্তন আনতে হবে। কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা দাপ্তরিক কাজে প্রয়োগ করা গেলে কাজের গতি বাড়বে এবং স্বচ্ছতাও বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ভাইস-চ্যান্সেলর ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।
কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

পুরোনো নথি আর্কাইভে সংরক্ষণের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস করার কাজ শেষ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তাকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পেপারলেস হচ্ছে। ডি-নথিতে যারা মাস্টার ট্রেনার আছেন, তাঁদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। পুরোনো নথিগুলো আর্কাইভে নিয়ে যাব। এ ধরনের প্রশিক্ষণ চলতে থাকবে।’
তিনি বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমেও পরিবর্তন আনতে হবে। কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা দাপ্তরিক কাজে প্রয়োগ করা গেলে কাজের গতি বাড়বে এবং স্বচ্ছতাও বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ভাইস-চ্যান্সেলর ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।
কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুরোনো নথি আর্কাইভে সংরক্ষণের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজে ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস করার কাজ শেষ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তাকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পেপারলেস হচ্ছে। ডি-নথিতে যারা মাস্টার ট্রেনার আছেন, তাঁদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে। পুরোনো নথিগুলো আর্কাইভে নিয়ে যাব। এ ধরনের প্রশিক্ষণ চলতে থাকবে।’
তিনি বলেন, প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমেও পরিবর্তন আনতে হবে। কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা দাপ্তরিক কাজে প্রয়োগ করা গেলে কাজের গতি বাড়বে এবং স্বচ্ছতাও বৃদ্ধি পাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন। প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা কর্মকর্তাদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ভাইস-চ্যান্সেলর ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা।
কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।









