‘মেধার বদলে টাকার খেলা চলবে না, প্রশ্নফাঁসের দায় সরকারকে নিতে হবে’

‘মেধার বদলে টাকার খেলা চলবে না, প্রশ্নফাঁসের দায় সরকারকে নিতে হবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তরুণদের স্বপ্ন ও বিশ্বাসভঙ্গের সেই পুরনো অধ্যায় আবারও ফিরিয়ে এনেছে। মেধার বদলে টাকার খেলা চলবে না। এ ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা উন্মোচিত হয়েছে, এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।
শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তরুণদের স্বপ্ন ও বিশ্বাসভঙ্গের সেই পুরনো অধ্যায় আবারও ফিরিয়ে এনেছে। এ ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা উন্মোচিত হয়েছে, এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।
তিনি লিখেন, ২৪২টি পদের বিপরীতে তিন লাখের বেশি চাকরিপ্রার্থীর অংশগ্রহণে আজ ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর সামনে আসে।
এনসিপির মুখপাত্র লিখেন, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার যোগসাজশে পরিচালিত একটি চক্র দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরীক্ষার্থীদের ঢাকায় জড়ো করে, আগেই তাঁদের প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে এবং প্রার্থীপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করে। রাতভর বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তর পড়ানোর তথ্যও সামনে এসেছে। সংবাদে আরও বলা হয়েছে, ওই কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং তাঁর আত্মীয়সহ অধিদপ্তরের একটি চক্র এ ঘটনায় জড়িত।
তিনি লিখেন, খোদ সরকারি কর্মকর্তারা এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও এবং রাতভর এ ধরনের আয়োজন চললেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি দেশের মানুষ জানতে পেরেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে। এ ঘটনা প্রমাণ করে, হয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের কেউ এর সঙ্গে জড়িত, অথবা সরকারের প্রশাসনিক ও গোয়েন্দা নজরদারিতে গুরুতর ব্যর্থতা রয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার আগে তথ্য সংগ্রহ, গোয়েন্দা নজরদারি ও অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার ঘাটতি এ ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
আসিফ মাহমুদ লিখেন, আমরা এ ঘটনায় অবিলম্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা স্থগিত বা বাতিল করাই যথেষ্ট নয়। দ্রুত নতুন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি লিখেন, তরুণদের জন্য এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। অথচ সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ন্যায্য প্রতিযোগিতাই যদি নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই প্রতিশ্রুতির অর্থ কী? চাকরিপ্রার্থীরা কারও অনুগ্রহ চান না; তারা চান মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের ন্যায্য সুযোগ। বছরের পর বছর পরিশ্রম করে প্রস্তুতি নেওয়া তরুণদের স্বপ্ন যেন দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাছে পরাজিত না হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারেরই।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তরুণদের স্বপ্ন ও বিশ্বাসভঙ্গের সেই পুরনো অধ্যায় আবারও ফিরিয়ে এনেছে। মেধার বদলে টাকার খেলা চলবে না। এ ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা উন্মোচিত হয়েছে, এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।
শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তরুণদের স্বপ্ন ও বিশ্বাসভঙ্গের সেই পুরনো অধ্যায় আবারও ফিরিয়ে এনেছে। এ ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা উন্মোচিত হয়েছে, এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।
তিনি লিখেন, ২৪২টি পদের বিপরীতে তিন লাখের বেশি চাকরিপ্রার্থীর অংশগ্রহণে আজ ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর সামনে আসে।
এনসিপির মুখপাত্র লিখেন, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার যোগসাজশে পরিচালিত একটি চক্র দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরীক্ষার্থীদের ঢাকায় জড়ো করে, আগেই তাঁদের প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে এবং প্রার্থীপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করে। রাতভর বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তর পড়ানোর তথ্যও সামনে এসেছে। সংবাদে আরও বলা হয়েছে, ওই কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং তাঁর আত্মীয়সহ অধিদপ্তরের একটি চক্র এ ঘটনায় জড়িত।
তিনি লিখেন, খোদ সরকারি কর্মকর্তারা এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও এবং রাতভর এ ধরনের আয়োজন চললেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি দেশের মানুষ জানতে পেরেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে। এ ঘটনা প্রমাণ করে, হয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের কেউ এর সঙ্গে জড়িত, অথবা সরকারের প্রশাসনিক ও গোয়েন্দা নজরদারিতে গুরুতর ব্যর্থতা রয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার আগে তথ্য সংগ্রহ, গোয়েন্দা নজরদারি ও অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার ঘাটতি এ ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
আসিফ মাহমুদ লিখেন, আমরা এ ঘটনায় অবিলম্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা স্থগিত বা বাতিল করাই যথেষ্ট নয়। দ্রুত নতুন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি লিখেন, তরুণদের জন্য এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। অথচ সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ন্যায্য প্রতিযোগিতাই যদি নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই প্রতিশ্রুতির অর্থ কী? চাকরিপ্রার্থীরা কারও অনুগ্রহ চান না; তারা চান মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের ন্যায্য সুযোগ। বছরের পর বছর পরিশ্রম করে প্রস্তুতি নেওয়া তরুণদের স্বপ্ন যেন দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাছে পরাজিত না হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারেরই।

