বিএনপি ১৭ বছরের সংগ্রাম ভুলে যাবে, কখনো ভাবতে পারিনি: মঞ্জু

বিএনপি ১৭ বছরের সংগ্রাম ভুলে যাবে, কখনো ভাবতে পারিনি: মঞ্জু
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, সরকারের মুখে অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা শুনতে শুনতে জাতি মোটামুটি বিরক্ত হয়ে গেছে। সরকার যে এত দ্রুত তার এই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসবে, আমরা কল্পনাও করিনি।
তিনি বলেন, আমরা জানতাম যে, সরকারে গেলে সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়, ক্ষমতার দাপটে মানুষের চেহারা বদলে যায়, আচরণ বদলে যায়। কিন্তু যে বিএনপি ১৬ থেকে ১৭ বছর এত সংগ্রাম করেছে, এত নির্যাতিত ছিল, নিপীড়িত ছিল, তারা এত দ্রুত তাদের অতীত ভুলে যাবে, এটা আমরা ভাবতে পারিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে এবি পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর, প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, বিএনপি বলেছে, জুলাই অভ্যুত্থানে তাদের ৮৪৮ জন কর্মী শাহাদাতবরণ করেছেন। আমি আজকে সবাইকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই, হে আমাদের বিএনপির বন্ধুগণ, অগণিত মানুষের কথা না ভেবে হলেও, অন্তত আপনাদের ৮৪৮ জন নেতাকর্মীর রক্তের ঋণ শোধ করতে হলেও আপনারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জাতির সঙ্গে একটা প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করেনি। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা বলেছিল, ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিল। আমরা খুবই দুঃখিত হই যে, আপনারাও আজকে কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছেন না। আপনাদের সতর্ক করতে চাই, প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার পরিণাম কী ভয়াবহ হতে পারে, সেটা শেখ হাসিনা থেকে আপনারা শিক্ষা নিন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই ১৮০ দিবস বা কার্যদিবসের মধ্যে এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছিল। সংবিধান সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের ‘আপার হাউস’ বা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের কথা ছিল। এগুলো কোথায়? আজকে বলা হচ্ছে, মানুষ জুলাই সনদ কেয়ার করে না, মানুষ দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত, জ্বালানির মূল্য নিয়ে চিন্তিত। তো দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত কেন? আপনারা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, আপনারা জ্বালানি সংকট সমাধান করতে পারেননি।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন করে ইন্সপেকশন অফিসার আছেন। বিএনপি বলেছিল ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। আমরা গতকাল দেখলাম, সরকার একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে—বাংলাদেশে একজন নতুন করে হসপিটাল ইন্সপেকশন অফিসার নিয়োগ হয়েছে, যার নাম তারেক রহমান। এভাবে রাষ্ট্রটাকে অকার্যকর করা, একজনের কাজ আরেকজন দিয়ে করার যে প্রবণতা, তা ফ্যাসিবাদদের মধ্যে লক্ষ করেছিলাম।
মঞ্জু আরও বলেন, আজ একটা বছর আমাদের সেই স্মৃতিকাতরতার দিন, বৃষ্টিভেজা সংসদ ভবনে দাঁড়িয়ে আমরা শহীদের ওই রক্তের সামনে, আহত পঙ্গুদের সামনে দাঁড়িয়ে হাতে হাত রেখে অঙ্গীকার করেছিলাম। বাংলাদেশকে জুলাই সনদের ভিত্তিতে নতুন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত করবো। কিন্তু বিএনপি সেই প্রতিশ্রুতির জায়গা থেকে সরে এসেছে। এটা আমাদের গণতন্ত্রের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।
আলোচনা সভায় এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, সরকারের মুখে অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা শুনতে শুনতে জাতি মোটামুটি বিরক্ত হয়ে গেছে। সরকার যে এত দ্রুত তার এই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসবে, আমরা কল্পনাও করিনি।
তিনি বলেন, আমরা জানতাম যে, সরকারে গেলে সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়, ক্ষমতার দাপটে মানুষের চেহারা বদলে যায়, আচরণ বদলে যায়। কিন্তু যে বিএনপি ১৬ থেকে ১৭ বছর এত সংগ্রাম করেছে, এত নির্যাতিত ছিল, নিপীড়িত ছিল, তারা এত দ্রুত তাদের অতীত ভুলে যাবে, এটা আমরা ভাবতে পারিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে এবি পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর, প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, বিএনপি বলেছে, জুলাই অভ্যুত্থানে তাদের ৮৪৮ জন কর্মী শাহাদাতবরণ করেছেন। আমি আজকে সবাইকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই, হে আমাদের বিএনপির বন্ধুগণ, অগণিত মানুষের কথা না ভেবে হলেও, অন্তত আপনাদের ৮৪৮ জন নেতাকর্মীর রক্তের ঋণ শোধ করতে হলেও আপনারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জাতির সঙ্গে একটা প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করেনি। