ঘাট পেরিয়ে গেছেন, তারপরে নৌকাটা ছেদা করে দেবেন– এটা ঠিক নয়: অলি আহমদ

ঘাট পেরিয়ে গেছেন, তারপরে নৌকাটা ছেদা করে দেবেন– এটা ঠিক নয়: অলি আহমদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জাতিকে বিভক্ত করে লাভ হবে না। আমরা চেয়েছি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে। অনেকে বলে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সাহেব তো সরকারের কাজ করছে। কারণ আমরা এখনো পর্যন্ত সরকারের ক্ষতি হয় বা সরকার গদিচ্যুত হয়, এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হইনি। আমরা শুধু জনমত গড়ে তুলছি এবং জনগণের যে দাবি-দাওয়া, সেটা যেন গ্রহণ হয়– এটাই চেষ্টা করে যাচ্ছি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত 'জুলাই সনদের ১ বছর, প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, সরকারপ্রধানকে প্রথমে চিন্তা করতে হবে দেশের জনগণ কী চায়। আমি কী মনে করি, আমি কে– এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমাকে জনগণ কীভাবে দেখে, সেটাই হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, আমরা কী চেয়েছি? বাংলাদেশের জনগণ যেন সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে, আগামী দিনে যেন রাজনৈতিক দলগুলো সুন্দরভাবে কাজ করে, নিজেদের মধ্যে বিভেদে জড়িয়ে না পড়ে। অনেক চিন্তা-ভাবনা করে সবাই বসে সংস্কারের দাবিগুলো লিপিবদ্ধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, এই দাবিগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তিনি এটাও বলেছেন, যার কথার ঠিক নেই, তার ঈমান নেই। আমি এদিকে যেতে চাই না, কারণ আমার ছেলে-সমতুল্য। আমি অনুরোধ করবো, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আমরা এখানে এসেছি মৃত্যুবরণ করার জন্য, এটা একটা ফেইজ অব লাইফ, এটা জীবনের একটা অধ্যায়।
তিনি আরও বলেন, মোটা দাগে সংস্কারগুলো কী? এটা কি আমাদের শফিকুর রহমান সাহেব ব্যবসা চেয়েছেন? প্রধানমন্ত্রীর পদ চেয়েছেন? আমরা মন্ত্রীর পদ চেয়েছি? আমরা কোনো জিনিস চেয়েছি? না। আমরা চেয়েছি দেশের জন্য যেটা ভালো হবে, সেই কাজগুলো। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে এটা ঠিক করেছি। যারা ওখানে বসেছে, তারা বিগত ৫০ বছর, ৩০ বছর, ৪০ বছর দেশের রাজনীতি দেখেছে। এই অভিজ্ঞতার আলোকে এই জুলাই সনদটা প্রস্তুত করা হয়েছিল। এটাতে কারো দ্বিমত ছিল না। এখন আপনি ঘাট পেরিয়ে গেছেন, তারপরে নৌকাটা ছেদা করে দেবেন– এটা তো ঠিক নয়। বাকি লোককেও তো পার করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি বলবেন একটা, করবেন আরেকটা। যেমন আপনারা বললেন, আপনারা কার্ড বিতরণ করবেন, নির্বাচনের আগে কার্ড বিতরণ করবেন বললেন। এটা একধরনের জনগণকে ঘুষ দেওয়া, নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার মুখের মধ্যে কলা নিয়ে বসেছিল, কথা বলতে পারেননি। তার উচিত ছিল এখানে আইন ভঙ্গ হয়েছে বলা, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, এখন স্থানীয় নির্বাচন আসছে, আপনি আবার বলছেন কার্ড দেবো, ওইটা দেবো, এইটা দেবো। এটা তো সরকারের একটা নিয়মিত কাজ, কিন্তু আপনি একটা উপলক্ষ্য করে যখন দেবেন, এটা তো ঘুষের পর্যায়ে পড়ে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে।
অলি আহমদ বলেন, আপনি চারদিকে অদক্ষ লোক দ্বারা বেষ্টিত, অপরিপক্ক লোক দ্বারা বেষ্টিত। একটা কেরাণীর চাকরি তালাশ করতে হলে, আপনি বলেন যে তাকে ইন্টারমিডিয়েট পাস হতে হবে। আর এমপি হওয়ার জন্য কোনো ‘ক্লাস-পাস’ করার দরকার নেই, গুন্ডা হলেই হবে, বসা থাকলেই হবে। আগে কেউ বলছিলো যে, পাঁচটা হুন্ডা, দশটা গুন্ডা– এইটা থাকলেই নির্বাচন ঠান্ডা। এখন এইদিকে যাবেন না। দেশকে সঠিক পথে চলার জন্য সাহায্য করেন।