‘মেধার বদলে টাকার খেলা চলবে না, প্রশ্নফাঁসের দায় সরকারকে নিতে হবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তরুণদের স্বপ্ন ও বিশ্বাসভঙ্গের সেই পুরনো অধ্যায় আবারও ফিরিয়ে এনেছে। মেধার বদলে টাকার খেলা চলবে না। এ ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা উন্মোচিত হয়েছে, এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।
শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লিখেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তরুণদের স্বপ্ন ও বিশ্বাসভঙ্গের সেই পুরনো অধ্যায় আবারও ফিরিয়ে এনেছে। এ ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতা উন্মোচিত হয়েছে, এর দায় নিতে হবে সরকারকেই।
তিনি লিখেন, ২৪২টি পদের বিপরীতে তিন লাখের বেশি চাকরিপ্রার্থীর অংশগ্রহণে আজ ১০ অক্টোবর সকাল ১১টায় রাজধানীর প্রায় ১০০টি কেন্দ্রে সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর সামনে আসে।
এনসিপির মুখপাত্র লিখেন, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তার যোগসাজশে পরিচালিত একটি চক্র দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরীক্ষার্থীদের ঢাকায় জড়ো করে, আগেই তাঁদের প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে এবং প্রার্থীপ্রতি গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে প্রশ্ন ও উত্তর সরবরাহ করে। রাতভর বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তর পড়ানোর তথ্যও সামনে এসেছে। সংবাদে আরও বলা হয়েছে, ওই কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন এবং তাঁর আত্মীয়সহ অধিদপ্তরের একটি চক্র এ ঘটনায় জড়িত।
তিনি লিখেন, খোদ সরকারি কর্মকর্তারা এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও এবং রাতভর এ ধরনের আয়োজন চললেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি দেশের মানুষ জানতে পেরেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে। এ ঘটনা প্রমাণ করে, হয় সরকারের উচ্চপর্যায়ের কেউ এর সঙ্গে জড়িত, অথবা সরকারের প্রশাসনিক ও গোয়েন্দা নজরদারিতে গুরুতর ব্যর্থতা রয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার আগে তথ্য সংগ্রহ, গোয়েন্দা নজরদারি ও অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার ঘাটতি এ ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
আসিফ মাহমুদ লিখেন, আমরা এ ঘটনায় অবিলম্বে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় পরীক্ষা স্থগিত বা বাতিল করাই যথেষ্ট নয়। দ্রুত নতুন পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি লিখেন, তরুণদের জন্য এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। অথচ সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ন্যায্য প্রতিযোগিতাই যদি নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে সেই প্রতিশ্রুতির অর্থ কী? চাকরিপ্রার্থীরা কারও অনুগ্রহ চান না; তারা চান মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগের ন্যায্য সুযোগ। বছরের পর বছর পরিশ্রম করে প্রস্তুতি নেওয়া তরুণদের স্বপ্ন যেন দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাছে পরাজিত না হয়, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারেরই।

ভারতের সঙ্গে শত্রুতা নয়, বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষা চান নাহিদ