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা বলেছিল, ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিল। আমরা খুবই দুঃখিত হই যে, আপনারাও আজকে কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছেন না। আপনাদের সতর্ক করতে চাই, প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার পরিণাম কী ভয়াবহ হতে পারে, সেটা শেখ হাসিনা থেকে আপনারা শিক্ষা নিন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই ১৮০ দিবস বা কার্যদিবসের মধ্যে এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছিল। সংবিধান সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের ‘আপার হাউস’ বা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের কথা ছিল। এগুলো কোথায়? আজকে বলা হচ্ছে, মানুষ জুলাই সনদ কেয়ার করে না, মানুষ দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত, জ্বালানির মূল্য নিয়ে চিন্তিত। তো দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত কেন? আপনারা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, আপনারা জ্বালানি সংকট সমাধান করতে পারেননি।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন করে ইন্সপেকশন অফিসার আছেন। বিএনপি বলেছিল ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। আমরা গতকাল দেখলাম, সরকার একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে—বাংলাদেশে একজন নতুন করে হসপিটাল ইন্সপেকশন অফিসার নিয়োগ হয়েছে, যার নাম তারেক রহমান। এভাবে রাষ্ট্রটাকে অকার্যকর করা, একজনের কাজ আরেকজন দিয়ে করার যে প্রবণতা, তা ফ্যাসিবাদদের মধ্যে লক্ষ করেছিলাম।
মঞ্জু আরও বলেন, আজ একটা বছর আমাদের সেই স্মৃতিকাতরতার দিন, বৃষ্টিভেজা সংসদ ভবনে দাঁড়িয়ে আমরা শহীদের ওই রক্তের সামনে, আহত পঙ্গুদের সামনে দাঁড়িয়ে হাতে হাত রেখে অঙ্গীকার করেছিলাম। বাংলাদেশকে জুলাই সনদের ভিত্তিতে নতুন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত করবো। কিন্তু বিএনপি সেই প্রতিশ্রুতির জায়গা থেকে সরে এসেছে। এটা আমাদের গণতন্ত্রের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।
আলোচনা সভায় এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি ১৭ বছরের সংগ্রাম ভুলে যাবে, কখনো ভাবতে পারিনি: মঞ্জু
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, সরকারের মুখে অক্ষরে অক্ষরে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা শুনতে শুনতে জাতি মোটামুটি বিরক্ত হয়ে গেছে। সরকার যে এত দ্রুত তার এই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসবে, আমরা কল্পনাও করিনি।
তিনি বলেন, আমরা জানতাম যে, সরকারে গেলে সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়, ক্ষমতার দাপটে মানুষের চেহারা বদলে যায়, আচরণ বদলে যায়। কিন্তু যে বিএনপি ১৬ থেকে ১৭ বছর এত সংগ্রাম করেছে, এত নির্যাতিত ছিল, নিপীড়িত ছিল, তারা এত দ্রুত তাদের অতীত ভুলে যাবে, এটা আমরা ভাবতে পারিনি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে এবি পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই সনদের ১ বছর, প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, বিএনপি বলেছে, জুলাই অভ্যুত্থানে তাদের ৮৪৮ জন কর্মী শাহাদাতবরণ করেছেন। আমি আজকে সবাইকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই, হে আমাদের বিএনপির বন্ধুগণ, অগণিত মানুষের কথা না ভেবে হলেও, অন্তত আপনাদের ৮৪৮ জন নেতাকর্মীর রক্তের ঋণ শোধ করতে হলেও আপনারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করুন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জাতির সঙ্গে একটা প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করেনি। ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর কথা বলেছিল, ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিল। আমরা খুবই দুঃখিত হই যে, আপনারাও আজকে কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছেন না। আপনাদের সতর্ক করতে চাই, প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার পরিণাম কী ভয়াবহ হতে পারে, সেটা শেখ হাসিনা থেকে আপনারা শিক্ষা নিন।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই ১৮০ দিবস বা কার্যদিবসের মধ্যে এই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছিল। সংবিধান সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আমাদের ‘আপার হাউস’ বা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের কথা ছিল। এগুলো কোথায়? আজকে বলা হচ্ছে, মানুষ জুলাই সনদ কেয়ার করে না, মানুষ দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত, জ্বালানির মূল্য নিয়ে চিন্তিত। তো দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত কেন? আপনারা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, আপনারা জ্বালানি সংকট সমাধান করতে পারেননি।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন করে ইন্সপেকশন অফিসার আছেন। বিএনপি বলেছিল ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। আমরা গতকাল দেখলাম, সরকার একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে—বাংলাদেশে একজন নতুন করে হসপিটাল ইন্সপেকশন অফিসার নিয়োগ হয়েছে, যার নাম তারেক রহমান। এভাবে রাষ্ট্রটাকে অকার্যকর করা, একজনের কাজ আরেকজন দিয়ে করার যে প্রবণতা, তা ফ্যাসিবাদদের মধ্যে লক্ষ করেছিলাম।
মঞ্জু আরও বলেন, আজ একটা বছর আমাদের সেই স্মৃতিকাতরতার দিন, বৃষ্টিভেজা সংসদ ভবনে দাঁড়িয়ে আমরা শহীদের ওই রক্তের সামনে, আহত পঙ্গুদের সামনে দাঁড়িয়ে হাতে হাত রেখে অঙ্গীকার করেছিলাম। বাংলাদেশকে জুলাই সনদের ভিত্তিতে নতুন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তরিত করবো। কিন্তু বিএনপি সেই প্রতিশ্রুতির জায়গা থেকে সরে এসেছে। এটা আমাদের গণতন্ত্রের জন্য শুভ লক্ষণ নয়।
আলোচনা সভায় এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ঘাট পেরিয়ে গেছেন, তারপরে নৌকাটা ছেদা করে দেবেন– এটা ঠিক নয়: অলি আহমদ







