আমরা ভারতবিরোধী না, আধিপত্যবাদ বিরোধী: আসিফ মাহমুদ

আমরা ভারতবিরোধী না, আধিপত্যবাদ বিরোধী: আসিফ মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এখন অনেকে বলে আমরা ভারতবিরোধী। আমরা কিন্তু ভারতবিরোধী না, আমরা আধিপত্যবাদ বিরোধী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আর সি মজুমদার অডিটোরিয়ামে শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘আবরার ফাহাদ : দিল্লির আধিপত্যবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ভারত নিয়ে সরকারের পলিসির স্পষ্ট অবস্থান এখন পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না। বোঝা যাচ্ছে না যে সরকারের রোলটা কী হতে পারে। তাই এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এটা বলা একটু কঠিন। তবে আমাদের আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎটা বা রাজনীতিটা আসলে কী, এটা বোঝার একটা খুব সহজ উপায় হচ্ছে আবরার ফাহাদের যে আট স্তম্ভ রয়েছে, ওই স্তম্ভের আটটা কনসেপ্ট। ওই আটটা শব্দ কোনো শব্দ না, ওই আটটা শব্দ হলো ৮টা কনসেপ্ট। এটা ভালোভাবে বুঝলে আমরা বুঝতে পারব যে আমাদের আগামী দিনের আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতি কী।
তিনি বলেন, এই দেশে পলিসিগত জায়গা থেকে আপনি যতই বিপ্লবী কাজ করেন না কেন, লোকালি বা বিভিন্নভাবে আপনি হয়তো টুকটাক বাধার সম্মুখীন হবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সময় সবচেয়ে বেশি বাধার মুখে হয়তো আমি পড়েছি। পাবলিকলি আপনারা দেখেছেন, আবার অনেক কিছু রয়েছে যা আপনারা দেখেননি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের সমস্যাটা হচ্ছে, পলিটিশিয়ানরাই মোটা দাগে উপরে উপরে অনেকেই অনেক কথা বলে। কিন্তু অনেকেই চিন্তা করে যে, ভারত তো আমার জন্য ইমিডিয়েট কোনো থ্রেট না। আমি যদি কিছু আদায় করে নিতে পারি, মানে একটা এমপি নমিনেশন পেতে যদি আমি প্রো-ইন্ডিয়ান কোনো পলিটিশিয়ান হই, তাহলে আমার জন্য একটু সুবিধা হবে। আমার দলের মধ্যেও আমি একটু প্রমিনেন্স পাব বা একটা মিনিস্ট্রি পেতে সুবিধা হবে। এই যে ব্যক্তিগত বা ক্ষুদ্র চিন্তার জায়গা থেকে অনেকেই পার্সোনালি নৈতিকভাবে ডাইলিউট হয়ে যান। পরে একটা চক্রে তারা আসলে ঢুকে যান, এটা থেকে আর বের হতে পারেন না।
তিনি বলেন, আপনাদের অনেকেই যারা ইতিহাস পড়েন, তারা অনেকেই জানবেন যে সিকিমে আসলে কী হয়েছিলো। সিকিমে প্রথমে তাদের যেই রাজতন্ত্র, সেখানে একজন, মানে একজন তো প্রধানমন্ত্রী থাকেন রাজার অধীনে। ওই প্রধানমন্ত্রী অনেকটা প্রো-ইন্ডিয়ান পলিটিশিয়ান ছিলেন। আর তাকে দিয়ে প্রথমে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটা আইন পাস করানো হলো সংসদে। দ্বিতীয়ত, যেই আইনটা আনা হলো, সেটা হচ্ছে পরে যে একটা ভোট করা হলো সংসদে। সেটা হচ্ছে আমরা ভারতের সঙ্গে যাব নাকি স্বাধীন থাকব। তো সেখানে অধিকাংশই ভারতের সঙ্গে যাওয়ার ব্যাপারে ভোট দিলো।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আজ সরকার ডিবি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করলো। চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির যে দায়িত্ব, ১৫ বছরের জন্য সম্ভবত চুক্তি স্বাক্ষর করা হলো। এই ধরনের চুক্তিগুলো যখন হয়, তখন আমাদের দেখার বিষয় কী? আমি কী পাচ্ছি, সে কী পাচ্ছে? আমি যেটা পাচ্ছি, সেটা তার থেকে বেশি কিনা, সেটা হচ্ছে আমার জন্য উইন, তার জন্য লুজ হতে পারে। আবার এই ধরনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং, বাই লেটারাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং, দুই পক্ষের জন্যই উইন-উইন সিচুয়েশন হতে পারে।
