জামায়াতের ‘মেশিনে’ গেলে বলাৎকারীরা ফেরেস্তা হয়ে বের হয়: সুজাউদ্দৌলা

জামায়াতের ‘মেশিনে’ গেলে বলাৎকারীরা ফেরেস্তা হয়ে বের হয়: সুজাউদ্দৌলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) বলেছেন, জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেস্তা হয়ে বের হয়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব লিখেন, জুলাই আন্দোলনকারীদের রাজাকার বানিয়েছিলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সঙ্গে আরেকজন কথিত নেতা মেজর আক্তার। স্বৈরাচার পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলেও মেজর আক্তার জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। বাহ, সুন্দর না!
তিনি লিখেন, মেজর আক্তার বিমানবন্দরের দুই কর্মকর্তার গায়ে হাত দিলো, নির্বাহী পরিচালককে যাচ্ছে তাই মুখের ভাষা ব্যবহার করে মারতে উদ্যত হলো। ডিউটিরত অবস্থায় কারো গায়ে হাত তোলা ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধে মামলা হলো, অপরাধী আটকও হলো। সাথে সাথেই জামাতিরা জেগে উঠলো। আমীর বিবৃতি দিয়ে বলল, তিনি অপরাধ করেননি! হ্যাঁ, আমীর সাব হয়তো ঠিকই বলেছেন, কারণ তাদের অপরাধ তো শুরুই হয় বলাৎকার আর ধর্ষণ দিয়ে! এর নিচে কোন অপরাধই অপরাধ নয়! তাদের নেতাদের অপরাধ হতেই পারেনা!
মো. সুজাউদ্দৌলা লিখেন, জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেস্তা হয়ে বের হয়। আর ছাগল চোর গেলেই রাজনীতিবিদ হয়ে বের হয়।

তিনি লিখেন, শেখ হাসিনা পালানোর সময় তাদের ‘মাশতাতো ভাই’ জামায়াতের কাছে এই মেশিন দিয়ে গেছেন। বিরুদ্ধে গেলেই চাঁদাবাজ আর সঙ্গে থাকলেই পীরসাপ! সরকার অপরাধীদের শাস্তি দেয় আর জামাত দিচ্ছে আস্কারা।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) বলেছেন, জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেস্তা হয়ে বের হয়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব লিখেন, জুলাই আন্দোলনকারীদের রাজাকার বানিয়েছিলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সঙ্গে আরেকজন কথিত নেতা মেজর আক্তার। স্বৈরাচার পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলেও মেজর আক্তার জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। বাহ, সুন্দর না!
তিনি লিখেন, মেজর আক্তার বিমানবন্দরের দুই কর্মকর্তার গায়ে হাত দিলো, নির্বাহী পরিচালককে যাচ্ছে তাই মুখের ভাষা ব্যবহার করে মারতে উদ্যত হলো। ডিউটিরত অবস্থায় কারো গায়ে হাত তোলা ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধে মামলা হলো, অপরাধী আটকও হলো। সাথে সাথেই জামাতিরা জেগে উঠলো। আমীর বিবৃতি দিয়ে বলল, তিনি অপরাধ করেননি! হ্যাঁ, আমীর সাব হয়তো ঠিকই বলেছেন, কারণ তাদের অপরাধ তো শুরুই হয় বলাৎকার আর ধর্ষণ দিয়ে! এর নিচে কোন অপরাধই অপরাধ নয়! তাদের নেতাদের অপরাধ হতেই পারেনা!
মো. সুজাউদ্দৌলা লিখেন, জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেস্তা হয়ে বের হয়। আর ছাগল চোর গেলেই রাজনীতিবিদ হয়ে বের হয়।

তিনি লিখেন, শেখ হাসিনা পালানোর সময় তাদের ‘মাশতাতো ভাই’ জামায়াতের কাছে এই মেশিন দিয়ে গেছেন। বিরুদ্ধে গেলেই চাঁদাবাজ আর সঙ্গে থাকলেই পীরসাপ! সরকার অপরাধীদের শাস্তি দেয় আর জামাত দিচ্ছে আস্কারা।

জামায়াতের ‘মেশিনে’ গেলে বলাৎকারীরা ফেরেস্তা হয়ে বের হয়: সুজাউদ্দৌলা
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) বলেছেন, জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেস্তা হয়ে বের হয়।
শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব লিখেন, জুলাই আন্দোলনকারীদের রাজাকার বানিয়েছিলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সঙ্গে আরেকজন কথিত নেতা মেজর আক্তার। স্বৈরাচার পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে গেলেও মেজর আক্তার জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। বাহ, সুন্দর না!
তিনি লিখেন, মেজর আক্তার বিমানবন্দরের দুই কর্মকর্তার গায়ে হাত দিলো, নির্বাহী পরিচালককে যাচ্ছে তাই মুখের ভাষা ব্যবহার করে মারতে উদ্যত হলো। ডিউটিরত অবস্থায় কারো গায়ে হাত তোলা ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধে মামলা হলো, অপরাধী আটকও হলো। সাথে সাথেই জামাতিরা জেগে উঠলো। আমীর বিবৃতি দিয়ে বলল, তিনি অপরাধ করেননি! হ্যাঁ, আমীর সাব হয়তো ঠিকই বলেছেন, কারণ তাদের অপরাধ তো শুরুই হয় বলাৎকার আর ধর্ষণ দিয়ে! এর নিচে কোন অপরাধই অপরাধ নয়! তাদের নেতাদের অপরাধ হতেই পারেনা!
মো. সুজাউদ্দৌলা লিখেন, জামায়াতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়! এর আগে আওয়ামী লীগের মেশিনে যেমন রাজাকার গেলে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হতো, ঠিক তেমনি এখন জামায়াতের মেশিনে অপরাধী-দুর্নীতিবাজ আর বলাৎকারীরা গেলেই ফেরেস্তা হয়ে বের হয়। আর ছাগল চোর গেলেই রাজনীতিবিদ হয়ে বের হয়।

তিনি লিখেন, শেখ হাসিনা পালানোর সময় তাদের ‘মাশতাতো ভাই’ জামায়াতের কাছে এই মেশিন দিয়ে গেছেন। বিরুদ্ধে গেলেই চাঁদাবাজ আর সঙ্গে থাকলেই পীরসাপ! সরকার অপরাধীদের শাস্তি দেয় আর জামাত দিচ্ছে আস্কারা।

আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন, প্রাথমিক সদস্য: এটিএম আজহার