আলোচনা সভায় এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জাতিকে বিভক্ত করে লাভ হবে না। আমরা চেয়েছি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে। অনেকে বলে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সাহেব তো সরকারের কাজ করছে। কারণ আমরা এখনো পর্যন্ত সরকারের ক্ষতি হয় বা সরকার গদিচ্যুত হয়, এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হইনি। আমরা শুধু জনমত গড়ে তুলছি এবং জনগণের যে দাবি-দাওয়া, সেটা যেন গ্রহণ হয়– এটাই চেষ্টা করে যাচ্ছি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত 'জুলাই সনদের ১ বছর, প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, সরকারপ্রধানকে প্রথমে চিন্তা করতে হবে দেশের জনগণ কী চায়। আমি কী মনে করি, আমি কে– এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমাকে জনগণ কীভাবে দেখে, সেটাই হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, আমরা কী চেয়েছি? বাংলাদেশের জনগণ যেন সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে, আগামী দিনে যেন রাজনৈতিক দলগুলো সুন্দরভাবে কাজ করে, নিজেদের মধ্যে বিভেদে জড়িয়ে না পড়ে। অনেক চিন্তা-ভাবনা করে সবাই বসে সংস্কারের দাবিগুলো লিপিবদ্ধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, এই দাবিগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তিনি এটাও বলেছেন, যার কথার ঠিক নেই, তার ঈমান নেই। আমি এদিকে যেতে চাই না, কারণ আমার ছেলে-সমতুল্য। আমি অনুরোধ করবো, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আমরা এখানে এসেছি মৃত্যুবরণ করার জন্য, এটা একটা ফেইজ অব লাইফ, এটা জীবনের একটা অধ্যায়।
তিনি আরও বলেন, মোটা দাগে সংস্কারগুলো কী? এটা কি আমাদের শফিকুর রহমান সাহেব ব্যবসা চেয়েছেন? প্রধানমন্ত্রীর পদ চেয়েছেন? আমরা মন্ত্রীর পদ চেয়েছি? আমরা কোনো জিনিস চেয়েছি? না। আমরা চেয়েছি দেশের জন্য যেটা ভালো হবে, সেই কাজগুলো। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে এটা ঠিক করেছি। যারা ওখানে বসেছে, তারা বিগত ৫০ বছর, ৩০ বছর, ৪০ বছর দেশের রাজনীতি দেখেছে। এই অভিজ্ঞতার আলোকে এই জুলাই সনদটা প্রস্তুত করা হয়েছিল। এটাতে কারো দ্বিমত ছিল না। এখন আপনি ঘাট পেরিয়ে গেছেন, তারপরে নৌকাটা ছেদা করে দেবেন– এটা তো ঠিক নয়। বাকি লোককেও তো পার করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি বলবেন একটা, করবেন আরেকটা। যেমন আপনারা বললেন, আপনারা কার্ড বিতরণ করবেন, নির্বাচনের আগে কার্ড বিতরণ করবেন বললেন। এটা একধরনের জনগণকে ঘুষ দেওয়া, নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার মুখের মধ্যে কলা নিয়ে বসেছিল, কথা বলতে পারেননি। তার উচিত ছিল এখানে আইন ভঙ্গ হয়েছে বলা, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, এখন স্থানীয় নির্বাচন আসছে, আপনি আবার বলছেন কার্ড দেবো, ওইটা দেবো, এইটা দেবো। এটা তো সরকারের একটা নিয়মিত কাজ, কিন্তু আপনি একটা উপলক্ষ্য করে যখন দেবেন, এটা তো ঘুষের পর্যায়ে পড়ে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে।
অলি আহমদ বলেন, আপনি চারদিকে অদক্ষ লোক দ্বারা বেষ্টিত, অপরিপক্ক লোক দ্বারা বেষ্টিত। একটা কেরাণীর চাকরি তালাশ করতে হলে, আপনি বলেন যে তাকে ইন্টারমিডিয়েট পাস হতে হবে। আর এমপি হওয়ার জন্য কোনো ‘ক্লাস-পাস’ করার দরকার নেই, গুন্ডা হলেই হবে, বসা থাকলেই হবে। আগে কেউ বলছিলো যে, পাঁচটা হুন্ডা, দশটা গুন্ডা– এইটা থাকলেই নির্বাচন ঠান্ডা। এখন এইদিকে যাবেন না। দেশকে সঠিক পথে চলার জন্য সাহায্য করেন।
আলোচনা সভায় এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ঘাট পেরিয়ে গেছেন, তারপরে নৌকাটা ছেদা করে দেবেন– এটা ঠিক নয়: অলি আহমদ
নিজস্ব প্রতিবেদক

এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, জাতিকে বিভক্ত করে লাভ হবে না। আমরা চেয়েছি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে। অনেকে বলে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান সাহেব তো সরকারের কাজ করছে। কারণ আমরা এখনো পর্যন্ত সরকারের ক্ষতি হয় বা সরকার গদিচ্যুত হয়, এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হইনি। আমরা শুধু জনমত গড়ে তুলছি এবং জনগণের যে দাবি-দাওয়া, সেটা যেন গ্রহণ হয়– এটাই চেষ্টা করে যাচ্ছি।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির উদ্যোগে আয়োজিত 'জুলাই সনদের ১ বছর, প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশার সালতামামি' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, সরকারপ্রধানকে প্রথমে চিন্তা করতে হবে দেশের জনগণ কী চায়। আমি কী মনে করি, আমি কে– এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আমাকে জনগণ কীভাবে দেখে, সেটাই হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, আমরা কী চেয়েছি? বাংলাদেশের জনগণ যেন সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে, আগামী দিনে যেন রাজনৈতিক দলগুলো সুন্দরভাবে কাজ করে, নিজেদের মধ্যে বিভেদে জড়িয়ে না পড়ে। অনেক চিন্তা-ভাবনা করে সবাই বসে সংস্কারের দাবিগুলো লিপিবদ্ধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, এই দাবিগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তিনি এটাও বলেছেন, যার কথার ঠিক নেই, তার ঈমান নেই। আমি এদিকে যেতে চাই না, কারণ আমার ছেলে-সমতুল্য। আমি অনুরোধ করবো, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আমরা এখানে এসেছি মৃত্যুবরণ করার জন্য, এটা একটা ফেইজ অব লাইফ, এটা জীবনের একটা অধ্যায়।
তিনি আরও বলেন, মোটা দাগে সংস্কারগুলো কী? এটা কি আমাদের শফিকুর রহমান সাহেব ব্যবসা চেয়েছেন? প্রধানমন্ত্রীর পদ চেয়েছেন? আমরা মন্ত্রীর পদ চেয়েছি? আমরা কোনো জিনিস চেয়েছি? না। আমরা চেয়েছি দেশের জন্য যেটা ভালো হবে, সেই কাজগুলো। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে এটা ঠিক করেছি। যারা ওখানে বসেছে, তারা বিগত ৫০ বছর, ৩০ বছর, ৪০ বছর দেশের রাজনীতি দেখেছে। এই অভিজ্ঞতার আলোকে এই জুলাই সনদটা প্রস্তুত করা হয়েছিল। এটাতে কারো দ্বিমত ছিল না। এখন আপনি ঘাট পেরিয়ে গেছেন, তারপরে নৌকাটা ছেদা করে দেবেন– এটা তো ঠিক নয়। বাকি লোককেও তো পার করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি বলবেন একটা, করবেন আরেকটা। যেমন আপনারা বললেন, আপনারা কার্ড বিতরণ করবেন, নির্বাচনের আগে কার্ড বিতরণ করবেন বললেন। এটা একধরনের জনগণকে ঘুষ দেওয়া, নির্বাচনকে প্রভাবিত করা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার মুখের মধ্যে কলা নিয়ে বসেছিল, কথা বলতে পারেননি। তার উচিত ছিল এখানে আইন ভঙ্গ হয়েছে বলা, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, এখন স্থানীয় নির্বাচন আসছে, আপনি আবার বলছেন কার্ড দেবো, ওইটা দেবো, এইটা দেবো। এটা তো সরকারের একটা নিয়মিত কাজ, কিন্তু আপনি একটা উপলক্ষ্য করে যখন দেবেন, এটা তো ঘুষের পর্যায়ে পড়ে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে।
অলি আহমদ বলেন, আপনি চারদিকে অদক্ষ লোক দ্বারা বেষ্টিত, অপরিপক্ক লোক দ্বারা বেষ্টিত। একটা কেরাণীর চাকরি তালাশ করতে হলে, আপনি বলেন যে তাকে ইন্টারমিডিয়েট পাস হতে হবে। আর এমপি হওয়ার জন্য কোনো ‘ক্লাস-পাস’ করার দরকার নেই, গুন্ডা হলেই হবে, বসা থাকলেই হবে। আগে কেউ বলছিলো যে, পাঁচটা হুন্ডা, দশটা গুন্ডা– এইটা থাকলেই নির্বাচন ঠান্ডা। এখন এইদিকে যাবেন না। দেশকে সঠিক পথে চলার জন্য সাহায্য করেন।
আলোচনা সভায় এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

বিরোধী দলের সহযোগিতা নেওয়ার যোগ্যতা সরকারের নেই: জামায়াত আমির