তিনি বলেন, আমি যেটা করতেছি, এটাতে আমার দেশের জনগণের জন্য, আমার দেশের জন্য কী রয়েছে, সেটা যদি প্রফিটেবল হয় আমাদের জন্য এবং আমাদের যদি বড় ধরনের কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর না থাকে, তাহলে ওটা তো আমার জন্য খারাপ না।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এখন অনেকে বলে আমরা ভারতবিরোধী। আমরা কিন্তু ভারতবিরোধী না, আমরা আধিপত্যবাদ বিরোধী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আর সি মজুমদার অডিটোরিয়ামে শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘আবরার ফাহাদ : দিল্লির আধিপত্যবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ভারত নিয়ে সরকারের পলিসির স্পষ্ট অবস্থান এখন পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না। বোঝা যাচ্ছে না যে সরকারের রোলটা কী হতে পারে। তাই এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এটা বলা একটু কঠিন। তবে আমাদের আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎটা বা রাজনীতিটা আসলে কী, এটা বোঝার একটা খুব সহজ উপায় হচ্ছে আবরার ফাহাদের যে আট স্তম্ভ রয়েছে, ওই স্তম্ভের আটটা কনসেপ্ট। ওই আটটা শব্দ কোনো শব্দ না, ওই আটটা শব্দ হলো ৮টা কনসেপ্ট। এটা ভালোভাবে বুঝলে আমরা বুঝতে পারব যে আমাদের আগামী দিনের আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতি কী।
তিনি বলেন, এই দেশে পলিসিগত জায়গা থেকে আপনি যতই বিপ্লবী কাজ করেন না কেন, লোকালি বা বিভিন্নভাবে আপনি হয়তো টুকটাক বাধার সম্মুখীন হবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সময় সবচেয়ে বেশি বাধার মুখে হয়তো আমি পড়েছি। পাবলিকলি আপনারা দেখেছেন, আবার অনেক কিছু রয়েছে যা আপনারা দেখেননি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের সমস্যাটা হচ্ছে, পলিটিশিয়ানরাই মোটা দাগে উপরে উপরে অনেকেই অনেক কথা বলে। কিন্তু অনেকেই চিন্তা করে যে, ভারত তো আমার জন্য ইমিডিয়েট কোনো থ্রেট না। আমি যদি কিছু আদায় করে নিতে পারি, মানে একটা এমপি নমিনেশন পেতে যদি আমি প্রো-ইন্ডিয়ান কোনো পলিটিশিয়ান হই, তাহলে আমার জন্য একটু সুবিধা হবে। আমার দলের মধ্যেও আমি একটু প্রমিনেন্স পাব বা একটা মিনিস্ট্রি পেতে সুবিধা হবে। এই যে ব্যক্তিগত বা ক্ষুদ্র চিন্তার জায়গা থেকে অনেকেই পার্সোনালি নৈতিকভাবে ডাইলিউট হয়ে যান। পরে একটা চক্রে তারা আসলে ঢুকে যান, এটা থেকে আর বের হতে পারেন না।
তিনি বলেন, আপনাদের অনেকেই যারা ইতিহাস পড়েন, তারা অনেকেই জানবেন যে সিকিমে আসলে কী হয়েছিলো। সিকিমে প্রথমে তাদের যেই রাজতন্ত্র, সেখানে একজন, মানে একজন তো প্রধানমন্ত্রী থাকেন রাজার অধীনে। ওই প্রধানমন্ত্রী অনেকটা প্রো-ইন্ডিয়ান পলিটিশিয়ান ছিলেন। আর তাকে দিয়ে প্রথমে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটা আইন পাস করানো হলো সংসদে। দ্বিতীয়ত, যেই আইনটা আনা হলো, সেটা হচ্ছে পরে যে একটা ভোট করা হলো সংসদে। সেটা হচ্ছে আমরা ভারতের সঙ্গে যাব নাকি স্বাধীন থাকব। তো সেখানে অধিকাংশই ভারতের সঙ্গে যাওয়ার ব্যাপারে ভোট দিলো।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আজ সরকার ডিবি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করলো। চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির যে দায়িত্ব, ১৫ বছরের জন্য সম্ভবত চুক্তি স্বাক্ষর করা হলো। এই ধরনের চুক্তিগুলো যখন হয়, তখন আমাদের দেখার বিষয় কী? আমি কী পাচ্ছি, সে কী পাচ্ছে? আমি যেটা পাচ্ছি, সেটা তার থেকে বেশি কিনা, সেটা হচ্ছে আমার জন্য উইন, তার জন্য লুজ হতে পারে। আবার এই ধরনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং, বাই লেটারাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং, দুই পক্ষের জন্যই উইন-উইন সিচুয়েশন হতে পারে।
তিনি বলেন, আমি যেটা করতেছি, এটাতে আমার দেশের জনগণের জন্য, আমার দেশের জন্য কী রয়েছে, সেটা যদি প্রফিটেবল হয় আমাদের জন্য এবং আমাদের যদি বড় ধরনের কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর না থাকে, তাহলে ওটা তো আমার জন্য খারাপ না।

