আসিয়ান কাপে সাফের কম্বিনেশন খুঁজছেন ডুলি

আসিয়ান কাপে সাফের কম্বিনেশন খুঁজছেন ডুলি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফা আসিয়ান কাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি এবং অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া কথা বলেছিলেন একই সুরে- আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি হিসেবে কাজে লাগাবেন। আসিয়ান কাপে গ্রুপ ‘এ’ তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাংলাদেশ হেরেছে ১-০ ব্যবধানে।
দ্বিতীয় ম্যাচে হারের পর বাংলাদেশের কোচ বললেন, সিঙ্গাপুরকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের ছিল।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুর একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন ডুলি। অনেক দিন পর একাদশে ফেরেন জামাল ভূঁইয়া। নিয়মিত অধিনায়কের সঙ্গে শুরুতে মাঠে নামেন জিদান ইউসুফ, শুকি ইতোফুসা ও শেখ মোরছালিন। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলা শাকিল আহাদ তপু, সোহেল রানা সিনিয়র, ফারহান আলী ওয়াহিদ ও ফাহামিদুল ইসলাম শুরুর একাদশে ছিলেন না।
সিঙ্গাপুর ম্যাচ নিয়ে ডুলি বলেন, ‘আজ আমরা গত ম্যাচের চেয়ে ভিন্ন একটি দল দেখেছি। খেলোয়াড়রা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তাতে আমি খুবই আনন্দিত। আমরা ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছি এবং খেলোয়াড়রা মাঠে কী করার চেষ্টা করেছে, সেটিও আপনারা দেখেছেন।’
হামজা-রাকিবরা দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু আক্রমণ করেন। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল হয়নি। ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১১টি কর্নার পেয়েও তা কাজে লাগতে পারেনি বাংলাদেশ দল।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কোচ বলেন, ‘শেষ ২০ মিনিটে যদি আমাদের গোল করার সুযোগগুলো কাজে লাগতো, তাহলে হয়তো ফলাফল আমাদের পক্ষে আরও ইতিবাচক হতে পারতো। শমিতের চমৎকার একটি সুযোগ ছিল, কিন্তু সে হেড মিস করেছে।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ ছিলেন ডুলি। তবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলোয়াড়দের লড়াইয়ে সন্তুষ্ট তিনি। ডুলির ভাষায়, ‘আমরা ১১ জন খেলোয়াড় নিয়েই লড়েছি, আগের ম্যাচের মতো নয়। সবাই বুঝতে পেরেছে, লড়াই করলে এবং প্রতিপক্ষকে বেশি জায়গা না দিলে আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি।’
কোচ বলেন, ‘আমি চাই দল বলের দখল রেখে খেলুক। দাবা খেলার মতো ফুটবলেও পরিকল্পনা করে খেলতে হয়- পরবর্তী দুই-তিন সেকেন্ডে কী হবে, সতীর্থরা কোথায় আছে, তা স্ক্যান করতে হয়।’
আজ সিঙ্গাপুর ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনেও কোচ টেনে আনলেন সাফের প্রস্তুতির বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে সবাইকে হারিয়ে দিতে আসিনি। নিজেদের ভুলগুলো চিহ্নিত করে তা থেকে শিখতে এসেছি। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি খেলোয়াড়দের জন্য বড় শিক্ষা ছিল। আর আজকের ম্যাচ প্রমাণ করেছে যে আমরা খেলতে পারি এবং সিঙ্গাপুরকে হারানোর মতো সামর্থ্যও রাখি।’
কোচের এমন মন্তব্য থেকে বিষয়টি স্পষ্ট সাফের কম্বিনেশন খুঁজছেন কোচ টমাস ডুলি। বাংলাদেশের কোচ কতটা সফল হবেন তার জবাব মিলবে নভেম্বর মাসে শুরু হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে। সেই টুর্নামেন্টই হবে ডুলির বাংলাদেশ দলের আসল পরীক্ষা। আসিয়ান কাপ খেলে প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশ দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে কেমন করে সেটিই দেখার।

