সহযোগী ও পূর্ণ সদস্য দেশের রেকর্ড আলাদা করার পরামর্শ গাভাস্কারের

সহযোগী ও পূর্ণ সদস্য দেশের রেকর্ড আলাদা করার পরামর্শ গাভাস্কারের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। রেকর্ডের একটি অংশই আসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সহযোগী সদস্য (অ্যাসোসিয়েট) দেশগুলোর ম্যাচ থেকে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অবিশ্বাস্য ও চোখধাঁধানো প্রায় সব রেকর্ডই সহযোগী দেশগুলোর দখলে।
ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কারের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) উচিত সহযোগী সদস্য দেশগুলোর রেকর্ড ও পরিসংখ্যান আলাদা বিভাগে রাখা।
গাভাস্কার বলেন, ‘ফুটবল লিগে আমরা দেখেছি, বিভিন্ন ডিভিশনে অবনমন ও উন্নয়ন হয়। তাই কোনও রেকর্ড হলে সেটা কোন ডিভিশনে হয়, তা উল্লেখ করা থাকে। কিন্তু ক্রিকেটে এমন হয় না। সেখানে বদল দরকার।’
ভারতের সাবেক এই ক্রিকেটারের মতে, ক্রিকেটেও এই পদ্ধতি নেওয়া উচিত। গাভাস্কার বলেন, ‘ক্রিকেটেও ডিভিশন অনুযায়ী ভাগ করা উচিত। পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী সদস্যদের আলাদা বিভাগে রাখা উচিত। যখন বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী সদস্য খেলছে তাদের রেকর্ড এক বিভাগে থাকলে সমস্যা নেই। কিন্তু সহযোগী সদস্য দেশগুলো যখন একে অপরের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে তখন তাদের ডিভিশন এ বা ডিভিসন বি-তে ভাগ করা উচিত।’
গাভাস্কারের মতে, পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে লড়াই হয়, তা সহযোগী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে হয় না।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। রেকর্ডের একটি অংশই আসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সহযোগী সদস্য (অ্যাসোসিয়েট) দেশগুলোর ম্যাচ থেকে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অবিশ্বাস্য ও চোখধাঁধানো প্রায় সব রেকর্ডই সহযোগী দেশগুলোর দখলে।
ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কারের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) উচিত সহযোগী সদস্য দেশগুলোর রেকর্ড ও পরিসংখ্যান আলাদা বিভাগে রাখা।
গাভাস্কার বলেন, ‘ফুটবল লিগে আমরা দেখেছি, বিভিন্ন ডিভিশনে অবনমন ও উন্নয়ন হয়। তাই কোনও রেকর্ড হলে সেটা কোন ডিভিশনে হয়, তা উল্লেখ করা থাকে। কিন্তু ক্রিকেটে এমন হয় না। সেখানে বদল দরকার।’
ভারতের সাবেক এই ক্রিকেটারের মতে, ক্রিকেটেও এই পদ্ধতি নেওয়া উচিত। গাভাস্কার বলেন, ‘ক্রিকেটেও ডিভিশন অনুযায়ী ভাগ করা উচিত। পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী সদস্যদের আলাদা বিভাগে রাখা উচিত। যখন বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী সদস্য খেলছে তাদের রেকর্ড এক বিভাগে থাকলে সমস্যা নেই। কিন্তু সহযোগী সদস্য দেশগুলো যখন একে অপরের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে তখন তাদের ডিভিশন এ বা ডিভিসন বি-তে ভাগ করা উচিত।’
গাভাস্কারের মতে, পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে লড়াই হয়, তা সহযোগী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে হয় না।

সহযোগী ও পূর্ণ সদস্য দেশের রেকর্ড আলাদা করার পরামর্শ গাভাস্কারের
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। রেকর্ডের একটি অংশই আসছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সহযোগী সদস্য (অ্যাসোসিয়েট) দেশগুলোর ম্যাচ থেকে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অবিশ্বাস্য ও চোখধাঁধানো প্রায় সব রেকর্ডই সহযোগী দেশগুলোর দখলে।
ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কারের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) উচিত সহযোগী সদস্য দেশগুলোর রেকর্ড ও পরিসংখ্যান আলাদা বিভাগে রাখা।
গাভাস্কার বলেন, ‘ফুটবল লিগে আমরা দেখেছি, বিভিন্ন ডিভিশনে অবনমন ও উন্নয়ন হয়। তাই কোনও রেকর্ড হলে সেটা কোন ডিভিশনে হয়, তা উল্লেখ করা থাকে। কিন্তু ক্রিকেটে এমন হয় না। সেখানে বদল দরকার।’
ভারতের সাবেক এই ক্রিকেটারের মতে, ক্রিকেটেও এই পদ্ধতি নেওয়া উচিত। গাভাস্কার বলেন, ‘ক্রিকেটেও ডিভিশন অনুযায়ী ভাগ করা উচিত। পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী সদস্যদের আলাদা বিভাগে রাখা উচিত। যখন বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় পূর্ণ সদস্য ও সহযোগী সদস্য খেলছে তাদের রেকর্ড এক বিভাগে থাকলে সমস্যা নেই। কিন্তু সহযোগী সদস্য দেশগুলো যখন একে অপরের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে তখন তাদের ডিভিশন এ বা ডিভিসন বি-তে ভাগ করা উচিত।’
গাভাস্কারের মতে, পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যে লড়াই হয়, তা সহযোগী সদস্য দেশগুলোর মধ্যে হয় না।

মেসির চোখে ভবিষ্যৎ ফুটবলের ১০ প্রতিভাবান যারা







