বাহকোলার হ্যাটট্রিকে লিভারপুলের গোলবন্যা

বাহকোলার হ্যাটট্রিকে লিভারপুলের গোলবন্যা
স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের হতাশা কাটিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লিভারপুল। এবার ইউরোপীয় মঞ্চে অস্ট্রিয়ার ক্লাব এলএএসকের বিপক্ষে ৬-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। ম্যাচে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন বাহডলে বাহকোলা। চলতি মৌসুমে ক্লাবের জার্সিতে এদিনই প্রথম গোলের দেখা পান এই ফরোয়ার্ড।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই লিভারপুলের আক্রমণের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়ে এলএএসকে। প্রথম এক ঘণ্টায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে সফরকারীরা। তবে পরের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের জালে আরও তিনবার বল পাঠায় স্বাগতিক দলটি। শেষ পর্যন্ত ৬-৩ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে লিভারপুল।
লিভারপুলের হয়ে বাহকোলার তিন গোলের পাশাপাশি জালের দেখা পান রোনাল্দ আরাউহো, ইয়েরেমি ফ্রিমপং ও লুইস কুমাস।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে লিভারপুল। সেই চাপের ফল আসে ২৩তম মিনিটে। কস্তাস সিমিকাসের নেওয়া কর্নার থেকে হেড করে দলকে এগিয়ে দেন আরাউহো।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে লিভারপুল। দুই মিনিট পর ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের চ্যালেঞ্জে পড়ে যান তরুণ উইঙ্গার রিও নুগোমোহা। সেই পরিস্থিতিতে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কুমাস ছোট পাস দেন বাহকোলাকে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৩১তম মিনিটে কুমাস নিজেও গোল করেছিলেন। তবে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। এর দুই মিনিট পর রায়ান খ্রাফেনবের্খের নেওয়া কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান বাড়ানোর আরেকটি সুযোগ নষ্ট হয় লিভারপুলের।
তবে তৃতীয় গোলের জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি দলটিকে। ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎসের পাস বক্সে পেয়ে প্রথম স্পর্শেই বল নিয়ন্ত্রণে নেন বাহকোলা। এরপর কোনাকুনি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে লিভারপুলকে আরও এগিয়ে দেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫১তম মিনিটে সিমিকাসের বাঁ দিক থেকে বাড়ানো ক্রসে হেড করে ব্যবধান ৪-০ করেন ডাচ ডিফেন্ডার ফ্রিমপং। এই গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে নেয় সফরকারীরা।
৬৩তম মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় এলএএসকে। সতীর্থের কাছ থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে জোরালো শটে ব্যবধান কমান রবের্ত লুবিসিচ। তবে স্বাগতিকদের সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিন মিনিট পর ডান দিক থেকে ফ্রিমপংয়ের বাড়ানো বল গোলমুখে পেয়ে সহজেই জালে পাঠান বাহকোলা। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক।
৭২তম মিনিটে গোলের খাতা খোলেন কুমাস। ফ্রিমপংয়ের পাস থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে জালে বল পাঠান তিনি। এর আগে দুইবার গোল করলেও অফসাইডের কারণে সফল হতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শেষ ভাগে অবশ্য লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে এলএএসকে। পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে দলের ব্যবধান কমান অস্ট্রিয়ান উইঙ্গার ফ্লেকের। প্রথমে ডাইভিং হেডে বল জালে পাঠানোর পর শক্তিশালী শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।
তবে শেষ দিকে স্বাগতিকদের এই প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা বড় কোনো চমক তৈরি করতে পারেনি। ৬ গোলের সুবাদে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল দলটি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়েছিলো লিভারপুল। পরের ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে দুই খেলায় পূর্ণ ৬ পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা।

ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের হতাশা কাটিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লিভারপুল। এবার ইউরোপীয় মঞ্চে অস্ট্রিয়ার ক্লাব এলএএসকের বিপক্ষে ৬-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। ম্যাচে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন বাহডলে বাহকোলা। চলতি মৌসুমে ক্লাবের জার্সিতে এদিনই প্রথম গোলের দেখা পান এই ফরোয়ার্ড।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই লিভারপুলের আক্রমণের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়ে এলএএসকে। প্রথম এক ঘণ্টায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে সফরকারীরা। তবে পরের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের জালে আরও তিনবার বল পাঠায় স্বাগতিক দলটি। শেষ পর্যন্ত ৬-৩ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে লিভারপুল।
লিভারপুলের হয়ে বাহকোলার তিন গোলের পাশাপাশি জালের দেখা পান রোনাল্দ আরাউহো, ইয়েরেমি ফ্রিমপং ও লুইস কুমাস।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে লিভারপুল। সেই চাপের ফল আসে ২৩তম মিনিটে। কস্তাস সিমিকাসের নেওয়া কর্নার থেকে হেড করে দলকে এগিয়ে দেন আরাউহো।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে লিভারপুল। দুই মিনিট পর ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের চ্যালেঞ্জে পড়ে যান তরুণ উইঙ্গার রিও নুগোমোহা। সেই পরিস্থিতিতে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কুমাস ছোট পাস দেন বাহকোলাকে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৩১তম মিনিটে কুমাস নিজেও গোল করেছিলেন। তবে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। এর দুই মিনিট পর রায়ান খ্রাফেনবের্খের নেওয়া কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান বাড়ানোর আরেকটি সুযোগ নষ্ট হয় লিভারপুলের।
তবে তৃতীয় গোলের জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি দলটিকে। ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎসের পাস বক্সে পেয়ে প্রথম স্পর্শেই বল নিয়ন্ত্রণে নেন বাহকোলা। এরপর কোনাকুনি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে লিভারপুলকে আরও এগিয়ে দেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫১তম মিনিটে সিমিকাসের বাঁ দিক থেকে বাড়ানো ক্রসে হেড করে ব্যবধান ৪-০ করেন ডাচ ডিফেন্ডার ফ্রিমপং। এই গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে নেয় সফরকারীরা।
৬৩তম মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় এলএএসকে। সতীর্থের কাছ থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে জোরালো শটে ব্যবধান কমান রবের্ত লুবিসিচ। তবে স্বাগতিকদের সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিন মিনিট পর ডান দিক থেকে ফ্রিমপংয়ের বাড়ানো বল গোলমুখে পেয়ে সহজেই জালে পাঠান বাহকোলা। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক।
৭২তম মিনিটে গোলের খাতা খোলেন কুমাস। ফ্রিমপংয়ের পাস থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে জালে বল পাঠান তিনি। এর আগে দুইবার গোল করলেও অফসাইডের কারণে সফল হতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শেষ ভাগে অবশ্য লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে এলএএসকে। পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে দলের ব্যবধান কমান অস্ট্রিয়ান উইঙ্গার ফ্লেকের। প্রথমে ডাইভিং হেডে বল জালে পাঠানোর পর শক্তিশালী শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।
তবে শেষ দিকে স্বাগতিকদের এই প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা বড় কোনো চমক তৈরি করতে পারেনি। ৬ গোলের সুবাদে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল দলটি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়েছিলো লিভারপুল। পরের ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে দুই খেলায় পূর্ণ ৬ পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা।