ফিফা আসিয়ান কাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি এবং অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া কথা বলেছিলেন একই সুরে- আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি হিসেবে কাজে লাগাবেন। আসিয়ান কাপে গ্রুপ ‘এ’ তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাংলাদেশ হেরেছে ১-০ ব্যবধানে।
দ্বিতীয় ম্যাচে হারের পর বাংলাদেশের কোচ বললেন, সিঙ্গাপুরকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের ছিল।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুর একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন ডুলি। অনেক দিন পর একাদশে ফেরেন জামাল ভূঁইয়া। নিয়মিত অধিনায়কের সঙ্গে শুরুতে মাঠে নামেন জিদান ইউসুফ, শুকি ইতোফুসা ও শেখ মোরছালিন। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলা শাকিল আহাদ তপু, সোহেল রানা সিনিয়র, ফারহান আলী ওয়াহিদ ও ফাহামিদুল ইসলাম শুরুর একাদশে ছিলেন না।
সিঙ্গাপুর ম্যাচ নিয়ে ডুলি বলেন, ‘আজ আমরা গত ম্যাচের চেয়ে ভিন্ন একটি দল দেখেছি। খেলোয়াড়রা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তাতে আমি খুবই আনন্দিত। আমরা ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছি এবং খেলোয়াড়রা মাঠে কী করার চেষ্টা করেছে, সেটিও আপনারা দেখেছেন।’
হামজা-রাকিবরা দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু আক্রমণ করেন। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল হয়নি। ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১১টি কর্নার পেয়েও তা কাজে লাগতে পারেনি বাংলাদেশ দল।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কোচ বলেন, ‘শেষ ২০ মিনিটে যদি আমাদের গোল করার সুযোগগুলো কাজে লাগতো, তাহলে হয়তো ফলাফল আমাদের পক্ষে আরও ইতিবাচক হতে পারতো। শমিতের চমৎকার একটি সুযোগ ছিল, কিন্তু সে হেড মিস করেছে।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ ছিলেন ডুলি। তবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলোয়াড়দের লড়াইয়ে সন্তুষ্ট তিনি। ডুলির ভাষায়, ‘আমরা ১১ জন খেলোয়াড় নিয়েই লড়েছি, আগের ম্যাচের মতো নয়। সবাই বুঝতে পেরেছে, লড়াই করলে এবং প্রতিপক্ষকে বেশি জায়গা না দিলে আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি।’
কোচ বলেন, ‘আমি চাই দল বলের দখল রেখে খেলুক। দাবা খেলার মতো ফুটবলেও পরিকল্পনা করে খেলতে হয়- পরবর্তী দুই-তিন সেকেন্ডে কী হবে, সতীর্থরা কোথায় আছে, তা স্ক্যান করতে হয়।’
আজ সিঙ্গাপুর ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনেও কোচ টেনে আনলেন সাফের প্রস্তুতির বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে সবাইকে হারিয়ে দিতে আসিনি। নিজেদের ভুলগুলো চিহ্নিত করে তা থেকে শিখতে এসেছি। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি খেলোয়াড়দের জন্য বড় শিক্ষা ছিল। আর আজকের ম্যাচ প্রমাণ করেছে যে আমরা খেলতে পারি এবং সিঙ্গাপুরকে হারানোর মতো সামর্থ্যও রাখি।’
কোচের এমন মন্তব্য থেকে বিষয়টি স্পষ্ট সাফের কম্বিনেশন খুঁজছেন কোচ টমাস ডুলি। বাংলাদেশের কোচ কতটা সফল হবেন তার জবাব মিলবে নভেম্বর মাসে শুরু হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে। সেই টুর্নামেন্টই হবে ডুলির বাংলাদেশ দলের আসল পরীক্ষা। আসিয়ান কাপ খেলে প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশ দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে কেমন করে সেটিই দেখার।

আসিয়ান কাপে সাফের কম্বিনেশন খুঁজছেন ডুলি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