আমরা ভারতবিরোধী না, আধিপত্যবাদ বিরোধী: আসিফ মাহমুদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এখন অনেকে বলে আমরা ভারতবিরোধী। আমরা কিন্তু ভারতবিরোধী না, আমরা আধিপত্যবাদ বিরোধী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আর সি মজুমদার অডিটোরিয়ামে শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘আবরার ফাহাদ : দিল্লির আধিপত্যবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ভারত নিয়ে সরকারের পলিসির স্পষ্ট অবস্থান এখন পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না। বোঝা যাচ্ছে না যে সরকারের রোলটা কী হতে পারে। তাই এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এটা বলা একটু কঠিন। তবে আমাদের আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎটা বা রাজনীতিটা আসলে কী, এটা বোঝার একটা খুব সহজ উপায় হচ্ছে আবরার ফাহাদের যে আট স্তম্ভ রয়েছে, ওই স্তম্ভের আটটা কনসেপ্ট। ওই আটটা শব্দ কোনো শব্দ না, ওই আটটা শব্দ হলো ৮টা কনসেপ্ট। এটা ভালোভাবে বুঝলে আমরা বুঝতে পারব যে আমাদের আগামী দিনের আধিপত্যবাদ বিরোধী রাজনীতি কী।
তিনি বলেন, এই দেশে পলিসিগত জায়গা থেকে আপনি যতই বিপ্লবী কাজ করেন না কেন, লোকালি বা বিভিন্নভাবে আপনি হয়তো টুকটাক বাধার সম্মুখীন হবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের সময় সবচেয়ে বেশি বাধার মুখে হয়তো আমি পড়েছি। পাবলিকলি আপনারা দেখেছেন, আবার অনেক কিছু রয়েছে যা আপনারা দেখেননি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, আমাদের দেশের সমস্যাটা হচ্ছে, পলিটিশিয়ানরাই মোটা দাগে উপরে উপরে অনেকেই অনেক কথা বলে। কিন্তু অনেকেই চিন্তা করে যে, ভারত তো আমার জন্য ইমিডিয়েট কোনো থ্রেট না। আমি যদি কিছু আদায় করে নিতে পারি, মানে একটা এমপি নমিনেশন পেতে যদি আমি প্রো-ইন্ডিয়ান কোনো পলিটিশিয়ান হই, তাহলে আমার জন্য একটু সুবিধা হবে। আমার দলের মধ্যেও আমি একটু প্রমিনেন্স পাব বা একটা মিনিস্ট্রি পেতে সুবিধা হবে। এই যে ব্যক্তিগত বা ক্ষুদ্র চিন্তার জায়গা থেকে অনেকেই পার্সোনালি নৈতিকভাবে ডাইলিউট হয়ে যান। পরে একটা চক্রে তারা আসলে ঢুকে যান, এটা থেকে আর বের হতে পারেন না।
তিনি বলেন, আপনাদের অনেকেই যারা ইতিহাস পড়েন, তারা অনেকেই জানবেন যে সিকিমে আসলে কী হয়েছিলো। সিকিমে প্রথমে তাদের যেই রাজতন্ত্র, সেখানে একজন, মানে একজন তো প্রধানমন্ত্রী থাকেন রাজার অধীনে। ওই প্রধানমন্ত্রী অনেকটা প্রো-ইন্ডিয়ান পলিটিশিয়ান ছিলেন। আর তাকে দিয়ে প্রথমে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে একটা আইন পাস করানো হলো সংসদে। দ্বিতীয়ত, যেই আইনটা আনা হলো, সেটা হচ্ছে পরে যে একটা ভোট করা হলো সংসদে। সেটা হচ্ছে আমরা ভারতের সঙ্গে যাব নাকি স্বাধীন থাকব। তো সেখানে অধিকাংশই ভারতের সঙ্গে যাওয়ার ব্যাপারে ভোট দিলো।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আজ সরকার ডিবি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করলো। চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটির যে দায়িত্ব, ১৫ বছরের জন্য সম্ভবত চুক্তি স্বাক্ষর করা হলো। এই ধরনের চুক্তিগুলো যখন হয়, তখন আমাদের দেখার বিষয় কী? আমি কী পাচ্ছি, সে কী পাচ্ছে? আমি যেটা পাচ্ছি, সেটা তার থেকে বেশি কিনা, সেটা হচ্ছে আমার জন্য উইন, তার জন্য লুজ হতে পারে। আবার এই ধরনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং, বাই লেটারাল আন্ডারস্ট্যান্ডিং, দুই পক্ষের জন্যই উইন-উইন সিচুয়েশন হতে পারে।
তিনি বলেন, আমি যেটা করতেছি, এটাতে আমার দেশের জনগণের জন্য, আমার দেশের জন্য কী রয়েছে, সেটা যদি প্রফিটেবল হয় আমাদের জন্য এবং আমাদের যদি বড় ধরনের কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর না থাকে, তাহলে ওটা তো আমার জন্য খারাপ না।

ভারতের সঙ্গে শত্রুতা নয়, বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষা চান নাহিদ