বাহকোলার হ্যাটট্রিকে লিভারপুলের গোলবন্যা
স্পোর্টস ডেস্ক

ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারের হতাশা কাটিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লিভারপুল। এবার ইউরোপীয় মঞ্চে অস্ট্রিয়ার ক্লাব এলএএসকের বিপক্ষে ৬-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। ম্যাচে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন বাহডলে বাহকোলা। চলতি মৌসুমে ক্লাবের জার্সিতে এদিনই প্রথম গোলের দেখা পান এই ফরোয়ার্ড।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই লিভারপুলের আক্রমণের চাপে দিশেহারা হয়ে পড়ে এলএএসকে। প্রথম এক ঘণ্টায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে সফরকারীরা। তবে পরের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রতিপক্ষের জালে আরও তিনবার বল পাঠায় স্বাগতিক দলটি। শেষ পর্যন্ত ৬-৩ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে লিভারপুল।
লিভারপুলের হয়ে বাহকোলার তিন গোলের পাশাপাশি জালের দেখা পান রোনাল্দ আরাউহো, ইয়েরেমি ফ্রিমপং ও লুইস কুমাস।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে লিভারপুল। সেই চাপের ফল আসে ২৩তম মিনিটে। কস্তাস সিমিকাসের নেওয়া কর্নার থেকে হেড করে দলকে এগিয়ে দেন আরাউহো।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে লিভারপুল। দুই মিনিট পর ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের চ্যালেঞ্জে পড়ে যান তরুণ উইঙ্গার রিও নুগোমোহা। সেই পরিস্থিতিতে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কুমাস ছোট পাস দেন বাহকোলাকে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৩১তম মিনিটে কুমাস নিজেও গোল করেছিলেন। তবে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। এর দুই মিনিট পর রায়ান খ্রাফেনবের্খের নেওয়া কোনাকুনি শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে ব্যবধান বাড়ানোর আরেকটি সুযোগ নষ্ট হয় লিভারপুলের।
তবে তৃতীয় গোলের জন্য বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি দলটিকে। ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎসের পাস বক্সে পেয়ে প্রথম স্পর্শেই বল নিয়ন্ত্রণে নেন বাহকোলা। এরপর কোনাকুনি শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে লিভারপুলকে আরও এগিয়ে দেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫১তম মিনিটে সিমিকাসের বাঁ দিক থেকে বাড়ানো ক্রসে হেড করে ব্যবধান ৪-০ করেন ডাচ ডিফেন্ডার ফ্রিমপং। এই গোলের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে নেয় সফরকারীরা।
৬৩তম মিনিটে অবশেষে গোলের দেখা পায় এলএএসকে। সতীর্থের কাছ থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে জোরালো শটে ব্যবধান কমান রবের্ত লুবিসিচ। তবে স্বাগতিকদের সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তিন মিনিট পর ডান দিক থেকে ফ্রিমপংয়ের বাড়ানো বল গোলমুখে পেয়ে সহজেই জালে পাঠান বাহকোলা। এর মধ্য দিয়ে পূর্ণ করেন নিজের হ্যাটট্রিক।
৭২তম মিনিটে গোলের খাতা খোলেন কুমাস। ফ্রিমপংয়ের পাস থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে জালে বল পাঠান তিনি। এর আগে দুইবার গোল করলেও অফসাইডের কারণে সফল হতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শেষ ভাগে অবশ্য লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে এলএএসকে। পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে দলের ব্যবধান কমান অস্ট্রিয়ান উইঙ্গার ফ্লেকের। প্রথমে ডাইভিং হেডে বল জালে পাঠানোর পর শক্তিশালী শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।
তবে শেষ দিকে স্বাগতিকদের এই প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা বড় কোনো চমক তৈরি করতে পারেনি। ৬ গোলের সুবাদে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল দলটি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়েছিলো লিভারপুল। পরের ম্যাচেও জয় তুলে নিয়ে দুই খেলায় পূর্ণ ৬ পয়েন্ট অর্জন করেছে তারা। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা।

মেসিকে টপকে রোনালদোর রেকর্ডের দিকে ছুটছেন হ্যারি কেইন