ফিফা আসিয়ান কাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি এবং অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া কথা বলেছিলেন একই সুরে- আসিয়ান কাপের ম্যাচগুলো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি হিসেবে কাজে লাগাবেন। আসিয়ান কাপে গ্রুপ ‘এ’ তে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাংলাদেশ হেরেছে ১-০ ব্যবধানে।
দ্বিতীয় ম্যাচে হারের পর বাংলাদেশের কোচ বললেন, সিঙ্গাপুরকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের ছিল।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুর একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন ডুলি। অনেক দিন পর একাদশে ফেরেন জামাল ভূঁইয়া। নিয়মিত অধিনায়কের সঙ্গে শুরুতে মাঠে নামেন জিদান ইউসুফ, শুকি ইতোফুসা ও শেখ মোরছালিন। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলা শাকিল আহাদ তপু, সোহেল রানা সিনিয়র, ফারহান আলী ওয়াহিদ ও ফাহামিদুল ইসলাম শুরুর একাদশে ছিলেন না।
সিঙ্গাপুর ম্যাচ নিয়ে ডুলি বলেন, ‘আজ আমরা গত ম্যাচের চেয়ে ভিন্ন একটি দল দেখেছি। খেলোয়াড়রা যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তাতে আমি খুবই আনন্দিত। আমরা ফুটবল খেলার চেষ্টা করেছি এবং খেলোয়াড়রা মাঠে কী করার চেষ্টা করেছে, সেটিও আপনারা দেখেছেন।’
হামজা-রাকিবরা দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু আক্রমণ করেন। তবে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল হয়নি। ম্যাচের পরিসংখ্যান বলছে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১১টি কর্নার পেয়েও তা কাজে লাগতে পারেনি বাংলাদেশ দল।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কোচ বলেন, ‘শেষ ২০ মিনিটে যদি আমাদের গোল করার সুযোগগুলো কাজে লাগতো, তাহলে হয়তো ফলাফল আমাদের পক্ষে আরও ইতিবাচক হতে পারতো। শমিতের চমৎকার একটি সুযোগ ছিল, কিন্তু সে হেড মিস করেছে।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ ছিলেন ডুলি। তবে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলোয়াড়দের লড়াইয়ে সন্তুষ্ট তিনি। ডুলির ভাষায়, ‘আমরা ১১ জন খেলোয়াড় নিয়েই লড়েছি, আগের ম্যাচের মতো নয়। সবাই বুঝতে পেরেছে, লড়াই করলে এবং প্রতিপক্ষকে বেশি জায়গা না দিলে আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি।’
কোচ বলেন, ‘আমি চাই দল বলের দখল রেখে খেলুক। দাবা খেলার মতো ফুটবলেও পরিকল্পনা করে খেলতে হয়- পরবর্তী দুই-তিন সেকেন্ডে কী হবে, সতীর্থরা কোথায় আছে, তা স্ক্যান করতে হয়।’
আজ সিঙ্গাপুর ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনেও কোচ টেনে আনলেন সাফের প্রস্তুতির বিষয়টি। তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে সবাইকে হারিয়ে দিতে আসিনি। নিজেদের ভুলগুলো চিহ্নিত করে তা থেকে শিখতে এসেছি। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি খেলোয়াড়দের জন্য বড় শিক্ষা ছিল। আর আজকের ম্যাচ প্রমাণ করেছে যে আমরা খেলতে পারি এবং সিঙ্গাপুরকে হারানোর মতো সামর্থ্যও রাখি।’
কোচের এমন মন্তব্য থেকে বিষয়টি স্পষ্ট সাফের কম্বিনেশন খুঁজছেন কোচ টমাস ডুলি। বাংলাদেশের কোচ কতটা সফল হবেন তার জবাব মিলবে নভেম্বর মাসে শুরু হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে। সেই টুর্নামেন্টই হবে ডুলির বাংলাদেশ দলের আসল পরীক্ষা। আসিয়ান কাপ খেলে প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশ দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে কেমন করে সেটিই দেখার।

সিঙ্গাপুরের কাছেও হারলো বাংলাদেশ







